লোড হচ্ছে... | Loading...

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার আবেদন পদ্ধতি New NID Application in Bangladesh

New NID Application in Bangladesh

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম কি? নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য কি কি উপায়ে আবেদন করা যায় এবং নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দিতে হয় সে বিষয়ে অনেকের সুস্পষ্ট ধারণা নেই। তাই নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার ক্ষেত্রে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ে থাকেন। বর্তমান সময়ে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করা বা নতুন ভোটার হওয়া খুবই সহজ। আপনারা চাইলে খুব সহজে অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার আবেদন করে খুব দ্রুতই ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। নতুন ভোটারের জন্য আবেদন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবো এই পোষ্টের মাধ্যমে। 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার আবেদন দুই ভাবে করা যায়।

প্রথমত, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন ফরম ২ সংগ্রহ করে তা পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে পিন করে অফিসে জমা দিলে নতুন ভোটার হওয়া যায়। তবে তার জন্য আগে অফিসে যেতে হবে ফরম সংগ্রহ করতে হবে তারপর ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে তারপর কাগজপত্র সমেত আবার অফিসে জমা দিয়ে আসতে হবে। 

মনে রাখবেন নতুন ভোটার আবেদন ফরম অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা যায় না। নতুন ভোটার আবেদন ফরম এর উপর একটি করে ইউনিক নম্বর থাকে বিধায় অনলাইন থেকে ডাউনলোড করলে তা ডুপ্লিকেট হয়ে যায়। ফলে পরবর্তীতে নানা ধরণের বিপদে পড়তে হয়। সুতরাং অফিসে আবেদন করে ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইন থেকে নতুন ভোটার আবেদন ফরম ডাউনলোড কখনোই করবেন না

দ্বিতীয়ত, অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করা যায়। ঘরে বসে নিজেই নিজের আবেদন অনলাইনে দাখিল করে কাগজপত্র সমেত অফিসে জমা দিলে অফিসে বার বার যাওয়া-আসার সময় ও কষ্ট উভয়ই লাঘব হয়। অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম খুবই সহজ। তাই অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন কিভাবে দাখিল করতে হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করবো। 

অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন:-

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ভিজিট করতে হবে services.nidw.gov.bd। এই ঠিকানায় ভিজিট করলে নিচের ছবির মত একটি ওয়েব সাইট আসবে। 


নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করতে হবে। পেজটি লোড হয়ে নিচের ছবির মত একটি ফরম আসবে। 


এই ফরমে প্রথমে আবেদনকারীর নাম ইংরেজিতে লিখতে হবে। তারপর আবেদনকারীর জন্ম তারিখ লিখতে হবে। তারপরের ঘরে ক্যাপচা লিখতে হবে। ক্যাপচাটি যেমন দেখা যাবে হুবহু তাইল লিখতে হবে, ভুল হলে হবে না। তারপর বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পেজটি লোড হয়ে নিচের ছবির মত একটি পেজ আসবে। 


এই পেজে আবেদনকারীর সঠিক মোবাইল নম্বর লিখতে হবে এবং বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে মোবাইলে ৬ সংখ্যার একটি কোড আসবে।


মোবাইলে প্রাপ্ত ৬ সখ্যার যাচইকরণ কোটটি লিখে বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পেজটি লোড হয়ে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড সেট করার অপশনে নিয়ে যাবে। যেমনটি নিচের ছবিতে দেখতে পারছেন। 


এখনে একটি ইউজার নেম দিতে হবে। যদি না দিতে চান ক্ষতি নেই তবে দেয়া ভালো। তারপরের ঘরে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে এবং তারপরে ঘরে পুনরায় একই পাসওয়র্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ডটি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে পরবর্তীতে একাউন্টে লগইন করতে হলে এই পাসওয়ার্ডটি প্রয়োজন হবে। তারপর বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই একাউন্ট তৈরী হয়ে  যাবে এবং নিচের ছবির মত প্রোফাইটি দেখা যাবে। 


নতুন ভোটার আবেদন করার জন্য এখান থেকে প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করলে ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য এবং ঠিকানা এই তিন প্রকার তথ্য প্রদান করার জন্য বলা হবে। ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য ও ঠিকানা আপডেট করার জন্য এডিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। 


এডিট বাটনে ক্লিক করলে অনেক বড় একটি ফরম ওপেন হবে। তারমধ্যে উপরের ছবিতে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি দেখতে পারছেন। অনুরুপভাবে আপনাকেও এই ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর ইংরেজি নাম, জন্ম তারিখ ও জাতীয়তা সিলেক্ট করাই থাকবে। শুধু বাংলা নাম লিঙ্গ, রক্তের গ্রুপ, জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্মস্থান সিলেক্ট করবেন। 


একই ফরমের ব্যক্তিগত তথ্যের নিচে পিতা, মাতা ও বড় ভাইয়ের তথ্য সিলেক্ট করতে হবে। পিতা যদি মৃত হন তাহলে মৃত টিক চিহ্ন দিতে হবে এবং মৃত্যুর সাল লিখে দিতে হবে। তারপর পিতার নাম বাংলায় ও ইংরেজি লিখতে হবে। পিতার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নম্বর একটি লিখলেই হয়। 

অনুরুপভাবে মাতার তথ্যাদির ক্ষেত্রেও মৃত হলে টিক চিহ্ন দেবেন এবং মৃত্যু সাল লিখে দেবেন অথবা মৃত না হলে টিক চিহ্ন দেয়া লাগবে না। তারপর মাতার বাংলা নাম, ইংরেজি নাম এবং এনআইডি নম্বর অথবা ভোটার নম্বর লিখে দেবেন।

বড় ভাই/বোনের তথ্যের স্থানে আবেদনকারীর বড় ভাই অথবা বোনের নাম ও এনআইডি নম্বর লিখে দেবেন। যদি আবেদনকারীর বড় ভাই/বোন না থাকে তাহলে লেখার দরকার নেই। 


ব্যক্তিগত তথ্যাদি ফরমের নিচের দিকে আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রীর তথ্য দিতে হবে। আবেদনকারী যদি বিবাহিত হন তাহলে বৈবাহিক অবস্থা বিবাহিত সিলেক্ট করতে হবে এবং স্বামী/স্ত্রীর নাম, এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। আবেদনকারীর যদি একাধিক স্বামী/স্ত্রী থাকে তাহলে পর্যায়ক্রমে সকলের নাম ও এনআইডি নম্বর উল্লেখ করতে হবে। যদি আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রী মৃত হয় তাহলে মৃত্যুর সাল উল্লেখ করতে হবে। 

ব্যক্তিগত তথ্যাদি পূরণ করা হয়ে গেলে অন্যান্য তথ্য পূরণ করতে হবে।


অন্যান্য তথ্যের মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, অসমর্থতা, সনাক্তকরণ চিহ্ন, টিন নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, ধর্ম টেলিফোন নম্বর ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হয়। আবেদনকারী তার তথ্য অনুযায়ী ফরমটি পূরণ করবেন। তবে যদি কোন অসমর্থতা আবেদনকারীর না থাকে, তাহলে এই ফিল্ড পূরণ করা যাবে না। ভুল করেও যদি কোন অসমর্থতা উল্লেখ হয়ে যায় তাহলে পরবর্তীতে ভোগান্তির শেষ থাকবে না। 

অন্যান্য তথ্য পূরণ করা হয়ে গেলে ঠিকানা পূরণ করতে হবে।  


প্রথমে অবস্থানরত দেশের নাম সিলেক্ট করতে হবে। তারপর বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা সিলেক্ট করে দিতে হবে। আবেদনকারীর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যদি আলাদা হয় সেক্ষেত্রে আলাদা সিলেক্ট করতে হবে। তারপর ভোটার এরিয়া সিলেক্ট করতে হবে। ভোটার এরিয়া হচ্ছে যে এলাকা/গ্রাম/মহল্লার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে ইচ্ছু সেই এলাকার নাম সিলেক্ট করতে হবে। ভুল হলে ভুল তালিকায় নাম চলে যাবে। 

ঠিকানার ফিল্ড পূরণ করা হয়ে গেলে উপরে ডান পাশে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করতে হবে। 

 

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর কাগজপত্র আপলোড করার অপশন আসবে। কিন্ত এখানে কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই বলছে। তার মানে এই নয় যে, নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে কাগজপত্র লাগবে না। অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে তবে আবেদন অফিসে জমা দেয়ার সময়। এখান থেকে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করতে হবে। 


নিশ্চিত করুন অপশনে আসার পর সাবমিট করতে হবে। সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে পেজটি লোড হয়ে প্রোফাইল অপশনে নিয়ে যাবে এবং ডাউনলোড বাটন দেখা যাবে। ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড হবে। ফরমটি প্রিন্ট করে নিতে হবে। ফরম প্রিন্ট করার পর কিছু জরুরী কাজ আছে যা অবশ্যই করতে হবে। 


কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়া ভোটার আইডি কার্ড এর জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই ফরমের অপর পাতায় আবেদনকারীর স্বাক্ষর/টিপসহি দিতে হবে। ৩৪ ও ৩৫ নং ক্রমিকে চেনা জানা বা প্রতিবেশি একজন ভোটারের এনআই্ডি নম্বর ও তার স্বাক্ষর নিতে হবে (বাধ্যতামূলক)। 

৪০, ৪১ ও ৪২ নং ক্রমিকে এলাকার জনপ্রতিনিধী যেমন, চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র অথবা ওয়ার্ড মেম্বর/ওয়ার্ড কাউন্সিলর/মহিলা মেম্বর ইত্যাদি এদের যেকোন একজন এর নাম, এনআইডি নম্বর এবং স্বাক্ষর নিতে হবে এবং অব্যশ্যই তাদের স্বাক্ষরের নিচে সীল ব্যবহার করতে হবে (বাধ্যতামূলক)। 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ

অনেকেরই প্রশ্ন যে, নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে? একজন নতুন ব্যক্তির নতুন ভোটার হতে হলে বেশ কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয়। নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমে ভোটারে যে সকল তথ্য লেখা হয় সেই তথ্যের স্বপক্ষে কাগজপত্র জমা দিতে হয়। নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে সে বিষয়ে নিম্নে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হলো।

❖❖ জন্ম নিবন্ধন সনদ: আবেদনকারীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (বাধ্যতামূলক)।

❖❖ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান সনদ। প্রয়োজনে এসএসসি সনদের সাথে সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদটি জমা দিতে পারেন। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জমা দেয়ার প্রয়োজন নেই।

 ❖❖ পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি: আবেদনকারীর পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। যদি পিতা-মাতা বেচে না থাকে তাহলে তাদের মৃত্যু সনদ জমা দিতে হবে।

❖❖ বৈবাহিক সনদ ও NID কার্ডের কপি: আবেদনকারী বিবাহিত হলে আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের কপি এবং কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

❖❖ রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট: আবেদনকারীর রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট আবেদনের সাথে জমা দিতে হয়।। এটি বাধ্যতামূলক না তবে জমা দিতে পারলে ভালো।

❖❖ প্রতয়নপত্র: চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/ওয়ার্ড মেম্বর/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র।

❖❖ নাগারিক সনদ: আবেদনকারীর নাগরিকত্বের সনদ (বাধ্যতামূলক)।

❖❖ ইউটিলিটি বিলের কপি: বিদ্যুৎ বিল/পানি বিল/গ্যাস বিলের কপি (বাধ্যতামূলক)। বাড়ীর যেকোন একজন সদস্যের নামে হলেই হবে।

❖❖ ট্যাক্স রশিদ: চৌকিদারী ট্যাক্স রশিদ/পৌর করের রশিদ/বাড়ী ভাড়ার রশিদ (বাধ্যতামূলক)। বাড়ীর যেকোন একজন সদস্যের নামে হলেই হবে।

❖❖ অঙ্গীকারনামা: পূর্বে ভোটার হইনি মর্মে অঙ্গীকারনামা। যাদের বয়স অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক।

❖❖ পাসপোর্ট: আবেদনকারী যদি পাসপোর্টধারী বা প্রবাসী হয়ে থাকেন তাহলে পাসপোর্টের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। (যদি থাকে)।

❖❖ ড্রাইভিং লাইসন্স: আবেদনকারীর যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকে তাহলে তার একটি কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। (যদি থাকে)। 

নতুন ভোটার হতে যা যা লাগবে সেগুলো উল্লেখ করা হলো। উল্লেখিত কাগজপত্রের মধ্যে যে কাগজগুলো আপনার আছে সেগুলো  নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম ২ এর সাথে পিন-আপ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী কাগজপত্র দাখিল করা যেতে পারে। আশা করি নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ বোঝাতে পেরেছি।

অফিস থেকে ছবি, স্বাক্ষর, হাতের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করে নেয়ার পর আপনাকে নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম ২ এর নিচের অংশ কেটে দেবে। আপনি নতুন ভোটার নিবন্ধন স্লিপটি নিয়ে বাড়িতে চলে আসবেন এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার মোবাইল নম্বর এসএমএস এর মাধ্যমে ১০ সংখ্যার স্মার্ট এনআইডি নম্বর পাঠানো হবে। এনআইডি নম্বর হাতে পাওয়ার পর অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা যাবে। ভোটার আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করার পর প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।  

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

যদিও Nid BD এর ওয়েবসাইট থেকে নতুন ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা Nid Card Download করার উপায় খুবই সহজ। তবুও অনেকেই Online Nid Card Download করার সঠিক উপায় জানেন না। ফলে তারা নানা ভাবে ভোগান্তিতে পড়েন। Nid card Download করতে খুব বেশি অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আপনি সম্পূর্ণ লেখাটি পড়লে নিজেই Nid BD ওয়েবসাইট থেকে আপনার National Id Card Download করে নিতে পারবেন।

New Nid Card Download করার উপায় 

Online Nid Card Download করার উপায় একটাই। Nid BD এর ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd এ লগইন করে Nid Card ডাউনলোড করতে হয়। তাছাড়া দ্বিতীয় কোন সাইট থেকে Online Nid Card ডাউনলোড করা যায় না। আজ আমরা Nid BD সাইট থেকে Nid Card ডাউনলোড করার প্রোসেস কি তা দেখবো। তবে Nid BD সাইট থেকে New Nid Download করার জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলো প্রয়োজন হবে।

Nid Card Download করতে যা যা লাগবে 

Online Nid Card Download করতে হলে নিচে উল্লেখিত বিষয়গুলো জরুরী। অন্যথা এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করা যাবে না।  

  • ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর
  • জন্ম তারিখ
  • বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা (বিভাগ, জেলা, উপজেলা)
  • একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার
  • সচল মোবাইল নম্বর (ওটিপি ভেরিফিকেশনের জন্য)
  • অন্য একটি এন্ড্রয়েড স্মার্ট ফোন (ফেইস ভেরিফিকেশনের জন্য)

National Id Card Download করার নিয়ম - Bangladesh National ID Card Check Online 

Nid card check in Bangladesh is really so easy, চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে। অনলাইন থেকে আপনার Nid Card সংগ্রহ করতে বা National Id Card Download করতে হলে আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। এবার আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটার থেকে একটি ব্রাউজার (গুগল ক্রোম / ফায়ারফক্স) ওপেন করবেন এবং এড্রেস বারে লিখবেন services.nidw.gov.bd এবং এন্টার বাটন প্রেস করবেন। দেখবেন নিচের ছবির মতো একটি ওয়েবসাইট ওপেন হয়েছে। এই সাইটটি Nid BD এর ওয়েবসাইট, যা নাগরিকদের Nid Service দিয়ে থাকে।

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

আগেই বলে দেই সর্বদা Nid check BD Election Commission এর সাইট থেকেই করা উচিত। অন্যান্য আরো কিছু উপায়ে Nid Card Check করা গেলেও সেখানে Nid Card এর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না। সুতরাং Nid Card Check করার জন্য বা Nid Card Download করার জন্য Bangladesh Election Commission এর সাইট ব্যবহার করা উচিত। 

অনলাইন থেকে Nid Card Download করতে হলে প্রথমে Nid BD সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। Nid Card check বা Nid Download করার জন্য একটি Nid Account তৈরী করতেই হবে। সুতরাং রেজিস্ট্রেশন করার জন্য রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন। 

রেজিস্ট্রার করুন বাটনে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত একটি ফরম আসবে। ফরমটি পূরণ করার সময় ১০/১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর অথবা ভোটার নিবন্ধন স্লিপে থাকা ফরম নম্বর লিখতে হবে। তার পরের ঘরে জন্ম তারিখ লিখতে হবে। তার পরের ঘরে ক্যাপচা লিখতে হবে এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে পেজটি লোড হয়ে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচনের পেজে নিয়ে যাবে। এখানে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা সিলেক্ট করতে হবে। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই না হয়ে যদি ভিন্ন হয় তাহলে তা সঠিকভাবে সিলেক্ট করতে হবে। ভুল ঠিকানা দিলে একাউন্ট লক হয়ে যেতে পারে। Nid Account Locked হলে Unlock করার উপায়টা বেশ সময় সাপেক্ষ হতে পারে।

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম
নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত পর্যায়ক্রমে মোবাইল নং ভেরিফিকেশন করার জন্য বলবে। 

১ নং ছবিতে মোবাইল পরিবর্তন বাটনে ক্লিক করলে ২ নং ছবির মতো পেজ আসবে সেখানে মোবাইল নম্বর দিয়ে বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করলে ৩ নং ছবির মতো পেজ আসবে এবং আপনার মোবাইল নম্বর ৬ সংখ্যার একটি যাচাইকরণ কোড পাঠানো হবে। সেই কোডটি এখানে টাইপ করে বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে নিচের মতো একটি পেজ আসেব।

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

এখন পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য আপনার মোবাইলে NID Wallet নামের একটি অ্যাপ ইনিস্টল করা থাকতে হবে। যদি NID Wallet App আপনার মোবাইলে না থাকে তাহলে Play Store এ গিয়ে NID Wallet লিখে সার্স করলে App টি পেয়ে যাবেন। Nid Account তৈরী করে National Id Card Download করার জন্য Nid Wallet এর কোন বিকল্প নেই।

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম

NID Wallet App টি Install হওয়ার পর ওপেন করবেন। আপনার ক্ষেত্রে উপরের ছবিতে যে QR Code টি দেখা যাবে সেটি স্ক্যান করবেন। তারপর নিচের ছবির মত ফেস ভেরিফাই করার জন্য বলবে।  

Start Face Scan অপশনে ক্লিক করবেন। তারপর দেখবেন আপনার মোবাইলের ফন্ট ক্যামেরা ওপেন হবে। প্রথমে সোজাভাবে তাকাবেন Face Scan হলে মুখ বামে একবার ঘোরাবেন তারপর মুখ ডানে ঘোরাবেন। এভাবে তিন বার ফেস স্ক্যান করা লাগবে। ফেস স্ক্যান সঠিকভাবে হলে ২ নং নমুনা ছবির মত ফেস এর উপর টিক চিহ্ন দেখাবে। NID Wallet এর কাজ এ পর্যন্তই। 

এর পর দেখবেন ব্রাউজার রিফ্রেস হয়ে নিচের ছবির মতো আপনার ছবি দেখা যাবে এবং পাসওয়ার্ড সেটআপ করার জন্য বলবে। আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টটি সিকিউর করতে পারেন অথবা এড়িয়ে যেতে পারেন। তবে পাওয়ার্ডটি সেট-আপ করলে অবশ্যই পাওয়ার্ডটি সংরক্ষণ করবেন।

পাসওয়ার্ড সেটআপ করার জন্য সেট পাসওয়ার্ড বাটনে ক্লিক করবেন। এখানে প্রথমে একটি ইউজারনেম দেয়ার জন্য বলবে, আপনি চাইলে এখানে আপনার ইউজার নেম দিতে পারেন, না দিতে চাইলে ক্ষতি নেই। তারপর একটি পাসওয়ার্ড টাইপ করে পরের ঘরে সেটি পুনারয় লিখবেন। তারপর আপডেট বাটনে ক্লিক করবেন। 

তাহলেই তৈরী হয়ে যাবে আপনার Nid একাউন্ট এবং নিচের ছবির মত আপনার সামনে দেখা যাবে। এখন মাত্র এক ক্লিকেই আপনার National Id Card Download করতে পারবেন। (পরবর্তীতের একাউন্টে লগইন করার জন্য অবশ্যই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করবেন)।

এখান থেকে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে আপনার Nid Card Download / ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড হবে। যা দেখতে নিচের ছবির মত দেখাবে। অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা এই Nid Card কে Online Nid Card বলা হয়ে থাকে।(Image: নতুন ভোটারদের Online nid card)

Online Nid Card টি পিডিএফ ফাইল ফরমেটে থাকবে। এই পিডিএফ ফাইলটি নিকটস্থ কোন দোকান/প্রতিষ্ঠান থেকে কালার (রঙ্গিন) প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিতে হবে। আপনি নতুন ভোটার বিধায় আপনার জন্য ফ্রি তে নির্বাচন কমিশন এই Online Nid Card টি দিবে। আপনি বার বার এই Nid Card / ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে চাইলে বার বার ডাউনলোড নাও হতে পারে। তাই পিডিএফ ফাইলটা সংরক্ষণ করুন। দ্বিতীয়বার ডাউনলোড করতে হলে ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের ফি জমা দিয়ে ডাউনলোড করতে হতে পারে।

যারা পুরাতন ভোটার তারাও এই একই পদ্ধিতে মূল জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বা Online Nid Card সংগ্রহ করতে পারবেন তাবে বিকাশ/রকেট অ্যাপ এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। তারপর রিইস্যু অপশনে গিয়ে আবেদন দাখিল করতে হবে। এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আপনার আবেদনটি অনুমোদন করলেই অনলাইন থেকে Nid Card Download বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

নতুন ভোটারদের Online Nid Card Download বা ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার উপায় সম্পর্কে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করে জানাবেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ...। 

Nid Card Download FAQ:

১। How to Download Nid Card? কিভাবে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করবেন?

এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার সুযোগ কেবলমাত্র নতুন ভোটারদের ক্ষেত্রে দেয়া হয়েছে। আপনি যদি নতুন ভোটার হয়ে থাকেন তাহলে services.nidw.gov.bd সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে Nid Card Download করতে পারবেন। উপরের পোষ্টটি সম্পূর্ণ পড়লে Nid Card Download করার পুরো প্রোসেসটা জানতে পারবেন।

২। How to get nid card? কিভাবে Nid Card পাবেন?

Nid Card পেতে হলে আগে ভোটার হতে হবে। ভোটার হওয়ার জন্য আপনার জন্ম তারিখ ০১/০১/২০০৭ সাল বা তার আগে জন্ম হতে হবে। কেবলমাত্র নতুন ভোটার হওয়ার পরই Nid Card পেতে পারেন। 

৩। How to check nid card? কিভাবে nid কার্ড চেক করবেন?

নতুন ভোটার হওয়ার পর মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে Nid Number প্রেরণ করা হয়। এনআইডি নম্বর পাওয়ার পর services.nidw.gov.bd সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে এনআইডি কার্ডের অনুলিপি ডাউনলোড করে Nid Card Check করতে পারবেন। অথবা সংশ্লিষ্ঠ উপজেলা নির্বাচন অফিসে Nid Card আসার পর সেটি গ্রহণ করতে এবং বিস্তারিত চেক করতে পারবেন।  

৪। Nid Card কিভাবে বের করবো?

অনলাইন থেকে কেবলমাত্র একটি উপায়েই Nid Card বের করা যায় এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছ এই পোষ্টে। বিস্তারিত পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন। অথবা Nid Card আসার পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংগ্রহ করতে পারবেন।

৫। How do I download old NID? আমি কিভাবে পুরানো NID ডাউনলোড করব? 

পুরানো ভোটারদের ফ্রিতে অনলাইন থেকে Nid Download করার কোন সুযোগ নেই। পুরানো ভোটারদের এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য services.nidw.gov.bd সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে Nid Reissue অপশনে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন অনুমোদন হওয়ার সাথে সাথে মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। অনুমোদনের ম্যাসেজ আসার সাথে সাথে অনলাইনে লগইন করে Nid Card Download করা যায়। কিন্ত যদি দেরি করে ফেলেন তাহলে আর ডাউনলোড নাও হতে পারে। অর্থাৎ অফিস থেকে Nid রিইস্যুর আবেদন অনুমোদন করে কার্ডগুলো প্রিন্ট করে ফেললে অনলাইন থেকে আর ডাউনলোড হয় না।

অনলাইন থেকে ডাউনলোড করলে কিংবা অফিস থেকে রিইস্যুর আবেদন করা কার্ড সংগ্রহ করলে সেটি পেপার লেমিনেটেড এনআইডি কার্ড অর্থাৎ পুরাতন এনআইডি কার্ড হয়।

৬। How Can I Get My Nid Card from Online? আমি কিভাবে অনলাইন থেকে আমার Nid Card পেতে পারি?

নতুন ভোটার হওয়ার পর শুধুমাত্র বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd এ রেজিস্ট্রেশন করে Nid Card পাওয়া যায়। এই নিয়ম কেবলমাত্র নতুন ভোটারদের জন্য পুরাতন ভোটারদের জন্য নয়। 

৭। How to see nid card? এনআইডি কার্ড কিভাবে দেখবেন?

Nid Card দেখতে হলে আগে এনআইডি কার্ড পেতে হবে। এনআইডি কার্ড পাওয়ার জন্য আগে ভোটার হতে হবে। ভোটার হওয়ার পর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন তারপর এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করে দেখুন। অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে Nid Card আসার পর সেটি সংগ্রহ করুন তারপর দেখুন।

৮। How to See Nid Card Online? কিভাবে অনলাইনে এনআইডি কার্ড দেখতে পাবেন?

নতুন ভোটার হওয়ার পর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলে Download অপশন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করলে Nid Card দেখতে পারবেন।

৯। How to Get Nid Card Using Slip Number? স্লিপ নম্বর ব্যবহার করে কিভাবে এনআইডি কার্ড পাবেন?

নতুন ভোটার করার পর ডাটা সেন্ট্রাল সার্ভারে প্রেরণ করা হয় এবং সেখানে কিছু কাজ চলমান থাকে। কাজ শেষ হলে মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে এনআইডি নম্বর প্রেরণ করা হয়। যদি এনআইডি নম্বর হারিয়ে ফেলন তাহলে Slip Number দিয়ে Nid Card Download করতে পারবেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার সময় প্রথম ধাপেই এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ দেয়ার প্রয়োজন হয়। আপনি এনআইডি নম্বর এর স্থলে Voter Slip Number দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে Nid Card ডাউনলোড করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় - অনলাইনে এনআইডি রিইস্যু Lost NID Card, NID Card Reissue

Lost NID Card, NID Card Reissue

আমাদের অনেকেরই ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেছে এবং প্রতিনিয়ত কারো না কারো ভোটার আইডি কার্ড হারাচ্ছে। ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় এই ভেবে যে, হারানো আইডি কার্ড বের করার নিয়ম কি ! যদিও হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড পাওয়ার উপায় খুব সহজ। তবুও অনেকেই আছে ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে বের করার নিয়ম কি তা ভালো বোঝে না। অনেকেই পরামর্শ দেয় ওমুক দোকানে যা হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে দেবে। দেকানদার তার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ টাকা নিয়ে কাজটি করে দেয়।

কিন্ত এই একই কাজ আপনি খুব সহজেই নিজে নিজে করতে পারেন আপনার হাতের মোবাইল কিংবা কম্পিউটার ব্যবাহর করে। ভোটার আইডি কার্ড হারিয়েছে ভালো কথা, হারাতেই পারে। ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কি করতে হবে বা ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় কি সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করবো। খুব সহজেই একজন ব্যক্তি তার হারানো ভোটার আইডি কার্ড তুলতে পারবে যদি সে এই পরামর্শ অনুসরণ করে। 

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে প্রথম কাজ:-  

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে প্রথম কাজ হবে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করা। জিডিতে অবশ্যই এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর উল্লেখ থাকতে হবে। যদি আপনার কাছে এনআইডি কার্ডের নম্বর বা কপি না থাকে তাহলে যার ভোটার আইডি কার্ড হারিয়েছে তার ভোটার নম্বর উল্লেখ করা যাবে। ১২ সংখ্যার এই ভোটার নম্বর ভোটার তালিকা থেকে সংগ্রহ করা যাবে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বর/কাউন্সিলরের কাছে অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোটার তালিকা আছে। 

NID GD Format জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম

তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন)

বরাবর,

অফিসার ইনচার্জ

থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন)

উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন)

বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন।

যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নাম (বয়স), পিতা/স্বামীঃ (পিতা বা স্বামীর নাম লিখুন) গ্রামঃ (গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘরঃ (আপনার ডাকঘরের নাম লিখুন), উপজেলাঃ (আপনার উপজেলার নাম লিখুন) জেলাঃ (জেলার নাম লিখুন)। আমি থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত (হারানোর তারিখ লিখুন) তারিখে আমার নিজ বাড়ি বা (যেকোন একটি স্থানের নাম লিখুন) আসার পথে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডটি হারিয়ে ফেলি। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নম্বর- (আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখুন) সম্ভাব্য অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন।

অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।

নিবেদক

এখানে আপনার স্বাক্ষর

(এখানে আপনার নাম)

মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন)

ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন)

হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের অনলাইন আবেদন Lost NID Card Application Online

জাতীয় পরিচয়পত্র রিইস্যুর জন্য নিকটস্থ থানায় করা জিডি (সাধারণ ডায়েরী) কপি সংযুক্ত করে রিইস্যু আবেদন করতে হবে। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

ধাপ ১ঃ জিডির আবেদন করুন

আপনার নিকটস্থ থানায় একটি লিখিত জিডির আবেদন জমা দিতে হবে। এছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে জিডির আবেদন করতে পারবেন।

যথাযথভাবে জিডি গ্রহণ হলে, জিডি গ্রহণকারী পুলিশ অফিসারের নাম ও তার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে রাখুন। পরবর্তীতে অনলাইনে রিইস্যুর আবেদন করতে এগুলো প্রয়োজন হবে।

ধাপ ২ঃ জাতীয় পরিচয়পত্রের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন

সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা শেষে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র সেবার services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় - অনলাইনে এনআইডি রিইস্যু Lost NID Card, NID Card Reissue

যদি পূর্বে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে এনআইডি নম্বর ও পার্সওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করুন। পাসওয়ার্ড হারিয়ে ফেললে বা ভুলে গেলে পুনরায় রিসেট করতে পারেন।

ধাপ ৩ঃ রিইস্যুর আবেদন করুন – হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের অনলাইন আবেদন

রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদনকারীর ফেইস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে NID Wing ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারবেন।

যদি পূর্ব থেকে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে এই লিংক থেকে NID Wing সম্পন্ন করুন।

লগইন সম্পূর্ণ হলে নিচের ছবির মত একটা পেইজ দেখাবে এখান থেকে রিইস্যু বাটনে ক্লিক করুন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় - অনলাইনে এনআইডি রিইস্যু Lost NID Card, NID Card Reissue

রিইস্যু অপশনে যাওয়ার পর একটি জাতীয় পরিচয় পত্র রিইস্যুর আবেদন ফরম পাবেন। এই ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট করুন।

ফরমে লাল বক্সে দেখানো অংশে জিডির তথ্য পূরণ করুন এবং পুনরায় তথ্যগুলো যাচাই করে উপরের ডান পাশ থেকে “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় - অনলাইনে এনআইডি রিইস্যু Lost NID Card, NID Card Reissue

এরপরে রিইস্যুর আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র রিইস্যুর আবেদন ফি হলো – সাধারণ ৩৪৫ টাকা ভ্যাট সহ এবং জরুরী ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ। বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে রিইস্যু আবেদন ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

ফি প্রদান শেষে আবেদনের ধরণ সিলেক্ট করতে হবে। এখান থেকে আবেদনের ধরন রিইস্যু ও বিতরণের ধরন Regular বা Urgent সিলেক্ট করে দিন। এখান থেকে রেগুলার সিলেক্ট করলে রেগুলার আবেদন ফি পরিশোধ করুন এবং জরুরী সিলেক্ট করলে জরুরি আবেদন ফি পরিশোধ করুন।

এরপর উপরের ডান কর্নারে থাকা “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করে আপনার জিডির স্ক্যান কপি আপলোড করুন। অবশ্যই ছবিগুলো পরিপূর্ণ আলো এবং সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ডে তুলতে হবে।

হারানো জাতীয় পরিচয়পত্রের জিডির কপি আপলোড করে আপনার আবেদটি সাবমিট করুন। আশা করি ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদনটি অনুমোদিত (Approved) করা হবে।

ধাপ ৪ঃ জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করুন

হারানো জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদনটি অনুমোদিত হলেই NID Wing ওয়েবসাইটে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আপনার ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

আবেদন Approve হবার পরে আপনার মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। যতদ্রুত সম্ভব NID Wing ওয়েবসাইট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করে নিবেন। নির্দিষ্ট সময় শেষে ডাউনলোড করতে পারবেন না। পুনরায় আপনাকে নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে হতে পারে।

হারিয়ে যাওয়া ভোটার আইডি কার্ড তোলার আবেদন পদ্ধতি:- 

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেছে, থানায় জিডি করা হয়েছে এখন আবেদন করার দুইটি উপায় আছে। প্রথমত সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস গিয়ে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের আবেদন ফরম- ৬ সংগ্রহ করতে হবে। ফরমটি ভালো করে পড়ে নিয়ে পূরণ করতে হবে। তারপর হারানো ভোটার আইডি কার্ড তোলার নির্ধারিত ফি বিকাশের মাধ্যমে এনআইডি ফি পরিশোধ অথবা রকেট অ্যাপের মাধ্যমে এনআইডি রিইস্যু ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমাদানের রশিদ এবং জিডির কপি আবেদন ফরম-৬ এর পিছনে পিন-আপ করে অফিসে জমা দিলে আবেদনের কার্যক্রম শুরু হয়। এক্ষেত্রে আবেদনের নিচের অংশ ছিড়ে আবেদনকারীকে দেয়া হয়।

দ্বিতীয়ত, অনলাইন সিস্টেমে হারানো ভোটার আইডি কার্ড তোলার আবেদন করা যায়। ঘরে বসে নিজেই নিজের হারিয়ে যাওয়া ভোটার আইডি কার্ড তোলার আবেদন করাই সব থেকে সুবিধাজনক। সে জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইট services.nidw.gov.bd এই ঠিকানায় গিয়ে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর রিইস্যু অপশনে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া ভোটার আইডি কার্ড তোলার আবেদন দাখিল করা যাবে। তবে আবেদন দাখিল করার আগে অবশ্যই হারানো ভোটার আইডি কার্ড তোলার নির্ধারিত ফি হিসাব করে নিয়ে রকেট/বিকাশ এ্যাপের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।  

আবেদন সাবমিট করা হয়ে গেলে আবেদনের একটি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করা যাবে এবং সেটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে কাছে রেখে দিতে পারেন। পরবর্তীতে কখনো অফিসে গিয়ে খোজ নিতে চাইলে আবেদনের ওই কপিটি সাথে নিয়ে যেতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে পুনরায় তোলার জন্য অনলাইনে আবেদন দাখিল করার সময় পুনমুদ্রণের কারণ হিসেবে হারিয়ে গেছে না সিলেক্ট করে ঠিকানা পরিবর্তণ সিলেক্ট করেও ভোটার আইডি কার্ড তোলার আবেদন সাবমিট করা যায়। যারা ভোটার এলাকা স্থানান্তর করেছে তাদের জন্য এই নিয়ম। 

এক্ষেত্রে আবেদনের সাথে জিডির কোন তথ্য দেয়া লাগবে না এবং জিডির কপিও দেয়া লাগবে না। শুধু ফি জমা দিলেই ভোটার আইডি কার্ড তোলা আবেদন সাবমিট করা যায়। আপনার ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে অনলাইনে আবেদন করার সময় ঠিকানা পরিবর্তণ সিলেক্ট করে আবেদন দাখিল করে দেখতে পারনে। ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের কোন আবেদনই বাতিল হয় না।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের আবেদন অনুমোদন পাওয়ার সাথে সাথে আবেদনকারীর মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ৩-৫ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যায়। 

হারানো ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের আবেদন অনুমোদন পাওয়ার সাথে সাথে যদি অনলাইনে লগইন করা যায় তাহলে ডাউনলোড অপশন থেকে মূল ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করা যায়। রঙ্গির পিডিএফ ফরমেটে ডাউনলোড হয় কপিটি। ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপিটি সংরক্ষণ করে রাখলে পরবর্তীতে যতবার খুশি ততবার প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। কখনো ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে পুনরায় আবেদন করা লাগবে না।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের আবেদন অনুমোদন পাওয়ার পর অফিস থেকে একবার কার্ড প্রিন্ট করে ফেললে তখন আর অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ডের কপি ডাউনলোড হয় না। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে হয়।

একাধিকবার ভোটার হলে করণীয় কি? যারা ভুল করে দ্বৈত ভোটার হয়েছেন তাদের জন্য পরামর্শ Double Voter in Bangladesh

Double Voter in Bangladesh

অনেকেই আছেন যারা না জেনে বা ভুল করে দ্বৈত ভোটার হয়েছেন। একাধিকবার ভোটার হলে করণীয় কি সে বিষয়ে কি কোন ধারণা আছে আপনাদের? যদি আপনার দ্বৈত ভোটারের বিষয়ে ধারণা থাকে তাহলে খুবই ভালো। আর যদি না থাকে তাহলে অবশ্যই বিস্তারিত পড়ে নেয়ার অনুরোধ করবো। কারণ আমি চাই না আপনারা দ্বৈত ভোটারের ঝামেলায় পড়ে থাকেন। 

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি প্রতিটি নাগারিকের মৌলিক অধিকার। একজন ব্যক্তির বয়স ১৮ বছর হলে সে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তির জন্য আবেদন করতে পারে। তবে একাধিবার ভোটার হলে তার পরিনাম অনেক ভয়াবহ হতে পারে। ২০১৫ সাল থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিদেরকে ভোটার করার পাশাপাশি ১৮ বছরের কম বয়স্ক ছেলে-মেয়েদেরকে Underage Voter হিসেবে নিবন্ধন করা শুরু হয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার লক্ষ্যে। Underage ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় আসে না এবং ভোট দিতে পারে না। তারা যখন প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে যায় তখন আপনা আপনিই তাদের নাম ভোটার তালিকায় চলে আসে এবং তারা ভোট দিতে পারে। কিন্ত এই বিষয়টাই অনেকে জানে না বা বোঝে না। ফলে পুনরায় আবার ভোটার হওয়ার জন্য ছবি তোলে এবং একাধিকবার ভোটার হওয়ার ঝমেলায় জড়িয়ে পড়ে। 

যেসব কারণে একজন ব্যক্তি একাধিকবার ভোটার হয়ঃ-   

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন দেশের প্রতিটি নাগরিকের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেয়ার জন্য Underage ভোটারদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। কিছু লোকজন আছে তারা ইতোপূর্বে Underage Voter হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছিলো। তারা তখন জানতো যে, তাদের বয়স ১৮ বছর হয়নি তাই তারা ভোটার না, শুধু জাতীয় পরিচপত্র দেয়ার জন্য তাদের ছবি তোলা হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের বয়স যখন ১৮ বছর হয় তখন তারা আবার ২ নং নিবন্ধন ফরম পূরণ করে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য ছবি তোলে। ফলে কমিশনের সার্ভারে Duplicate Voter হিসেবে ধরা পড়ে।  

এমন অনেক মেয়ে আছে যারা বিয়ের আগে Underage Voter হয়। এনআইডি কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই হয়তো অনেকের বিয়ে হয়ে যায় এবং তারা শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করতে থাকে। সাংসারিক কাজের চাপে অনেকেই ভুলে যায় যে সে বাবার বাড়িতে থাকার সময় ভোটার হয়েছিলো। এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন অনুভব করা মাত্র (গর্ভবতী ভাতা প্রাপ্তি) শ্বশুর বাড়ির ঠিকানায় পুনরায় একবার ভোটার হওয়ার জন্য অফিসে কাগজপত্র দাখিল করে ভোটার হয় বা হালনাগাদ কার্যক্রমে ভোটার হয়। কিছুদিন পরে এনআইডি নম্বর সংগ্রহের জন্য অফিস গেলে ধরা পড়ে সে দ্বৈত ভোটার বা একাধিকবার ভোটার হয়েছে। 

অনেকেই লেখাপড়া বা চাকরি করার কারণে নিজ বাড়ি থেকে শত শত মাইল দুরে গিয়ে বসবাস করে থাকে। নতুন ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলে অনেকেই অস্থায়ী ঠিকানায় ভোটার হয়। এনআইডি কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই দেখা যায় ঠিকানা পরিবর্তণ করে অন্য কোন জায়গায় চলে যেতে হয়েছে বা স্থায়ী ঠিকানায় ফিরে এসেছে বা ভোটার নিবন্ধন স্লিপ হারিয়ে ফেলেছে। এভাবে ২-৩ বছর পার করে ফেলে। যখন এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন পড়ে তখন সে যে ঠিকানায় ভোটার হয়েছিলো সেখানে গিয়ে ঘোরাঘুরি করে এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করা অনেকটাই ঝামেলা মনে করে বিধায় স্থায়ী ঠিকানায় পুনরায় ভোটার হয়। 

অনেকেই আছে যাদের চাকরির বয়স চলে গেছে। পরবর্তীতে বয়স কম দিয়ে ভোটার হয়ে চাকরির সুযোগ নেয়ার জন্য পুনরায় ভোটার হয়। 

এছাড়া এমন অসংখ্য মানুষ আছে যারা না জেনে বা না বুঝে বা ভুল করে বা স্বার্থের বসবর্তী হয়ে একাধিকবার ভোটার হয়ে থাকে। কিন্ত তারা জানে না যে ভোটার করার সময় আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হয় এবং এই ছাপের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কত বার ভোটার হয়েছে তা সয়ংক্রিয়ভাবে ধরা পড়ে যায়। পূর্বে ভোটার করার সময় মাত্র ৪ আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হত। বর্তমান সময় ভোটার করার সময় ১০ আঙ্গুলেরই ছাপ নেয়া হয় এবং চোখের আইরিশ স্ক্যান করে মেইন সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখ হয়। আপনি যতই চালাকি করেন না কেন একাধিকবার ভোটার হতে গেলে অবশ্যই ধরা খেতে হবে। 

ভুলবসত যারা একাধিকবার ভোটার হয়েই পড়েছেন তাদের জন্য করণীয়ঃ-

একাধিকবার ভোটার হলে প্রথমবারের ভোটার তথ্য বহাল থাকে পরবর্তীতে হওয়া ভোটার তথ্য অটোমেটিক ডিলিট হয়ে যায়। যতবার ভোটার হবেন ততবার ডিলিট হয়ে যাবে। তাদের ভোটার স্ট্যাটাস থাকে Duplicate Voter বা Deleted Voter হিসাবে। এই ভোটার তথ্য দিয়ে কোন কাজ করা যায় না এবং এনআইডি কার্ড আসে না। তবে কমিশনের সার্ভারে যাবতীয় তথ্যই থেকে যায় রেকর্ড হিসেবে।  

আবার দেখা যায় একজন ব্যক্তি দুই বার ভোটার হয়েছে তার দুইটাই বহাল আছে এবং দুইটা এনআইডি কার্ড পেয়েছে। এমন ব্যক্তিদের উচিত প্রথমবারের ভোটার তথ্য বহাল রাখার জন্য এবং দ্বিতীয় বারে ভোটার তথ্য বাতিল করার জন্য নিজে থেকে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করা। আপনি যদি আপনার নিজের ভুল নিজেই সামনে নিয়ে আসেন সেক্ষেত্রে কমিশন আপনার বিরুদ্ধে তেমন কোন নেতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না বরং দ্বিতীয়বারের ভোটার তথ্য বাতিল করে দেবে। অন্যথা কমিশন যখন জানতে পারবে একটা ব্যক্তি ২ বার ভোটার এবং দুইটা ভোটার তথ্যই বহাল আছে তখন মামলা নিশ্চিত ধরে রাখতে পারেন। 

অনেকে আছেন যারা একাধিকবার ভোটার হয়েছেন এবং দুইটা ভোটার তথ্যই ডিলিট হয়ে গেছে। তারা সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে একটা ভোটার তথ্য বহাল রাখার জন্য আবেদন করবেন। উপজেলা নির্বাচন অফিসার যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আপনার আবেদন হেড অফিসে প্রেরণ করবেন। যদি একটি ভোটার তথ্য ঠিক হয় সেটি হেড অফিস থেকে হবে। উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে হট্টোগোল করবেন না। ডিলেটেড ভোটার রোল ব্যাক করার কাজ উপজেলা পর্যায় থেকে হয় না, করা যায় না। সুতরাং সেখানে সময় অপচয় করে লাভ নেই। যদি পারেন ঢাকা হেড অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করবেন। 

যারা একাধিকবার ভোটার হয়েছেন এবং প্রথমবারের তথ্য বহাল আছে পরে হওয়া ভোটার তথ্য ডিলিট হয়ে গেছে। তারা আপাতত নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। তবে কখনোই তৃতীয়বার ভোটার হওয়ার জন্য চিন্তাও করবেন না, করলে আপনার নামে মামলা হওয়ার সম্ভবনা ৯৯%।

একটা বিষয় মনে রাখবেন এবং অপরকে বুঝিয়ে বললবেন, একাধিবার ভোটার হওয়া আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। আর এই অপরাধের কারণে জেল খাটা লাগতে পারে সাথে জরিমানা দেয়া লাগতে পারে। আপনার ভোটার তথ্যে বা ভোটার আইডি কার্ডে যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করবেন তারা আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেবেন। 

একাধিকবার ভোটার হওয়ার বিষয়ে নিজে সতর্ক হোন অপরকে সতর্ক করার জন্য পোষ্টটি বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন।

Read: BD Pension Scheme 

নতুন ভোটার হওয়ার অঙ্গীকারনামা Affidavit of being a new voter

Affidavit of being a new voter

নতুন ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং প্রায় সারা বছরই এ প্রক্রিয়া চালু থাকে। নির্বাচন চলাকালীন সময় ব্যতীত যে কোন সময় অফিস থেকে ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরম সংগ্রহ করে অথবা অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন করে খুব সহজেই নতুন ভোটার হওয়া যায়। নতুন ভোটার হতে হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে সাথে অনেকের ক্ষেত্রে অঙ্গীকারনামা জমা দেয়ার প্রয়োজন হয়। নতুন ভোটার হওয়ার অঙ্গীকারনামা তৈরী করা যদিও খুব সহজ তারপরেও অনেকে সঠিকভাবে অঙ্গীকারনামা তৈরী করতে পারেন না বা আবেদনের সাথে জমা দেন না বিধায় নতুন ভোটার হতে গিয়ে ভোগান্তি বেড়ে যায়। 

নতুন ভোটার হওয়ার অঙ্গীকারনামা সবার ক্ষেত্রেই প্রয়োজন না হলেও ভোটার হওয়ার সময় সবারই অঙ্গীকারনামা জমা দেয়া উচিত। বর্তমানে যাদের জন্ম তারিখ  ০১/০১/২০০৪ সাল বা তার পূর্বে জন্মগ্রহণ করেছেন তাদেরকে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত করা হচ্ছে। একজন আবেদনকারীর জন্ম তারিখ যদি ২০/১২/২০০৩ সাল হয় ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকারনামা নাও চাওয়া হতে পারে, কারণ দুই-চার বছর পূর্বে তার ভোটার হওয়ার সুযোগই ছিলো না। কিন্ত যে ব্যক্তি অভারএজ বা জন্ম তারিখ ২০০০ সালের পূর্বে তার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারনামা বাধ্যতামূলক হতে পারে। নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারনামা চাওয়ার কারণ হচ্ছে ওই ব্যক্তি একাধিকবার ভোটার হচ্ছেন কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া। বর্তমান সময়ে দ্বৈত ভোটার বা একাধিকবার ভোটার হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে বিধায় প্রতিটি ভোটারের ক্ষেত্রে অঙ্গীকারনামা চাওয়া হয়। যদিও একাধিবার ভোটার হওয়ার পরিনাম খুবই ভয়াবহ, তবুও অনেকে তথ্য গোপন করে দ্বৈত ভোটার হয়। 

নতুন ভোটারের অঙ্গীকারনামা নিম্নোক্তভাবে লেখা যেতে পারেঃ- 

নতুন ভোটারের অঙ্গীকারনামা খুব বেশি বড় করে লেখার কিছু নেই, মূল কথাগুলো অঙ্গীকারনামার মধ্যে উল্লেখ থাকলেই হবে। 

নতুন ভোটার হওয়ার অঙ্গীকারনামা

          এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে, আমি মোঃ আরিফুল ইসলাম, পিতা: মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মাতাঃ মোছাঃ সালমা বেগম, গ্রাম/মহল্লাঃ কচুবাড়িয়া, পোষ্টঃ কচুবাড়িয়া, উপজেলাঃ নাটোর, জেলাঃ নাটোর। আমি অত্র এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। চাকরিরত/লেখাপড়ার কারণে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় আমি সময়মত ভোটার হতে পারিনি। তাই নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য আপনার দপ্তরে আবেদন দাখিল করছি। আমি আরো অঙ্গীকার করছি যে, আমি ইতোপূর্বে বাংলাদেশর কোথায়ও ভোটার হইনি এবং এই প্রথমবার ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করছি। যেহেতু একাধিকবার ভোটার হওয়া আইনত দন্ডণীয় অপরাধ সেহেতু আমি দ্বৈত ভোটার হলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আমার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে এবং আমি তা মেনে নিতে সর্বদা বাধ্য থাকবো। এমতাবস্থায়, আমাকে নতুন ভোটার করার জন্য আপনার নিকট সবিনয় অনুরোধ করছি।

অঙ্গীকারকারীর স্বাক্ষর/টিপসহি

মোঃ আরিফুল ইসলাম

পিতাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন

গ্রামঃ কচুবাড়িয়া, পোষ্টঃ কচুবাড়িয়া

উপজেলাঃ নাটোর, জেলাঃ নাটোর


নতুন ভোটার হওয়ার সময় অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে উপরোক্তভাবে নতুন ভোটার হওয়ার অঙ্গীকারনামা তৈর করে নিয়ে আবেদন জমা দেয়া যেতে পারে। তাহলে অঙ্গীকারনামার জন্য হয়তো অফিস থেকে ফেরত আসা লাগবে না। তাছাড়া আপনাদের সুবির্ধাতে উপরোক্ত লেখাগুলো পিডিএফ আকারে তৈরী করে দিয়ে দিচ্ছি। নিচের ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করে পিডিএফটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন।

নতুন ভোটারের অঙ্গীকারনামা বিষয়ে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করবেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করবো। লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ...!

NID Correction Document ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

NID Correction Document

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

হাজারো মানুষের প্রশ্ন ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে? কিন্ত এ প্রশ্নের উত্তর সহজে দেয়া যায় না। কারণ ভোটার আইডি কার্ডে অনেক তথ্য থাকে এবং প্রতিটা তথ্য সংশোধনের জন্য আলাদা আলাদা কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। ভোটার আইডি কার্ডের নাম সংশোধন করার জন্য যে কাগজপত্র প্রয়োজন হয় ঠিকানা সংশোধনের জন্য সে কাগজপত্রগুলো কোন কাজে লাগে না।

অনুরুপভাবে ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ সংশোধন করার জন্য জন্ম সনদ, সার্টিফিকেটসহ আরো বেশ কিছু কাগজপত্রের দরকার হয় কিন্ত ভোটার আইডি কার্ড থেকে ছবি পরিবর্তণ করার জন্য এই কাগজপত্রগুলো কোন কাজে লাগে না। 

সুতরাং, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে এ প্রশ্নের এক কথায় উত্তর হচ্ছে আপনার আইডি কার্ডে যে তথ্য ভুল হয়েছে তার পরিবর্তে সঠিক তথ্য যা হবে তার স্বপক্ষে কাগজপত্র দিতে হবে। আজ এই পোষ্টের মাধ্যমে জানাবো ভোটার আইডি কার্ডের কোন কোন ভুলের জন্য কি কি কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে। সেই সাথে আরো জনাতে পারবেন উক্ত ভুলের আবেদনগুলো কোন ক্যাটাগরীতে থাকে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ-

ভুলের ধরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নাম উল্লেখ করা হলো। যার যে ধরণের ভুল হয়েছে সে সেই অনুযায়ী কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দিতে পারেন।

ভোটার আইডি কার্ডে নাম সংশোধন

যদি নিজের নামের বানানে ভুল থাকে যেমন- রাবেয়া বেগম এর পরিবর্তে  রাবিয়া বেগম হবে তাহলে নিম্নোক্ত কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দেয়া যেতে পারে।

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট এর কপি।

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি।

❖ স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি।

এই কাগজপত্রগুলো জমা দেয়ার পরও অফিস কর্তৃপক্ষ আপনার ভোটার নিবন্ধন ফরমে উল্লেখিত নাম ও প্রদত্ত স্বাক্ষর চেক করে দেখতে পারেন। এই ধরণের আবেদনগুলো সাধারণত "ক" ক্যাটাগরীতে থাকে এবং উপজেলা পর্যায় থেকেই সংশোধন হয়। 

যদি নিজের মূল নাম ঠিক রেখে শুধু পদবী পরিবর্তন করতে চান যেমন- রহিম শেখ থেকে হবে রহিম মিয়া তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে। 

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট।

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে)।

❖ স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে)।

এই কাগজপত্রগুলো জমা দেয়ার পরও অফিস কর্তৃপক্ষ আপনার ভোটার নিবন্ধন ফরমে উল্লেখিত পদবী চেক করে দেখতে পারেন এবং প্রয়োজনে আপনার সম্পর্কে তদন্ত করতে পারেন। এই ধরণের আবেদনগুলো সাধারণত "ক" ক্যাটাগরীতে থাকে এবং উপজেলা পর্যায় থেকেই সংশোধন হয়।

যদি বাংলা নাম ঠিক থাকে এবং ইংরেজি নামে ভুল থাকে অথবা ইংরেজি নাম সঠিক আছে কিন্ত বাংলা নামে ভুল হয়েছে যেমন- বাংলাতে নাম আছে মোঃ সবুজ হোসেন কিন্ত ইংরেজিতে হয়েছে Md. Sajib Hossen তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্রগুলো জমা দিতে পারেন।

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট এর কপি (যদি থাকে)।

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে)।

❖ স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে)।

এ ধরণের ভুলের ক্ষেত্রে সার্ভারে থেকে ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরম চেক করে দেখা হয়। যদি চাহিত নাম ও ভোটার নিবন্ধন ফরমে থাকা নামের মিল পাওয়া যায় তাহলে খুব সহজে আবেদন অনুমোদন হয়ে যায়। এই ধরণের আবেদনগুলো সাধারণত "ক" ক্যাটাগরীতে থাকে এবং উপজেলা পর্যায় থেকেই সংশোধন হয়। 

যদি সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তণ করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে।

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ এনআইডি কার্ড করার পূর্বে প্রাপ্ত পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে)।

❖ স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে)।

❖ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত হলফনামা।

সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের আবেদনগুলোতে যতবেশি সম্ভব প্রমাণাদি জমা দেয়া উচিত। উক্ত কাগজপত্রগুলো জমা দেয়ার পরও ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরম ও ফরমে উল্লেখিত স্বাক্ষর যাচাই করা হয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।

যদি সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের আবেদনে পাবলিক পরীক্ষার সনদ জমা দেন তাহলে সেই আবেদন "গ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হয়। আর যদি কোন সনদ জমা না দেয়া হয় বা যথাযথ কাগজপত্র জমা না দিতে পারেন তাহলে সে আবেদন "ঘ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

ভোটার আইডি কার্ডে পিতা-মাতার নাম সংশোধন

যদি পিতা/মাতার মূল নাম ঠিক রেখে শুধু নামের পদবী পরিবর্তন করতে চান যেমন- মোঃ মফিজ উদ্দিন থেকে মোঃ মফিজ শেখ হবে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে।

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ পিতা ও মাতার আইডি কার্ডের কপি।

❖ সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা সনদের কপি।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

এই ধরণের আবেদনগুলো সাধারণত "ক" ক্যাটাগরীতে থাকে এবং উপজেলা পর্যায় থেকেই সংশোধন হয়।

যদি পিতা/মাতার মূল নাম ঠিক থাকে এবং শুধু বানানে ভুল থাকে যেমন-মোঃ তালেব মোল্যা এর স্থলে মোঃ তালোব মোল্যা হয় তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে।

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ পিতা ও মাতার আইডি কার্ডের কপি।

❖ সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা সনদের কপি।

এই ধরণের আবেদনগুলো সাধারণত "ক" ক্যাটাগরীতে থাকে এবং উপজেলা পর্যায় থেকেই সংশোধন হয়। 

যদি পিতা/মাতর নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে।

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ পিতা ও মাতার আইডি কার্ডের কপি।

❖ সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা সনদের কপি।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ পিতার/মাতার নামীয় বিদ্যুৎ বিলের কপি। 

❖ পিতার/মাতার নামীয় ট্যাক্স/পৌর করের রশিদ ইত্যাদি।

উপরোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়ার পরও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন আকারে প্রেরণ করতে পারেন। এ ধরণের আবেদনগুলোতে উপযুক্ত কাগজপত্র জমা দিতে পারলে "গ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভূক্ত হয় এবং উপযুক্ত কাগজপত্র জমা না দিতে পারলে আবেদন "ঘ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ সংশোধন

ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম তারিখের ভুল হলে নিম্নোক্ত কাগজপত্রের মধ্যে যে সকল কাগজপত্র আপনার আছে সেগুলো আবেদনের সাথে জমা দেয়া যেতে পারে। 

❖ আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। যদি সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে দেয়া লাগবে না।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি।

❖ সকল ভাই বোনের এনআইডি নম্বর উল্লেখিত পিতার উত্তরাধিকার/ওয়ারেশ সনদ।

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (যদি থাকে)।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ সিভিল সার্জন কর্তৃক বয়স প্রমাণের রিপোর্ট।

❖ সার্ভিস বইয়ের কপি/MPO শীটের কপি।

❖ চাকরির আইডি কার্ডের কপি।

❖ অফিস স্মারকে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের প্রত্যয়নপত্র।

❖ পেনশন/অবসর বইয়ের কপি (অবসরপ্রাপ্তদের জন্য)। 

❖ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সনদ এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্ত বিভিন্ন ভাতাদি প্রাপ্তির প্রমাণপত্র।

উল্লেখিত কাগজপত্রগুলোর মধ্যে যে কাগজপত্র আপনার আছে সেগুলো আবেদনের সাথে জমা দেয়া যেতে পারে। ১ দিন থেকে ৩ বছর পর্যন্ত জন্ম তারিখ পরিবর্তনের আবেদন "ক" ক্যাটাগরীতে থেকে। যাদের জন্ম তারিখ ৩ বছর থেকে ৫ বছর গড়মিল সে আবেদনগুলো "খ" ক্যাটাগরীতে থাকে। 

যাদের জন্ম তারিখ ৫ থেকে ১০ বছরের গড়মিল সে আবেদনগুলোগুলো "গ" ক্যাটাগরীতে থাকে এবং যাদের জন্ম তারিখে ১০ বছরের বেশি গড়মিল রয়েছে সেগুলো "ঘ" ক্যাটাগরীতে থাকে।

ভোটার আইডি কার্ডে স্বামী/স্ত্রী'র নাম সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে স্বামী/স্ত্রীর নাম সংযোজন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্রগুলো জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি।

❖ স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি।

স্বামী/স্ত্রীর নামে পদবী ভুল হোক বা নামের বানান ভুল হোক বা আংশিক পরিবর্তন হোক সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি।

❖ স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি।

❖ সন্তানদের এনআইডি কার্ড/জন্ম সনদ

❖ সন্তানদের শিক্ষা সনদের কপি।

যদি স্বামী/স্ত্রীর মৃত্যজনিত কারণ বা ডিভোর্স জনিত কারণে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন এবং প্রথম স্বামী/স্ত্রীর নাম বাদ দিয়ে দ্বিতীয় স্বামী/স্ত্রীর নাম যোগ করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ প্রথম স্বামী/স্ত্রীর তালাকনামা/মৃত্যু সনদ।

❖ দ্বিতীয় বার বিবাহের কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ।

❖ দ্বিতীয় স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি।

যদি দ্বিতীয়বার বিবাহ ব্যতিত স্বামী/স্তীর নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তণ করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে উপরোক্ত কাগজপত্রসহ অন্যান্য যেসকল কাগজপত্রে স্বামী/স্ত্রীর নাম সঠিক করে লেখা আছে সেগুলো জমা দেবেন। যেমন-

❖ ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরমের কপি।

❖ সকল সন্তানদের নাম উল্লেখিত স্বামী/স্ত্রীর উত্তরাধিকার/ওয়ারেশ সনদ।

❖ স্বামী/স্ত্রীর নামীয় বিদ্যুৎ বিলের কপি।

❖ স্বামী/স্ত্রীর নামীয় ট্যাক্স/পৌর করের রশিদ।

❖ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত হলফনামা।

স্বামী/স্ত্রীর সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কর্মরত অফিসার সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন আকারে প্রেরণ করতে পারেন। এ ধরণের আবেদনগুলো সাধাণত "ক" এবং "খ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।

ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম সনদের নম্বর সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম সনদের নম্বর ভুল হয়ে থাকে তাহলে  আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র।

ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম সনদ নম্বরের ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো সচরাচর "ক" ক্যাটাগরীতেই থাকে। 

ভোটার আইডি কার্ডে লিঙ্গ সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখিত লিঙ্গ ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরমের কপি।

❖ মেডিকেল সার্টিফিকেট।

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রত্যয়নপত্র।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে লিঙ্গের ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো সচরাচর "ক" ক্যাটাগরীতেই থাকে।

ভোটার আইডি কার্ডে জন্মস্থান সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখিত জন্মস্থান ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রত্যয়নপত্র।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে জন্মস্থানের ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে পেশা সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখিত পেশা ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ চাকরীরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিয়োগপত্রের কপি।

❖ পেশা ভিত্তিক সনদের কপি।

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত পেশা পরিবর্তনের প্রত্যয়নপত্র।  

এনআইডি কার্ডের তথ্যে পেশা'র ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে দৃশ্যমান সনাক্তকরণ চিহ্ন সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখিত দৃশ্যমান সনাক্তকরণ চিহ্ন ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ উপজেলা নির্বাচন অফিসারের প্রতিবেদন

❖ মেডিকেল সনদ। 

এনআইডি কার্ডের তথ্যে দৃশ্যমান সনাক্তকরণ চিহ্নের ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখিত রক্তের গ্রুপ ভুল হয়ে থাকে অথবা সংযোজন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে রক্তের গ্রুপের ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়। 

ভোটার আইডি কার্ডে স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা/বর্তমান ঠিকানা ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

❖ বিদ্যুৎ বিলের কপি। 

❖ চৌকিদারী ট্যাক্স/পৌর করের রশিদ। 

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র  

এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার ভুল সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে টিন নম্বর সংযোজন/সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে টিন নম্বর ভুল হয়ে থাকে কিংবা সংযোজন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ টিন সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে টিন নম্বর সংযোজন/সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর সংযোজন/সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর ভুল হয়ে থাকে কিংবা সংযোজন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖  ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সত্যায়িত কপি।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর সংযোজন/সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকেই সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে পাসপোর্ট নম্বর সংযোজন/সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে পাসপোর্ট নম্বর ভুল হয়ে থাকে কিংবা সংযোজন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ পাসপোর্ট এর সত্যায়িত কপি।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে পাসপোর্ট নম্বর সংযোজন/সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকে সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে মোবাইল/ফোন নম্বর সংযোজন/সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে মোবাইল/ফোন নম্বর ভুল হয়ে থাকে কিংবা সংযোজন করতে চান তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ বিটিসিএল এর প্রত্যয়ন/বিলের কপি/রেজিস্ট্রেশন ফরম এর কপি।

❖ মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রত্যয়ন।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে মোবাইল/ফোন নম্বর সংযোজন/সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকে সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে শিক্ষাগত যোগ্যতা ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ চাহিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সত্যায়িত কপি। 

❖ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হলফনামা (শিক্ষাগত যোগ্যতা কমাতে চাইলে প্রযোজ্য)। 

❖ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন (শিক্ষাগত যোগ্যতা কমাতে চাইলে প্রযোজ্য)।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধির আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকে সংশোধন হয়। কিন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা কমানোর আবেদন করলে সেটি "খ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে অসমর্থতা সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে অসমর্থতা'র তথ্য ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেট/যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেট।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে অসমর্থতা সংশোধনের আবেদনগুলো "ক" ক্যাটাগরী থেকে সংশোধন হয়।

ভোটার আইডি কার্ডে ধর্ম সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে ধর্ম ভুল হয়ে থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ বিবাহ নিবন্ধন সনদের কপি (যদি থাকে)।

❖ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হলফনামা।

❖ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র। 

❖ পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি।

❖ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন।

এনআইডি কার্ডের তথ্যে ধর্ম সংশোধনের আবেদনগুলো "খ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হয়। 

ভোটার আইডি কার্ডে বায়েমেট্রিক তথ্য সংশোধন

যদি ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন, চোখের আইরিশ পরিবর্তন কিংবা ফিঙ্গারপ্রিন্ট আপডেট করতে হলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে-

❖ ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানারের সাহায্যে সেন্ট্রাল সার্ভারে রক্ষিত আঙ্গুলের ছাপ পরীক্ষা করে একই ব্যক্তি মর্মে নিশ্চিত হওয়ার পর একই ব্যক্তি মর্মে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের প্রত্যয়নপত্র। 

এনআইডি কার্ডে বায়োমেট্রিক তথ্য আপডেট এর আবেদনগুলো "খ" ক্যাটাগরীর অন্তর্ভুক্ত হয়।

এই ছিলো ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে প্রশ্নের উত্তর। আশা করি সকলকে বিস্তারিত বিষয় বুঝতে পেরেছেন। এর পরও যদি কোন বিষয় সম্পর্কে জানার থাকে তাহলে কমেন্টস করে জানাবেন আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে অবশ্যই চেষ্টা করবো। লেখাটি যদি ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ..।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন - নিজের নাম সংশোধনে করণীয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূ NID Card Correction Bangladesh

NID Card Correction Bangladesh

পূর্বে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের অনেকেরই এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ডে কিছু না কিছু ভুল অবশ্যই আছে। অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম কি? বা কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায়? ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে? 

সত্য এটাই যে, অনেকেই এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না। ফলে তারা এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড এর ভুল নিয়ে নানা ধরণের ভোগান্তিতে পরেন। এই পোষ্টে উল্লেখ করবো খুব সহজে কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায়। ভোটার আইডি কার্ড এ নিজের নাম সংশোধনে করণীয় কি এবং কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি হয়।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম

এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ডে নিজের বাংলা নাম ও ইংরেজি নামে যদি প্রকৃতপক্ষেই ভুল থাকে তাহলে সংশোধনের আবেদন দাখিল করে তা ঠিক করা যায়। এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর আবেদন দুই ভাবে করা যায়। 

প্রথমত সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম - ২ সংগ্রহ করে পূরণ করতে হবে। ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি রকেট/বিকাশের মাধ্যমে জমা দিয়ে তার রশিদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফরমের পিছেনে পিন-আপ করে জমা দিলে সংশোধনের কার্যক্রম শুরু হয়। 

দ্বিতীয়ত অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর আবেদন দাখিল করা যায়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd ঠিকানায় গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে লগইন করলে ওই ভোটারের ছবি, নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখসহ যাবতীয় তথ্য দেখা যায় এবং এগুলো এডিট করার মাধ্যমে আবেদন দাখিল করা যায়। আপনি চাইলে ঘরে বসে নিজেই নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর আবেদন দাখিল করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অফিসে যাওয়া আসার কষ্ট করার প্রয়োজন হয় না এবং সময়ও বেচে যায়। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে ঘরে বসে অনলাইনে এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর আবেদন করাই ভালো।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

যদি নামের বানান প্রকৃতপক্ষে ভুল থাকে এবং নামের আগের থাকা মোঃ/মোছাঃ যোগ করতে বা বাদ দিতে চান, অর্থাৎ সাধারণ ভুল হয় সেক্ষেত্রে আবেদনের সাথে-

❖ এসএসসি সনদ: আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান সনদের ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। অথবা অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর আবেদন করার সময় ছবি তুলে বা স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। 

❖ জন্ম নিবন্ধন সনদ: আবেদনকারীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন সনদ সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

যদি আপনি বিবাহিত হন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্রগুলো জমা দিতে পারেন।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি (বাধ্যতামূলক)।

❖ সন্তানদের ভোটার আইডি কার্ডের কপি অথবা শিক্ষা সনদ অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ (যদি থাকে)।

❖ স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের কপি (যদি থাকে)। 

 ❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ (যদি থাকে)।

❖ সার্ভিস বই/এমপিও শীটের কপি (চাকরিজীবি হলে)।

 ❖ পৌর মেয়র/চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)।

আপনি যদি বিবাহিত না হন তাহলে একটু খেয়াল করে দেখবেন যেসব কাগজপত্রে আপনার নাম সঠিক করে লেখা আছে। সে সব কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দেবেন।

যদি নামের পদবী সম্পূর্ণ পরিবর্তন করতে চান তাহলে-

❖ এসএসসি সনদ (যদি থাকে)।

❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (বাধ্যতামূলক)।

❖ স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের কপি (যদি থাকে)।

❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ (যদি থাকে)।

❖ সন্তানদের ভোটার আইডি কার্ড এর কপি অথবা শিক্ষা সনদ অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ (যদি থাকে)।

❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।

❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।

❖ পৌর মেয়র/চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)।  


উপরোক্ত কাগজপত্রের মধ্যে যে কাগজপত্রগুলো আপনার আছে আবেদনের প্রাথমিক অবস্থায় সেগুলো জমা দেবেন।

যদি আপনার সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করেন সেক্ষেত্রে উপরিউল্লেখিত কাগজপত্রের মধ্যে যে যে কাগজগুলো আপনার আছে সেগুলোর সাথে একটি এ্যাফিডেভিট/হলফনামা জমা দিতে হবে। হলফনামা অবশ্যই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত হতে হবে, নোটারী পাবলিক থেকে না করাই ভালো। 

সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের আবেদনগুলোতে যত কাগজপত্রই দেন না কেন সেখানে সরেজমিন তদন্ত করার প্রয়োজন হয়। উপজেলা নির্বাচন অফিসার সরেজমিন তদন্ত করবেন রিপোর্ট তৈরী করে প্রেরণ করবেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট। তদন্ত প্রতিবেদন ও আপনার দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আপনার আবেদন অনুমোদন করতে বা বাতিল করতে পারে। এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড থেকে নিজের সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের আবেদনগুলো সহজে অনুমোদন পায় না। কারণ সেখানে অনেক কিছু বিচার বিশ্লেষণ করার থাকে এবং সেগুলো সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদন চলমান অবস্থায় থাকে। তারপরও আপনি চাইলে আমার দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী আবেদন করে দেখতে পারেন। 

আপনার দাখিলকৃত আবেদন অনুমোদন হলে বা বাতিল হলে বা আরো কাগজপত্র প্রয়োজন হলে আবেদনের সময় সরবরাহকৃত মোবাইল নম্বরে ম্যাসেজ করে জানানো হয়। 

আবেদন অনুমোদন হলে অনলাইন সিস্টেম হতে মূল এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড এর একটি অনুলিপি ডাউনলোড করা যাবে। সেটি প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিলেই নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারবেন। অথবা আবেদন অনুমোদন হওয়ার পর ৫-৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধিত এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করা যাবে।

এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড এ নিজের নাম সংশোধনের জন্য যে পরামর্শ এখানে দেয়া হলো আপনি যদি উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে পরামর্শ নেন তাহলে তারাও আপনাকে এই একই ধরণের পরামর্শ দেবে। তাই আপনার নামে যদি এ ধরণের কোন ভুল থাকে তাহলে আবেদনের প্রাথমিক অবস্থায় আমার দেয়া এই পরামর্শ অনুযায়ী আবেদন দাখিল করতে পারেন। 

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সম্পর্কে উক্ত পরামর্শটি একটি সঠিক পরামর্শ। এর পরও যদি এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করবেন। আপনাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।


আসুন দেখে নেই, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে গিয়ে কি কি প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে।

প্রশ্ন: কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?

উত্তর: সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

-

প্রশ্ন: ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?

উত্তর: জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

-

প্রশ্ন: আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?

উত্তর: সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

-

প্রশ্ন: বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?

উত্তর: নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

-

প্রশ্ন: বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন আইডি কার্ড থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?

উত্তর: বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

-

প্রশ্ন: বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি। এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?

উত্তর: প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

-

প্রশ্ন: আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?

উত্তর: অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

-

প্রশ্ন: আমার আইডি কার্ড এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?

উত্তর: এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

-

প্রশ্ন: নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

উত্তর: এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সনদ, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

-

প্রশ্ন: নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

উত্তর: এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ওয়ারিশ সনদ, ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

-

প্রশ্ন: পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?

উত্তর: পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে।

-

প্রশ্ন: ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/সংশোধন করা যায়?

উত্তর: শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন, সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম- ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফর্মে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

-

প্রশ্ন: আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে আইডি কার্ড –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?

উত্তর: আইডি কার্ড এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

-

প্রশ্ন: একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?

উত্তর: সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

-

প্রশ্ন: আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশত: শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম। এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?

উত্তর: আপনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসএসসি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

-

প্রশ্ন: আইডি কার্ড এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে?

উত্তর: ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

-

প্রশ্ন: রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?

উত্তর: রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

-

প্রশ্ন: বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?

উত্তর: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

-

প্রশ্ন: স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?

উত্তর: নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

-

প্রশ্ন: আমার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি। আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই। কিভাবে সংশোধন করা যাবে?

উত্তর: সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রশ্ন: একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?

উত্তর: এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

NID Card Lost জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কি করবে

NID Card Lost

আমরা সবাই ভাল করেই জানি আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্র টি আমাদের কত প্রয়োজনীয় একটি ডকুমেন্টস। এত জরুরী ডকুমেন্টস হওয়া সত্ত্বেও অনেক সময় অজ্ঞাত কারণে হারিয়ে যায়,  বা নষ্ট হয়ে যায়, অথবা ছিনতাইকারীরা অন্যান্য জিনিসপত্রও ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আপনি যদি এরকম কোন সমস্যার মধ্যে পড়ে থাকেন তাহলে আমি আজকে এই টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে আপনাকে সমাধান দিব।

আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রটি কি হারিয়ে গেছে? ভুলবশত কোথাও রেখে এসেছেন? নষ্ট হয়ে গেছে? নাকি ছিনতাইকারীরা অন্যান্য জিনিসের সাথে ছিনতাই করে নিয়ে গেছে? এরকম যেকোন সমস্যার কারণে যদি আপনার এনআইডি কার্ডটি না থাকে তাহলে আপনি সহজেই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র রি-ইস্যু জন্য আবেদন করে নতুন কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

NID Card হারিয়ে গেলে কি করা উচিৎ

খুব সহজেই জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ডটি যেভাবে রিসিভ করবেন বা ডুব্লিকেট কপি উঠাবেন তার সম্পূর্ণ গাইড লাইন আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছিঃ

সূচি

NID Card হাড়িয়ে গেলে কি করনীয়ঃ

কিভাবে থানায় সাধারণ ডায়েরী/GD করব?

সাধারণ ডায়েরী/GD- এর নমুনা কপি এখান থেকে ডাউনলোড করুনঃ

জাতীয় পরিচয় পত্র হারানো সাধারণ ডায়েরির নমুনা কপিঃ

কি কি কাগজ লাগবে?

কত টাকা খরচ হবে?

কিভাবে আবেদন করব?

পেমেন্ট পরিশোধ করুনঃ

কত দিন সময় লাগবেঃ

কার্ড কিভাবে পাবোঃ

NID Card হাড়িয়ে গেলে কি করনীয়ঃ

জাতীয় পরিচয় পত্র যদি হারিয়ে ,বা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে প্রথমেই আপনাকে নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। অতঃপর উক্ত সাধারণ ডায়েরির রিসিভ কপিটা নিয়ে আপনি নিজে নিজে অথবা কারো সাহায্য নিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। কিভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন? কিভাবে জিডি করবেন? সমস্ত কিছু আমি এই টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে দিয়ে দিয়েছি। 

কিভাবে থানায় সাধারণ ডায়েরী/GD করব?

প্রথমে একটি সাদা কাগজে একটি সাধারণ ডায়েরি করবেন, অতঃপর উক্ত সাধারণ ডায়েরি আপনার স্বাক্ষরযুক্ত করে দুইটি কপি নিয়ে নিকটস্থ থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসার কে দিবেন এবং একটি করিয়ে সাথে করে নিয়ে আসবেন। উক্ত সাধারণ ডায়েরির ফরমটিতে অবশ্যই জিডি নম্বর, ডিউটি রত অফিসারের নাম, সীল, স্বাক্ষর,  এবং জিডির তারিখ উল্লেখ থাকবে।

Lost NID GD Format 

জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম

তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন)

বরাবর,

অফিসার ইনচার্জ

থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন)

উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন)

বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন।

যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নাম (বয়স), পিতা/স্বামীঃ (পিতা বা স্বামীর নাম লিখুন) গ্রামঃ (গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘরঃ (আপনার ডাকঘরের নাম লিখুন), উপজেলাঃ (আপনার উপজেলার নাম লিখুন) জেলাঃ (জেলার নাম লিখুন)। আমি থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত (হারানোর তারিখ লিখুন) তারিখে আমার নিজ বাড়ি বা (যেকোন একটি স্থানের নাম লিখুন) আসার পথে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডটি হারিয়ে ফেলি। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নম্বর- (আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখুন) সম্ভাব্য অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন।

অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।


নিবেদক

এখানে আপনার স্বাক্ষর

(এখানে আপনার নাম)

মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন)

ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন)

সাধারণ ডায়েরী/GD- এর নমুনা কপি এখান থেকে ডাউনলোড করুনঃ

কিভাবে সাধারণ ডায়েরি লিখবেন যদি কোন ধারণা না পান তাহলে আমি নিম্নে একটি নমুনা কপি দিয়ে দিচ্ছি এটা, jpg, PDF, Documents/Doc File ডাউনলোড করতে পারবেন। এবং এটি এডিট করে আপনার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

আরোও পড়ুনঃ কিভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করবেন?

জাতীয় পরিচয় পত্র হারানো সাধারণ ডায়েরির নমুনা কপিঃ

NID GD Formate Download

NID Card Lost জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কি করবে

জাতীয় পরিচয় পত্র হারানো সাধারণ ডায়েরীর Doc ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

কি কি কাগজ লাগবে?

জাতীয় পরিচয় পত্র রি-ইস্যুর জন্য কোন প্রকার তথ্য প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র জিডির কপি দিলেই হবে। তবে সাধারণ ডায়েরীর ফরমটি স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে সত্যায়িত করলে সবচেয়ে ভালো হয়। সত্যায়িত না করলেও কোন সমস্য নেই।

কত টাকা খরচ হবে?

সাধারনত 230 টাকা লাগে। যদি স্মার্ট কার্ড এর জন্য আবেদন করেন অথবা জরুরী ভিক্তিতে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন তাহলে একটু বেশি লাগতে পারে। আমি এখানে একটি লিংক দিয়ে দিচ্ছি এখানে সেখান থেকে চেক করে নিতে পারেন আপনার কত টাকা খরচ লাগবে।

ফি হিসাব করতে এই লিংকে ক্লিক করুনঃ 

নিচের মত একটি ফরম আসবে। আপনার তথ্যগুলো দিন তারপর হিসাব করুন বাটুনে ক্লিক করুন। আপনার কত টাকা লাগবে দেখাবে।


NID Card Fee Calculation

NID Card Fee Calculation

কিভাবে আবেদন করব?

আপনার যদি এন আইডি কার্ডটি হারিয়ে থাকে বা নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইনে আবেদন করে সেটা রি-ইস্যু করতে হবে। কিভাবে জাতীয় পরিচয় পত্রের ডুপ্লিকেট কপি উঠাবেন তার বিস্তারিত আমি এখানে দিয়ে দিচ্ছি।

থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়ে গেলে আপনি নিচের এই লিংকে ক্লিক করুন।

জাতীয় পরিচয়পত্র রি-ইস্যুর আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

অতঃপর এমন একটি পেজ আসবে সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর এবং জন্মতারিখ এন্ট্রি করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

NID Re-Issue Registration 

NID Re-Issue Registration

পেমেন্ট পরিশোধ করুনঃ

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার এনআইডি সংশোধনের জন্য 230 টাকা পেমেন্ট পরিশোধ করতে হবে। (কিভাবে পেমেন্ট পরিশোধ করবেন তা নিম্নে দেওয়া হল)

পেমেন্ট পরিশোধ করার জন্য প্রথমে আপনার মোবাইল থেকে রকেট অ্যাপস চালু করুন।

তারপরে বিল-পে অপশনে ক্লিক করুন।

বিলার আইডি হিসেবে 1000 টাইপ করুন।

এনআইডি নাম্বার লিখুন

কি কারনে পরিশোধ করছেন সেটি ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করে দিন

অতঃপর আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন।

অতঃপর বিল পে সম্পন্ন করে ফেলুন।

বিল পে সম্পন্ন হওয়ার পর অটোমেটিক আপনার নির্বাচন কমিশনের রেজিস্ট্রিকৃত একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে।

তারপর আবেদন করা শুরু করুন। 

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়ে গেলে  রি-ইস্যু অপশন এর উপর ক্লিক করুন। নিচের চিত্র লক্ষ করুন।

জাতীয় পরিচয় পত্র রি-ইস্যুর জন্য আবেদন।

জাতীয় পরিচয় পত্র রি-ইস্যুর জন্য আবেদন।

অতঃপর যে পেজটি আসবে সেখানে ডান পাশে উপরের কোনা থেকে এডিট অপশনে ক্লিক করুন। এবার স্থানীয় থানা থেকে সাধারণ ডায়েরি করা ফরমটি থেকে, ১। জিডি নম্বর, ২। থানার নাম, ৩। জিডির তারিখ, ৪। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের নাম, ৫। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের পদবী লিখে ফেলুন। অতঃপর পেমেন্ট পরিশোধ করুন।

জাতীয় পরিচয় পত্রের ডুপ্লিকেট কপি ডাউনলোড করুন।

জাতীয় পরিচয় পত্রের ডুপ্লিকেট কপি ডাউনলোড করুন।

সম্পূর্ণ তথ্য ইনপুট করার পর “পরবর্তী” বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে

দ্বিতীয় ধাপে গেলে সেখানে আমরা যে টাকা ডিপোজিট করেছি সেটা দেখাবে এবং অপশন রেগুলার রেখে  পরবর্তী বাটনে ক্লিক করতে হবে

অতঃপর তৃতীয় ধাপ এগিয়ে, আপনার সাধারণ ডায়েরি কপি আপলোড করতে হবে।

চতুর্থ ধাপ এগিয়ে ফাইনাল সাজেশন দিতে হবে।

অতঃপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ডাউনলোড ফাইল চলে আসবে সেখানে ক্লিক করে আপনি আপনার রিসিভ টা ডাউনলোড করে রাখুন।

এখন আপনার কাজ শেষ পরবর্তী কাজ অফিসের জন্য

কত দিন সময় লাগবেঃ

এখন কথা হলো, আমি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কমপ্লিট করলাম কিন্তু আমি কতদিন পরে কার্ড পাব? আপনার কার্ডটি সাধারণ পিরিয়ডের জন্য আবেদন করলে 3 থেকে 10 বিজনেস দিবসের মধ্যে সম্পূর্ণ হয়ে যাবে অতঃপর আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ চলে আসবে। যখন আপনার মোবাইলে মেসেজ চলে আসবে তখন আপনি বুঝবেন যে আপনার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

কার্ড কিভাবে পাবোঃ

আপনার মোবাইলে যখন কনফার্মেশন মেসেজ চলে আসবে তখন আপনি আপনার ইউজার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে লগইন করে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অথবা এই লিঙ্কে ক্লিক করুন  আপনার এন আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রবেশ করান। এবং একেবারে নিচে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করুন আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র টি অটোমেটিকভাবে ডাউনলোড হয়ে যাবে। তারপর সেটাকে প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিতে হবে।

NID lost-এনআইডি হারিয়ে বা চুরি হয়ে গেলে করনীয়

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কিংবা নষ্ট হয়ে গেলে অফিসে না এসেও অনলাইনে হারানো কার্ড ডাউনলোড করা যায়।

হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া NID ডাউনলোড করার উপায়

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র যদি হারিয়ে কিংবা চুরি হয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে নির্দিষ্ট পরিমান ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করে অনলাইন থেকেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া এনআইডি কার্ড নিতে নির্বাচন অফিসে যেতে হবে না আপনাকে। নির্বাচন অফিসের অনলাই সেবা ওয়েবসাইট https://services.nidw.gov.bd ভিজিট করে হারানো কার্ড বা নষ্ট হওয়া কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

এছাড়াও ১০৫ কল করে জেনে নিতে পারেন আপনাকে কত টাকা ফি জমা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাই থেকেও জেনে নেওয়া যাবে অংকের পরিমান।

মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন

আপনার যদি স্মার্টফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকে তাহলে মোবাইলের মাধ্যমেও হারানো বা নষ্ট হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এছাড়াও ল্যাপটপ/ কম্পিউটার যদি থাকে এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকে তাহলে নিজেই নিজের আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। এজন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না।

আপনার যদি আবেদন করার মত অবস্থা না থাকে তাহলে নিকস্থ কোন কম্পিউটার দোকানে গিয়ে আবেদন করে আপনার এন আই ডি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

আবেদন যেভাবে করবেন

আবেদন করার ক্ষেত্রে নতুন হয়ে থাকলে প্রথমেই রেজিস্টার করতে হবে https://services.nidw.gov.bd এই সাইটে। রেজিস্টার সম্পন্ন হলে লগইন করে মেনু থেকে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।এই সাইটে শুধু হারানো কার্ড এর জন্য আবেদন করা ছাড়াও কোন তথ্য সংশোধন কিংবা ঠিকানা পরিবর্তন কিংবা কোন ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যারা নতুন ভোটার হয়েছে কিন্তু পরিচয় পত্র এখনো পান নাই তারা এই সাইটে নিবন্ধন করে কোন প্রকার চার্জ ছাড়াই এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড nid card online copy

জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড (National ID Card Download): আপনি কোন একটি জরুরী কাজে বাসা থেকে বাজারে অথবা দূরে কোথাও চলে গিয়েছেন। কিন্তু আপনার এনআইডি কার্ড/National ID Card পেয়ে বাসায় রেখে চলে গেছেন। এমত অবস্থায় আপনার এনআইডি/ National ID Card কার্ডের খুবই প্রয়োজন। তখন আপনি কি করবেন? তখন একটাই উপায় থাকে বাসায় ফোন করে ইমেইল করে আপনার আইডি কার্ড টা আনতে হবে। অথবা ফেসবুক মেসেঞ্জার বা মোবাইল থেকে ছবি তুলে সেটাকে বের করতে হবে।

আরোও পড়ুনঃ অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন

কিন্তু আমি আজকে আপনাদেরকে যে পদ্ধতিটি দেখিয়ে দিব সেটা হচ্ছে আপনার এনআইডি/ National ID Card কার্ডের হুবহু একটি কপি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা যায় তাহলে কেমন হয়।

বর্তমানে জাতীয় পরিচয় পত্র/National ID Card অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে রয়েছে সেখানে বেশ কিছু আপডেট এনেছে। আপনি চাইলে সেখানে একটি রেজিস্ট্রেশন করে আপনার এনআইডি কার্ড/ National ID Card ডাউনলোড করতে পারবেন।

দেখতে নিচের ছবির মত দেখাবেঃ

nid card online copy

সূচি

অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে কি কি লাগবে?

অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য যে যে জিনিস গুলো লাগবে তা হলঃ

ন্যাশনাল আইডি অনলাইন রেজিস্ট্রেশন

আরোও বিস্তারিত জানতে আপনি চাইলে আমাদের এই ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন

লগিন করার পর আপনার পেজটি এরকম দেখাবেঃ

মোবাইল SMS এর মাধ্যমে NID Card ডাউনলোড

জাতীয় পরিচয়পত্রের/National ID Card বিষয়ে জরুরী কিছু বিষয়ঃ

জাতীয় পরিচয়পত্রের /National ID Card বিষয়ে জরুরী প্রশ্নোত্তরঃ

আপনি যদি ন্যাশনাল আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করে থাকেন এবং এখনো পর্যন্ত আপনি কোনো কপি বা কার্ড পাননি। সেক্ষেত্রে আপনার ভোটার আইডির নাম্বার রয়েছে সে স্লিপ নাম্বার দিয়ে কিন্তু আপনি আপনার সকল তথ্য এবং আপনার একটি ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এবং সেটিকে চালিয়ে দিতে পারবেন।

  • অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য যে যে জিনিস গুলো লাগবে তা হলঃ
  • এনআইডি নাম্বার/ অথবা এনআইডি/National ID Card  স্লিপ নাম্বার
  • জন্মতারিখ
  • একটি মোবাইল নাম্বার

এই জিনিসগুলো থাকে তাহলে আপনি নিচের লিংকে ক্লিক করে আপনার রেজিস্ট্রেশন এর কাজ শুরু করতে পারেন।

https://services.nidw.gov.bd/nid-pub

এই লিংকে গিয়ে রেজিস্টার করুন এ ক্লিক করুন

এর পর নিম্নের ছবির মতো দেখতে একটি পেইজ আসবে

nid card online copy
  • এখানে জাতীয় পরিচয়পত্র / ফর্ম নম্বর, জন্মতারিখ ও ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে সাবমিটে ক্লিক করুন।
  • এর পর আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা চাইবে সেখানে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিবে দিয়ে পরবর্তীতে যাবেন।
  • সেখানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিবেন। 
  • পরবর্তীতে একটি স্কেন কোড আসবে এর জন্য আপনাকে NID Wallet নামে একটি এপস ডাউনলোড করতে হবে। (https://play.google.com/store/apps/details?id=bd.gov.nidw.nid.wallet&hl=bn&gl=US)
  • এর পর কিউআর কোড স্কেন করে আপনার ছবি স্কেন করতে হবে। 
  • এর পর আপনাকে সরাসরি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র একাউন্টে নিয়ে যাবে, সেখান থেকে আপনি এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

মোবাইল SMS এর মাধ্যমে NID Card ডাউনলোড

বর্তমান নির্বাচন কমিশনার একটি নতুন নিয়ম চালু করেছে যে যে কেউ তার স্লিপ নম্বর দিয়ে এনআইডি কার্ড /National ID Card ডাউনলোড করে নিতে পারবেন তাও আবার মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে।

আপনি যদি চান মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার এনআইডি কার্ডের /National ID Card ডাউনলোড করবেন তাহলে নিম্নোক্ত দেওয়া স্ট্রাকচার অনুযায়ী ডাউনলোড করে নিতে পারবেন

প্রথমে আপনাকে মোবাইল এসএমএস অপশনে গিয়ে এসএমএসের টাইপ করতে হবেঃ

NID <space> form no <space> Date of birth তার পর পাঠিয়ে দিতে হবে 105 নম্বরে।

উদাহরণঃ NID xxxxxxxxx dd-mm-yyyy

তারপর রিপ্লাই এসএমএস এর মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইলে আপনার আইডির সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।


জাতীয় পরিচয়পত্রের /National ID Card বিষয়ে জরুরী প্রশ্নোত্তরঃ

জাতীয় পরিচয় পত্র এর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ

প্রশ্নঃ আমার কার্ডটি হারিয়ে গেছে এখন কি করব?

উত্তরঃ যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ডটি হারিয়ে যায় তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই স্থানীয় থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। অতঃপর নির্ধারিত ফি দিয়ে অনলাইনে রি-ইস্যুর জন্য আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে 7 থেকে 10 কর্মদিবসের মধ্যে আপনার কার্ডটি অনলাইনে জেনারেট হয়ে যাবে, এবং আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ডটি সেখান থেকে ডাউনলোড করে লেমিনেটিং করে অরিজিনাল কার্ডের মত ইউজ করতে পারবেন। অথবা তাৎক্ষণিক ব্যবহার করার জন্য আপনি নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে একটি সার্ভার কপি নিয়ে নিতে পারেন এবং সেটা দিয়ে সমস্ত কাজ চালাতে পারবেন।

প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ডের তথ্য ভুল এসেছে এখন কি করবো?

উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ডটিতে যদি কোন তথ্য ভুল থাকে তাহলে আপনি নির্ধারিত ফি রকেট এর মাধ্যমে পরিশোধ করে অনলাইনে নিজে নিজেই সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার পর তিন থেকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আপনার কার্ডটি সংশোধন হয়ে যাবে এবং আপনি আপনার ইউজার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ড টি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এমতাবস্থায় আপনার জাতীয় পরিচয় কার্ডটি অরিজিনাল কার্ডের আকৃতিতে ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ তথ্য সংশোধনের জন্য কত টাকা ফি দিতে হয়?

উত্তরঃ আপনি যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) সংশোধন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে 230 টাকা রকেটের মাধ্যমে অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করে তারপর আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ আমি এখনো পর্যন্ত ভোটার হয়নি নতুন করে ভোটার হতে চাই কিভাবে করব?

উত্তরঃ আপনি যদি এখনও পর্যন্ত ভোটার হয়ে না থাকেন এবং আপনার বয়স 18 বছর হয়ে থাকে, তাহলে আপনি স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, অথবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক একটি প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে নিজে নিজেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এবং আবেদন করার পর আবেদনের কপি, একাডেমিক সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন সনদ, ও প্রত্যয়ণপত্রসহ স্থানীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দিন। অতঃপর স্থানীয় নির্বাচন কমিশন থেকে আপনার মোবাইলে একটি এস.এম.এস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেবে যে আপনার আবেদনটি সম্পন্ন হয়েছে এবং সেই সাথে আপনাকে একটি তারিখ দেবে সেই তারিখে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে আপনার এনআইডি কার্ডের জন্য ছবি, এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসতে হবে। তারপর এক বা দেড় মাসের মধ্যে আপনার  আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ডটি প্রস্তুত হয়ে যাবে। এবং আপনি সেটা অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

প্রশ্নঃ থানায় জিডি করার জন্য কোন টাকা পয়সা দিতে হবে কিনা?

উত্তরঃ আপনার এনআইডি কার্ড যদি হারিয়ে যায় সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই থানায় জিডি করতে হবে, এক্ষেত্রে আপনাকে কোন রকম টাকা দিতে হবে না।

প্রশ্নঃ আমি ভুলক্রমে একাধিক জায়গায় আমার এনআইডি কার্ড এর জন্য আবেদন করেছি?

উত্তরঃ আপনি যদি একাধিক বার জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ডের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে আপনার যেকোনো একটি কার্ড ডিএক্টিভেট অর্থাৎ রিমুভ করে দিতে হবে। অন্যথায় পরবর্তীতে আপনি যেকোন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

প্রশ্নঃ আমার জাতীয় পরিচয় পত্রের কার্ডের ছবি পরিবর্তন কিভাবে করব?

উত্তরঃ আপনি যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (National ID Card) কার্ডের ছবি পরিবর্তন করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে অনলাইনে 230 টাকা পেয়ে করে আবেদন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর আপনাকে মোবাইলে এস.এম.এসের মাধ্যমে একটি তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। সে তারিখে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে আপনার ছবিটি উঠিয়া আসবেন। অতঃপর আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ডটি নতুন ছবি দিয়ে প্রস্তুত হয়ে যাবে।

জাতীয় পরিচয় পত্র এর ব্যাপারে যদি আরো কোন তথ্য জানার থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করুন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ডের ব্যাপারে তথ্য দেব।

nid bd, nid card, Online nid bd, nid online copy, nid bd online, nid online, nid card download, nid registration