লোড হচ্ছে... | Loading...

Prottoyon Gov BD-অনলাইনে প্রত্যয়ন পত্র

Online Pottayon-অনলাইনে প্রত্যয়ন পত্র

কাউন্সিলর অনেক সময় কাজের চাপে কিংবা বিভিন্ন প্রয়োজনে অফিসে বসতে পারেন না। ফলে প্রত্যায়ন প্রার্থীরা পড়ে যান দুর্ভোগে। তবে আজকের ইনফোটি আপনাকে প্রত্যায়ন পাওয়ার দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করবে। মানে যে কোন প্রত্যায়ন এখন আপনি বাসায় থেকে পেতে পারেন। এজন্য কাউন্সিলর অফিসে যেতে হবে না। যে কোন প্রত্যায়ন এখন অনলাইনে পেতে ভিজিট করুন https://prottoyon.gov.bd/ এই সাইটে।

প্রত্যায়ন পত্র

প্রত্যায়ন হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন বিষয়ের একটি সার্টিফিকেট বা সনদ। এই সনদকেই প্রত্যায়ন বলা হয়। যেমন- চারিত্রিক সদন বা চারিত্রিক প্রত্যায়ন পত্র কাউন্সিলর কর্তৃক ইস্যু করা হয়। এখানে সনদ ইস্যুকারী অফিস হচ্ছে কাউন্সিল অফিস।

অনলাইনে প্রত্যায়ন পত্র Online Pottoyan

এখন থেকে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে প্রত্যায়ন পত্র নিতে পারবেন। অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে বাসায় বসে প্রত্যায়ন পত্র পাবেন। অনলাইনে প্রত্যায়নপত্র নেওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে ডিজিটাল প্রত্যায়ন ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ডিজিটাল প্রত্যায়ন প্রত্রের ওয়েবসাইট ওপেন হবে। 

Prottoyon Gov BD-অনলাইনে প্রত্যয়ন পত্র

Prottoyon Gov BD-অনলাইনে প্রত্যয়ন পত্র

Prottoyon Gov BD-অনলাইনে প্রত্যয়ন পত্র

‘ফ্রি একাউন্ট খুলুন’ বাটন ক্লিক করে নিবন্ধন করুন। নিবন্ধন করা খুবই সহজ। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার, জন্ম তারিখ ও একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ডিজিটাল প্রত্যায়ন পত্রের ওয়েবসাইটে একাউন্ট হয়ে যাবে। পরবর্তীতে যে কোন সময় লগইন করে যে কোন প্রত্যানের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

ডিজিটাল পত্যায়ন পত্র

মনে রাখবেন, অনলাইনে প্রত্যায়ন পত্র পেতে প্রথমে আপনাকে নাগরিক একাউন্ট তৈরি করতে হবে। এরপর লগইন করে প্রত্যায়নের জন্য আবেদন করতে হবে। উপরের নিয়মে একটি নাগরিক একাউন্ট তৈরি করে নিন। 

আপনার যদি জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকে

আপনি যদি ভোটার না হয়ে থাকেন তাহলেও ডিজিটাল প্রত্যায়নের আবেদন করতে পারবেন। এজন্য নাগরিক একাউন্ট খোলার সময় ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নেই?’ বাটনে ক্লিক করে একাউন্ট খুলুন। আপনার একাউন্ট খোলা হয়ে গেলে লগইন করুন। এখন ড্যাসবোর্ড থেকে আপনি যে প্রত্যায়ন পেতে চান সেটির বাটনে ক্লিক করে আবেদন করুন।

ডিজিটাল প্রত্যায়ন সাইটে যে যে প্রত্যায়ন সনদ নিতে পারবেন

সাধারণত কাউন্সিলর অফিস থেকে যে সকল প্রত্যায়নপত্র দেয়া হয় তার সবগুলোই অনলাইনে পেতে পারেন এই ডিজিটাল প্রত্যায়ন সাইটটির মাধ্যমে। যে যে প্রত্যায়নের আবেদন করতে পারবেন তা হলো-

১। নাগরিক সনদ

২। চারিত্রিক সনদ

৩। মৃত্যু সনদ

৪। উত্তরাধিকারি সনদ

৫। জাতীয়তা সনদ

৬। ভূমিহীন সনদ

৭। মুক্তিযোদ্ধা সনদ

৮। উপজাতি সনদ

৯। বার্ষিক আয়ের সনদ

১০। এতিম সনদ

১১। মাসিক আয়ের সনদ

১২। বিবাহিত সনদ

১৩। অবিবাহিত সনদ

১৪। পুনঃবিবাহিত সনদ

১৫। বেকারত্ব সনদ

১৬। বিবিধ সনদ

Prottoyon Gov BD-অনলাইনে প্রত্যয়ন পত্র

ডিজিটাল প্রত্যায়নপত্র সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন

প্রশ্নঃ ডিজিটাল প্রত্যায়নের ওয়েবসাইট www.prottoyon.gov.bd এর উদ্দেশ্য কি?

উত্তরঃ সকল প্রকার সনদপত্র জনগণের মাঝে অনলাইনের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই সাইটটি তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারে ওয়েবপোর্টালের অংশ হিসাবে সরকারি সনদ সংক্রান্ত সেবা সমূহ প্রদানের লক্ষ নিয়ে চালু হয়।

প্রশ্নঃ এ ওয়েবসাইট থেকে কি ধরণের সেবা গ্রহণ করা যাবে?

উত্তরঃ এ ওয়েবসাইট থেকে সনদ সংক্রান্ত সেবা যেমন- চারিত্রিক সনদ, জাতীয়তা সনদ, মৃত্যু সনদ, বিবাহিত সনদ, বেকারত্ব সনদ ইত্যাদি গ্রহণের পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারে জনপ্রিয় সেবা সমূহের সব রকম তথ্য, সরকারি কাঠামোর মৌলিক তথ্য এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ওয়েব পোর্টাল এবং ওয়েব সাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও লিংক এই সাইট থেকে পাওয়া যাবে।

প্রশ্নঃ আমি কি এই সাইট থেকে সনদ সংক্রান্ত আবেদন ফরম পাব?

উত্তরঃ হ্যাঁ, আবেদনের অনেক ফরমই এই সাইটে পাবেন। যে কোন আবেদন করার জন্য আপনাকে প্রথমেই নিবন্ধন করতে হবে। তাহলে অনেক আবেদন ফরমই পেয়ে যাবেন।

প্রশ্নঃ এই সাইট থেকে সনদ উঠানোর জন্য টাকা লাগবে?

উত্তরঃ হ্যাঁ, এই সাইট থেকে আবেদন পত্র উঠানোর জন্য সরকার কর্তৃক/ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফি নেওয়া হতে পারে।

প্রশ্নঃ এই সাইট থেকে সনদপত্র সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য এবং সরকারি নোটিশ বা প্রজ্ঞাপন কিভাবে জানা যাবে?

উত্তরঃ সনদ সংক্রান্ত সর্বেশেষ তথ্য এবং সরকারি ঘোষনা বা প্রজ্ঞাপন খুব সহজেই এই সাইট থেকে জেনে নিতে পারবেন। এজন্য হোম (প্রধান) পেজে ডান পাশের নোটিশ বোর্ড দেখুন। প্রয়োজনীয় তথের লিংকে ক্লিক করলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম - Pattayan Patro PDF - প্রত্যয়নপত্র

Pattayan Patro PDF

প্রত্যয়ন পত্র প্রতিটি মানুষের জীবনে অত্যন্ত জরুরী একটি  বিষয়।  বিভিন্ন সময়ে আমাদের  প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রত্যয়ন পত্র কিভাবে লিখতে হয় তা আমাদের অনেকেরই অজানা। আজকে আমরা প্রত্যয়ন প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। 

বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারনে প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রত্যয়ন পত্র প্রচলিত হয়। কাজের ভিন্নতা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যয়ন পত্র রয়েছে।  আজকের সকল প্রকার প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে বিস্তারিত আলোচনা করব। এবং সকল প্রকার প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম পিডিএফ এবং ওয়ার্ড ফাইল প্রদান করার চেষ্টা করব। 

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম - কিভাবে লিখবো?

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যয়ন পত্র প্রচলিত রয়েছে।  সেগুলো হলো স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র,  কলেজের প্রত্যয়ন পত্র,  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র,  চাকরির প্রত্যয়ন পত্র,  কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র ইত্যাদি।  নিচে এই সকল প্রকার প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করা হলো।  যে সকল পাঠকদের প্রত্যয়ন পত্র লেখার প্রয়োজন তারা দয়া করে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। 

প্রত্যয়ন পত্র কি?

প্রত্যয়ন পত্র বলতে কোন একটি বিষয়ে অনাপত্তি সত্যায়ন করা বোঝায়। অর্থাৎ কোন একটি বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির আপত্তি নেই এমনটা বোঝানো হয়। আবার কোনো কোনো সময় নির্দিষ্ট বিষয়ে উক্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বোঝায়। 

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

একটি পত্রকে তখনই প্রত্যয়নপত্র বলা যাবে যখন তার মধ্যে নিম্নে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য থাকবে।  বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেয়া হল:

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

প্রত্যয়ন পত্র সর্বদা একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান,  ব্যক্তি বা সংগঠনের প্রচলিত প্যাডে  প্রিন্টেড অথবা লিখিত হতে হবে।

  • পত্রের শিরোনামে প্রত্যয়ন পত্র লিখাটি বিদ্যমান থাকতে হবে।
  • যে ব্যক্তির প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হবে তার নাম এবং পূর্ণ ঠিকানা পত্র উপস্থিত থাকবে। 
  • পত্রের মূল অংশ দুটি ভাগে বিভক্ত থাকবে যার মাধ্যমে পত্রের ভাব অর্থ প্রকাশিত হবে।
  • তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তির নাম এবং স্বাক্ষর থাকতে হবে
  • প্রত্যয়ন প্রদানকারী ব্যক্তি , সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান  সিল থাকতে হবে।

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম ইংরেজিতে

বাংলায় এবং ইংরেজিতে প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম একই।  শুধুমাত্র বাংলায় হলে বাংলা ভাষায় প্রত্যয়ন পত্র লিখতে হবে।  এবং ইংরেজিতে প্রত্যয়ন পত্র ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতে হবে।  এছাড়া প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম কানুন একই থাকে।  ইংরেজিতে প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম দেখতে হলে উপরের অংশটি ভালো ভাবে পড়ুন।

প্রত্যয়ন পত্রের নমুনা বা ফরমেট

প্রত্যয়ন পত্রের নমুনা বাক ফ্রম এ নিয়ে বর্ণনা করার তেমন কিছুই নেই।  বর্ণনা করে প্রত্যয়ন পত্রের নমুনা বোঝানো কঠিন।  নিম্নে একটি চিত্রের মাধ্যমে নমুনা বা  ফরমেট দেখানো হল।

প্রত্যয়ন পত্রের নমুনা বা ফরমেট

প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করার নিয়ম

কোন ব্যক্তি যখন কোন প্রতিষ্ঠান হতে প্রত্যয়ন পত্র নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে,  তখন তাকে উক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনে কোন বিষয়ে কি কারনে প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন তা উল্লেখ থাকতে হবে।  প্রয়োজনীয়তা অনুসারে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বা সংগঠন নির্দিষ্ট ব্যক্তি কে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করবে।

অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে বা সংগঠন রয়েছে যেখান থেকে প্রত্যয়ন পত্র নেওয়ার জন্য আবেদন করার প্রয়োজন পড়ে না।  শুধুমাত্র মৌখিক ভাবে আবেদন করে প্রত্যয়ন পত্র উত্তোলন করা যায়।  এ বিষয়টি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি বা সংগঠনের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে। নিম্নে স্কুল , কলেজ , এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করার নিয়ম আলোচনা করা হলো।

স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন

স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করার জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন পত্র প্রদান করতে হবে।  আবেদন পত্রে ব্যক্তির নাম রোল নাম্বার পাশের সন ঠিকানা পিতার নাম মাতার নাম ইত্যাদি তথ্য সংযুক্ত থাকতে হবে।

স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন

কলেজে প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন

কলেজে প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করার জন্য কলেজের প্রিন্সিপাল বরাবর আবেদন করতে হবে।  আবেদনপত্রে ছাত্র বা ছাত্রী নাম রোল পিতার নাম পাশের সন ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হবে। যারা প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম না জানার কারনে প্রত্যয়ন পত্র লিখতে পারছেন না। তারা দয়া করে আমাদের এই পোষ্টটি ভালভাবে পড়ুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করার জন্য উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট প্রধান বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।  আবেদনপত্র ছাত্র-ছাত্রীর নাম পিতার নাম ঠিকানা ডিপার্টমেন্ট ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ থাকতে হবে। যারা প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম না জানার কারনে প্রত্যয়ন পত্র লিখতে পারছেন না। তারা দয়া করে আমাদের এই পোষ্টটি ভালভাবে পড়ুন।

স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র

স্কুল থেকে ছাত্র বা ছাত্রীদের জন্য যে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয় তাকে স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র বলে। স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র সাধারনত স্কুল কর্তিক প্রদান করা হয়। এসএসসি পাশ করে কলেজে ভর্তি হবার সময় স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। এছাড়াও অনেক সময় এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে ভর্তি হতে হলে পূর্বের স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হয়।

স্কুলের প্রত্যয়ন পত্র

কলেজের প্রত্যয়ন পত্র

কলেজ থেকে ছাত্র বা ছাত্রীদের জন্য যে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয় তাকে কলেজের প্রত্যয়ন পত্র বলে। কলেজের প্রত্যয়ন পত্র সাধারনত কলেজ কর্তিক প্রদান করা হয়। এইস এস সি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার সময় কলেজের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। এছাড়াও অনেক সময় এক কলেজ থেকে অন্য কলেজে ভর্তি হতে হলে পূর্বের কলেজের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্র বা ছাত্রীদের জন্য যে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র বলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র সাধারনত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তিক প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী হিসেবে বিভন্ন সময় বিভিন্ন কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হয়  । এছাড়াও অনেক সময় চাকরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হয়।

কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র

কোম্পানি থেকে চাকুরিজিবী বা কর্মচারী দের জন্য যে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয় তাকে কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র বলে। কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র সাধারনত কোম্পানি কর্তিক প্রদান করা হয়। কোন কোম্পাণীর কর্মরত ব্যাক্তি তার পেশাগত সনদ হিসেবে কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র দেখাতে পারেন। কোন ব্যাক্তিকে তার পেশা প্রমানের জন্য কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। 

চাকরির প্রত্যয়ন পত্র

চাকরির বা কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র মূলত একই। কোম্পানি থেকে চাকুরিজিবী বা কর্মচারী দের জন্য যে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয় তাকে কোম্পানির বা চাকরির প্রত্যয়ন পত্র বলে। চাকরির  প্রত্যয়ন পত্র সাধারনত কোম্পানি কর্তিক প্রদান করা হয়। কোন কোম্পাণীর কর্মরত ব্যাক্তি তার পেশাগত সনদ হিসেবে চাকরির  প্রত্যয়ন পত্র দেখাতে পারেন। কোন ব্যক্তিকে তার পেশা প্রমাণের জন্য চাকরির প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রত্যয়ন পত্র

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রত্যয়ন পত্র

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যয়ন পত্র

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যয়ন পত্র