লোড হচ্ছে... | Loading...

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ২০২৩ E-Passport Online Application

E-Passport Online Application

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কিভাবে পাসপোর্ট ফি জমা দিবেন এবং ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করবেন সকল তথ্য।

এখানে আমি বলব, অনলাইনে ডিজিটাল পাসপোর্ট বা ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ ২০২৩ নিয়ে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই পাসপোর্ট চালু করেছে। ইতোমধ্যে প্রায় সকল জেলাতেই দেয়া হচ্ছে। দেখুন ই পাসপোর্ট কোন কোন জেলায় চালু হয়েছে।

আপনি নিজেই দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন যদি আপনার একটি ফোন বা কম্পিউটার থাকে। এখানে আমি অনলাইনে ই পাসপোর্ট ফরম (Bangladesh Passport Online Form) পূরন কিভাবে করবেন ও প্রয়োজনীয় সকল তথ্য আপনাদের জানাব। আশা করি আপনার সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে।

ই পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগবে

পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ ও ডেলিভারীর ধরণ অনুসারে ফি’র পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরণের পাসপোর্টের ফি’র পরিমান জানতে ক্লিক করুন- ই পাসপোর্ট ফি কত

ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

ই পাসপোর্ট আবেদনের জন্য খুব বেশি কাগজপত্রের দরকার হয় না এবং সত্যায়িত করানোর ও প্রয়োজন হয় না। ই পাসপোর্ট করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যা লাগে তা হল,

অনলাইনে আবেদনের সারসংক্ষেপ বা সামারী – Application Summery

আবেদনের কপি

জাতীয় পরিচয়পত্র/ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ

ঠিকানার প্রমাণপত্র/ ইউটিলিটি বিলের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকপি ও অরিজিনাল পাসপোর্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

পিতা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি (শিশুদের ক্ষেত্রে আবশ্যিক)

পেশাগত সনদের ফটোকপি বা চাকুরীর আইডি কার্ড (পেশাজীবির ক্ষেত্রে- যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, আইনজীবি)

নাগরিক সনদ/ চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২৩

ই পাসপোর্ট করার জন্য ভিজিট করুন www.epassport.gov.bd এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসারে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদনে ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ও পিতা-মাতার তথ্য সঠিকভাবে লিখুন। আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না এবং ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।

অবশ্যই জাতীয় ‍পরিচয়পত্র(NID) অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) সনদ অনুযায়ী, নাম, পিতা-মাতার নাম ও অন্যান্য তথ্য পূরণ করতে হবে।

পাসপোর্ট আবেদন ফরম অনলাইনে পূরণের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিদের্শনাবলী অনুসরণ করতে হবে। যদি কোন প্রকার ভুল করে থাকেন তার জন্য আপনাকে পরে ভোগান্তি পেতে হবে।

আবেদনের পূর্বে অবশ্যই ই পাসপোর্ট আবেদনের নিয়ম কানুন জেনে নিন। কিভাবে আপনি নিজেই আবেদন করবেন তা ধাপে ধাপে দেখানো হল।

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করার জন্য প্রথমে ভিজিট করুন- www.epassport.gov.bd । তারপর Apply Online মেন্যুতে ক্লিক করে, আঞ্চলিক অফিস ও থানা নির্বাচন করুন। এরপর ইমেইল ভেরিফিকেশন করে, আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য, ঠিকানা, পিতা-মাতার তথ্য ও জরুরী যোগাযোগের ঠিকানা পূরণ করুন। সবশেষে পাসপোর্টের ধরণ ডেলিভারীর ধরণ সিলেক্ট করে আবেদন সম্পন্ন করুন ও প্রিন্ট কপি নিন।

পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের আগে প্রথমে আপনার জেনে নিতে হবে আপনার জেলায় ই পাসপোর্ট সেবা প্রদান করছে কিনা। এখানে দেখে নিতে পারবেন আপনার জেলায় ই পাসপোর্ট সুবিধা রয়েছে কিনা। আঞ্চলিক ই পাসপোর্ট অফিসসমূহ।

ধাপ ১: আঞ্চলিক অফিস ও থানা নির্বাচন

ভিজিট করুন- E-passport application. আপনি নিচের মত একটি পেইজ দেখবেন।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২২

এখান থেকে আপনি ক্লিক করুন Directly to online Application তারপর নিচের পেইজ আসবে। এখানে আপনার জেলা ও পুলিশ থানার নাম সিলেক্ট করুন।

নতুন পাসপোর্ট করার নিয়ম

এবার আপনাকে আপনার ইমেইল ভেরিফিকেশন করতে হবে। এখানে আপনি যে ইমেইল এড্রেসটি লিখবেন সেটির পাসওয়াড যেন আপনার জানা থাকে। কারণ পাসওয়াড না জানলে আপনি সেটি ভেরিফাই করতে পারবেন না।

ইমেইলের পাসওয়াড মনে না থাকলে সেটি পরিবতন করে নিতে পারেন।

আপনার ইমেইল টি লিখুন ও নিচের রোবট ভেরিফিকেশন টিক দিয়ে Continue বাটন ক্লিক করুন।

ধাপ ২: ইমেইল ভেরিফিকেশন

এখন পাসপোর্ট ওয়েবসাইট থেকে আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক পাঠাবে। আপনাকে সেই লিংকে ক্লিক করে আপনার ইমেইলটি ভেরিফাই করতে হবে।

ধাপ ৩: ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ

ইমেইল ভেরিফিকেশনের পর, পুনরায় ওয়েবসাইটে লগইন করুন। এবার Apply for a New Passport বাটনে ক্লিক করুন। Passport Type হিসেবে সাধারণ পাসপোর্ট হলে Ordinary এবং সরকারি আদেশে বা NOC এর মাধ্যমে পাসপোর্ট Official সিলেক্ট করুন।

এখানে আপনার সকল ব্যক্তিগত তথ্য ইংরেজিতে সঠিকভাবে পূরণ করুন।

অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন ফরম

ইমেইল ভেরিফিকেশনের পর, পুনরায় ওয়েবসাইটে লগইন করুন Login

এখানে আপনার নাম, তথ্য ও জাতীয় পরিচয়পত্র বা নম্বর দিন এবং Save and Continue তে ক্লিক করুন।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন কোনটি প্রয়োজন?

উল্লেখ্য যে, যদি আপনার বয়স ১৮ বছরের কম হয়ে থাকলে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে আপনি অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন।

১৮-২০ বছরের মধ্যে বয়স হলে, আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধন (BRC) উভয়টির যে কোন একটি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

যদি আপনার বয়স ২০ বছরের বেশি হয়, আপনাকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর দিতে হবে। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মাট কার্ড না পেলে, জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারেন।

ID Documents: ID Documents ধাপে আপনার আগের পাসপোর্ট আছে কিনা, অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট আছে কিনা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধনের তথ্য দিতে হবে।

পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২২

আপনার পূর্বের কোন পাসপোর্ট থাকলে Yes দিন আর না থাকলে No, I don’t have any previous/ handwritten passport.

Address: আপনার Present Address ও Permanent Address সঠিকভাবে লিখুন। যদি বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই হয়, নিচের বক্সে টিক দিন।

Emergency Contact: জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য আপনার পরিবারের বাবা, ভাই বা অন্য কারো নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিন।

Passport Option: এবার আপনার পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা ও মেয়াদ Select করুন।

Delivery Option: Passport Delivery সাধারণ না জরুরী তা সিলেক্ট করুন। সাধারণ হলে Ordinary এবং জরুরী হলে Express সিলেক্ট করুন।

সবশেষে আপনার সব তথ্য পূনরায় যাচাই করে আবেদন জমা দিতে  Submit বাটনে ক্লিক করুন।

ই পাসপোর্ট ফি প্রদান ও আবেদন প্রিন্ট

আপনার আবেদন করা হলে প্রিন্ট করার জন্য আপনি ২টি পৃষ্ঠা পাবেন। 1) Application Summery, 2) Online Registration Form. এগুলো আপনি প্রিন্ট করে নিতে পারেন বা পিডিএফ ফাইল হিসেবে আপনার কম্পিউটারে সেইভ করতে পারেন।

Application summery টি ১ পৃষ্ঠা ও Online Registration form টি উভয় পৃষ্ঠায় প্রিন্ট করবেন।

আপনার ই পাসপোর্টের ফি বিকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেই কিভাবে প্রদান করবেন এখানে দেখুন ই পাসপোর্টের টাকা জমা দেওয়ার নিয়ম

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন বাতিল করার নিয়ম

অনলাইনে ই পাসপোর্টের আবেদন করা হলে, আপনি নিজে থেকে আবেদন বাতিল করার কোন সুযোগ নেই। আবেদন বাতিলের জন্য আপনি আপনার জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করতে পারেন।

তাছাড়া, আবেদনে কোন প্রকার ভুলের কারণে যদি আবেদন বাতিল করতে চান, তা বাতিল না করলেও পারেন। পাসপোর্ট অফিস থেকে এসব ভুল সংশোধন করে পাসপোর্ট আবেদন এনরোলমেন্টে দিতে পারবে। এজন্য আপনার ভুলের ব্যপারে অফিসে অবগত করুন।

ই পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন করার পর, আবেদনটি কোন পর্যায়ে আছে তা আপনি অনলাইন থেকেই চেক পারবেন। ই পাসপোর্টের বর্তমান স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন এখানে- ই পাসপোর্ট চেক।

কিভাবে ই পাসপোর্ট চেক করবেন এবং বিভিন্ন পাসপোর্ট স্ট্যাটাস এর অর্থ ও ব্যাখ্যা জানতে পড়ুন – পাসপোর্ট স্ট্যাটাস ডিটেলস

ই পাসপোর্ট রিনিউ করার নিয়ম- MRP to E Passport

যদি আপনার একটি এমআরপি পাসপোর্ট থাকে যার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, আপনি এটিকে রিনিউ করে ই পাসপোর্ট পেতে পারেন।

এজন্য রিনিউ করার কোন আবেদন করতে হবেনা, আপনাকে নতুনভাবে ই পাসপোর্টের আবেদন করতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে ID Documents অপশন থেকে শুধু মাত্র আপনার পূর্ববর্তী এমআরপি পাসপোর্টের তথ্য দিবেন।

এমআরপি থেকে ই পাসপোর্টে রিনিউ করার সুবিধা

MRP পাসপোর্ট থেকে ই পাসপোর্টে রিনিউ করার বড় সুবিধা হলো, তথ্য পরিবর্তন। অর্থাৎ আপনার পূর্ববর্তী পাসপোর্টে যদি কোন তথ্যের ভুল থাকে আপনি সহজেই বর্তমান জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে সঠিক তথ্য ই পাসপোর্টে অর্ন্তভুক্ত করতে পারবেন।

পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম ২০২৩ E-passport Correction

E-passport Correction

জানুন পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম এবং পাসপোর্ট সংশোধন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন নিয়ে। সংশোধন করতে কি কি লাগবে ও কিভাবে আবেদন করবেন বিস্তারিত জানুন।

সম্প্রতি ৩ নভেম্বর ২০২২ তারিখ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ পাসপোর্ট সংশোধন 2023 নোটিশ প্রকাশ করেছে। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে নতুন পাসপোর্ট প্রদান ও সংশোধনে কোন কোন নিয়ম মানা হবে তা স্পষ্ঠ করেছে।

যারা নতুন পাসপোর্ট করবেন বা পাসপোর্ট রিনিউ করবেন তাদের জন্য এ বিষয়ে জানা খুবই প্রয়োজন। তাই আমি আপনাদের জন্য বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য বর্তমান ও সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্রের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

পাসপোর্ট সংশোধন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন – ১৩ ডিসেম্বর ২০২২ (কার্যকর)

আসুন প্রথমেই জানি পাসপোর্ট সংশোধন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে কি বলা হয়েছে।

১) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের মধ্যে তথ্যের গরমিল হলে জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদত্ত তথ্য (নাম, পিতা-মাতার নাম, বয়স ইত্যাদি) অনুযায়ী পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে হবে। তবে, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ বিবেচনা করতে হবে; প্রয়োজনে জেএসসি/জেডিসি/ এসএসসি/ দাখিল/ কারিগরি/ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমানের যে কোন একটি সনদপত্র বিবেচনা করা যেতে পারে। সংশোধনের ক্ষেত্রে লিখিত আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট/ সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে প্রদর্শিত নমুনা অনুযায়ী আবেদনকারীকে একটি অঙ্গীকারনামা যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষরপূর্বক দাখিল করতে হবে।

২) সুরক্ষা সেবা বিভাগ হতে ২৮/০৪/২০২১, ৯/১২/২০২১ এবং ০৩/১১/২০২২ খ্রিস্টাব্দ তারিখে জারীকৃত এতদসংক্রান্ত পরিপত্রসমূহ বাতিল করা হলো।

৩) যথাযথ কতৃপক্ষে অনুমোদনক্রমে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

পরিপত্র (প্রকাশ-১৩ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিঃ), সুরক্ষা সেবা বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

পাসপোর্ট সংশোধন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন

পাসপোর্ট সংশোধন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন (প্রকাশ-১৩ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিঃ)

পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম

MRP হোক বা E passport হোক, পাসপোর্ট সংশোধন করার জন্য আপনাকে অনলাইনে ই পাসপোর্ট রিনিউ আবেদন করতে হবে। ই পাসপোর্ট আবেদনে সকল তথ্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID অনুসারে দিতে হবে। যেহেতু এটি সংশোধন বা রিনিউ আবেদন, ID Documents অপশন থেকে পুরাতন পাসপোর্টের তথ্য দিন এবং আবেদনটি সাবমিট করুন।

পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য প্রথমেই আপনার এনআইডি কার্ডে সঠিক তথ্য থাকতে হবে। তারপর নিচের ধাপগুলো অনুসারণ করুন:

সঠিক তথ্যের স্বপক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ- NID কপি অবশ্যই প্রয়োজন হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জন্ম নিবন্ধন, বিদেশে দূতাবাসে আবেদন করলে, Permanent Resident Card/ Job ID Card/ Student ID Card/ Driving License কপি সংগ্রহ করুন।

অনলাইনে আবেদন করুন।

এ চালানের মাধ্যমে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করুন

পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য লিখিত আবেদন করুন

অঙ্গীকার নামা তৈরি করুন – পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট অথবা পাসপোর্ট অফিসে প্রদর্শিত নমুনা অনুযায়ী পাসপোর্ট সংশোধনের অঙ্গীকারনামা যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করে আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। ডাউনলোড করুন- পাসপোর্ট সংশোধনের অঙ্গীকারনামা

সকল কাগজপত্রসহ আবেদনটি জমা দিন।

পাসপোর্ট সংশোধন করতে কি কি লাগে

পাসপোর্ট সংশোধন করতে প্রধানত প্রয়োজন হবে:


জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র

যাদের সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন

বিদেশে দূতাবাসে আবেদন করা হলে Permanent Resident Card/Job ID Card/Student ID Card/Driving License

লিখিত আবেদন ও অঙ্গীকারনামা

পুরাতন পাসপোর্টের কপি ও পাসপোর্ট

পাসপোর্ট সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়ােজনে স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও অন্যান্য গােয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত তথ্য যাচাই করা হতে পারে।

পাসপোর্ট সংশোধন জন্ম তারিখ

পাসপোর্টে জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত বিবেচনা করা যাবে। তবে সংশোধনের স্বপক্ষে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র/ জেএসসি/ জেডিসি/ এসএসসি/ এইচএসসি/ দাখিল /কারিগরি/ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমান-এর সনদপত্র দেখাতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং যাদের সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন দেয়া যাবে।

পাসপোর্টে নাম সংশোধন

পাসপোর্টে নিজ নাম ও পিতা, মাতার নাম সংশোধন করা যাবে। পাসপোর্টে নাম সংশোধন করার জন্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র দেখাতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও যাদের সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন দেয়া যাবে।

পাসপোর্ট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

পাসপোর্ট সংশোধন করতে নতুন পাসপোর্ট ফি (ভ্যাট সহ) ৪,০২৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০,৩৫০ টাকা লাগে। সংশোধনের জন্য আলাদা কোন ফি নাই। শুধুমাত্র পাসপোর্ট ফি প্রদান করতে হয়।


FAQs

পাসপোর্টের জন্ম তারিখ সংশোধন করা যাবে কি?

হ্যা, পাসপোর্টের জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী সংশোধন করা যাবে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ অনুসারে জন্ম তারিখ সংশোধন করা যাবে।

ই পাসপোর্ট কি সংশোধন করা যায়?

হ্যা, এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্ট সংশোধন করা যাবে।

কিভাবে পাসপোর্ট সংশোধন করব?

পাসপোর্ট সংশোধন করার জন্য অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডে সঠিক তথ্য থাকতে হবে। তারপর সঠিক তথ্য দিয়ে অনলাইনে ই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবেন। ফি পরিশোধ করার পর, আবেদনপত্র, তথ্য সংশোধনের হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিন।

ই-পাসপোর্ট ফিস E-Passport Fee

E-Passport Fee

জানুন বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশ ই পাসপোর্ট ফি কত এবং পাসপোর্ট ফি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর।

পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে

ই পাসপোর্ট করতে সর্বনিম্ন ৪০২৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৩,৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তাছাড়া নিজে অনলাইনে আবেদন করতে না পারলে কোন অনলাইন সেবার দোকানে করালে বাড়তি ২০০ টাকা খরচ হতে পারে। এই খরচ ব্যতীত পাসপোর্ট অফিসে কোন অতিরিক্ত ফি নেই।

পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা ও ডেলিভারীর ধরণ সাধারণ বা জরুরী অনুসারে ফি ভিন্ন হয়। নিচে দেখুন ই পাসপোর্ট ফি কত।

ই-পাসপোর্ট ফি কত

ডেলিভারী48 Pages48 Pages64 Pages64 Pages
5 Years10 Years5 Years10 Years
রেগুলার৪,০২৫ টাঃ৫,৭৫০ টাঃ৬,৩২৫ টা৮,০৫০ টা
এক্সপ্রেস৬,৩২৫ টাঃ৮,০৫০ টাঃ৮,৬২৫ টা১০,৩৫০ টা
সুপার এক্সপ্রেস৮,৬২৫ টাঃ১০,৩৫০ টাঃ১২,০৭৫ টা১৩,৮০০ টা