লোড হচ্ছে... | Loading...

জরুরি সেবা ও ফরম্যাট

সিভি ফরম্যাট

সহজেই ডাউনলোড করুন স্ট্যান্ডার্ড ও পেশাদার বাংলা সিভি ফরম্যাট।

দেখুন

বিভিন্ন সনদ ফরম্যাট

নাগরিক, চারিত্রিক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সনদপত্রের ড্রাফট ও ফরম্যাট।

দেখুন

বিভিন্ন আবেদনপত্র

সরকারি ও বেসরকারি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সকল আবেদনপত্রের নমুনা।

দেখুন

সর্বশেষ ব্লগ পোস্ট

Bangla CV Format বাংলা সিভি, বাংলা বায়োডাটা ফরমেট

SOS CV Generator

সহজেই তৈরি করুন প্রফেশনাল সিভি

জীবন বৃত্তান্ত

ব্যক্তিগত তথ্যাবলী

নাম: আপনার পূর্ণ নাম লিখুন
পিতার নাম: আপনার পিতার নাম
মাতার নাম: আপনার মাতার নাম
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম, ডাকঘর, উপজেলা, জেলা
বর্তমান ঠিকানা: বর্তমান যেখানে থাকছেন তার ঠিকানা
জন্ম তারিখ: দিন/মাস/বছর
জাতীয়তা: বাংলাদেশী
ধর্ম: আপনার ধর্ম
লিঙ্গ: পুরুষ / মহিলা
বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত / বিবাহিত
মোবাইল নম্বর: ০১XXXXXXXXX

শিক্ষাগত যোগ্যতা

পরীক্ষার নাম বিভাগ/বিষয় পাশের সন জিপিএ/বিভাগ বোর্ড
এস.এস.সি মানবিক ২০০৩ ৩.৫০ সিলেট
এইচ.এস.সি মানবিক ২০০৫ ৪.০০ সিলেট
বি.এ (সম্মান) রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০০৮ ২য় শ্রেণি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

কাজের অভিজ্ঞতা

১. একটি বেসরকারি সংস্থায় শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে ২ বছর কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে।

অন্যান্য দক্ষতা

  • কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন (MS Word, Excel, Internet) এ দক্ষ।
  • বাংলা ও ইংরেজিতে কথা বলা ও লিখায় পারদর্শী।

সংযুক্তি

১. পাসপোর্ট সাইজের ছবি - ২ কপি।
২. সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ফটোকপি।
৩. নাগরিকত্ব সনদপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।

_______________________

আবেদনকারীর স্বাক্ষর

Citizenship Certificate Format নাগরিকত্ব সনদপত্র

Citizenship Certificate Format
Photo: Sylhet City Corporation

Citizen Services Guide

নাগরিকত্ব সনদপত্র (Citizenship Certificate) কীভাবে পাবেন? জানুন বিস্তারিত নিয়মাবলী

ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক বিভিন্ন কাজে নাগরিকত্ব সনদপত্র একটি অপরিহার্য দলিল। বিশেষ করে যারা সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় বসবাস করেন, তাদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকার পরেও অনেক ক্ষেত্রে বর্তমান বা স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে এই সনদ প্রয়োজন হয়।

নাগরিকত্ব সনদ কেন প্রয়োজন?

নতুন ভোটার হতে

প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম ওঠাতে নাগরিকত্ব সনদ বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োজন হয়।

এনআইডি সংশোধন

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বা ঠিকানা সংশোধনের ক্ষেত্রে এটি একটি সাপোর্টিং ডকুমেন্ট।

পাসপোর্ট ও ব্যাংক

পাসপোর্ট আবেদন এবং ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় ঠিকানার সত্যতা নিশ্চিতে এটি লাগে।

আবেদন করতে যা যা প্রয়োজন

সনদ পাওয়ার জন্য আপনার সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে নিচের নথিপত্রগুলো জমা দিতে হবে:

  • ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি।
  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন বা এনআইডি কার্ডের ফটোকপি।
  • বাসা নিজেদের হলে 'হোল্ডিং ট্যাক্স' রশিদ।
  • ভাড়া বাসা হলে বিদ্যুৎ বা পানির বিলের ফটোকপি।

ধাপ অনুযায়ী আবেদন পদ্ধতি

ধাপ ১: আপনার ঠিকানার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে যান এবং আবেদন ফরম সংগ্রহ করুন।

ধাপ ২: ফরমে আপনার নাম, পিতা/মাতার নাম ও ঠিকানা নির্ভুলভাবে লিখে ছবি সংযুক্ত করুন।

ধাপ ৩: সকল কাগজ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসার দিয়ে সত্যায়িত করে জমা দিন।

ধাপ ৪: কাউন্সিলর বা ভারপ্রাপ্ত সচিবের স্বাক্ষরের পর সাধারণত ২-৩ কর্মদিবসের মধ্যে সনদটি সংগ্রহ করুন।

💡 মনে রাখা জরুরি: নাগরিকত্ব সনদ পাওয়ার জন্য কোনো সরকারি ফি নেই। তবে যাতায়াত ও সার্ভিস খরচ বাবদ ১০০-২০০ টাকা এলাকাভেদে প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া সনদের তথ্য যেন আপনার জন্ম নিবন্ধনের সাথে হুবহু মিল থাকে, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন।

তথ্যটি দরকারী মনে হলে শেয়ার করুন!

দরখাস্ত লেখার নিয়ম Application Writing Bangla

Application Writing Bangla

আবেদনপত্র বা দরখাস্ত লেখার নিয়ম ও নমুনা

দৈনন্দিন জীবনে স্কুল, কলেজ বা চাকরির প্রয়োজনে আমাদের দরখাস্ত লিখতে হয়। নিচে সহজভাবে নিয়ম ও কয়েকটি নমুনা দেওয়া হলো।

দরখাস্তে যা যা থাকতে হবে:
  • আবেদনের সঠিক তারিখ
  • প্রাপকের পদবী ও ঠিকানা
  • স্পষ্ট একটি বিষয় (Subject)
  • জনাব/স্যার বলে সম্বোধন
  • মূল বিষয়বস্তু (সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট)
  • আপনার নাম ও স্বাক্ষর

১. ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন

তারিখ: ১২/০১/২০২৬ ইং
বরাবর,
প্রধান শিক্ষক,
ক খ গ উচ্চ বিদ্যালয়।

বিষয়: বোনের বিয়ের জন্য ছুটির আবেদন।

জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন ছাত্র। আগামী ২০শে জানুয়ারি আমার বড় বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে আমি আগামী ১৮ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারব না।

অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন, আমাকে উক্ত ৫ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন।

বিনীত,
আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র,
(আপনার নাম)
শ্রেণি: ১০ম, রোল: ০১

২. চাকরির আবেদনপত্রের ফরম্যাট

তারিখ: ............
বরাবর,
ব্যবস্থাপক/পরিচালক,
(প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা)

বিষয়: [পদের নাম] পদের জন্য আবেদন।

জনাব,
গত [তারিখ] তারিখে [পত্রিকার নাম]-এ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে [পদের নাম] পদে লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার জীবনবৃত্তান্ত নিচে পেশ করছি।

(এখানে আপনার নাম, ঠিকানা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখুন)

অতএব, সবিনয় প্রার্থনা এই যে, আমার যোগ্যতা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দিতে আপনার সদয় মর্জি হয়।

নিবেদক,
(আপনার নাম ও স্বাক্ষর)

টিপস: অফিশিয়াল দরখাস্ত সবসময় সাদা (A4) কাগজে স্পষ্ট করে লিখবেন।

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

বিএমইটি থেকে পিডিও ট্রেইনিং শেষে ফি পরিশোধ করে আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে করতে হয়। জানুন কিভাবে PDO সার্টিফিকেট ডাউনলোড করবেন।

আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে Ami Probashi অ্যাপে লগইন করুন। এরপর Pre-departure Orientation অপশনে যান। Download Certificate বাটনে ক্লিক করে সার্টিফিকেট ফি 100 টাকা পেমেন্ট করুন। সবশেষে আবার Download Certificate বাটনে ক্লিক করে Ami Probashi Certiciate ডাউনলোড করতে পারবেন।

আপনার সুবিধার্থে Ami Probashi Certificate Download করার বিস্তারিত প্রক্রিয়াটি নিচে ছবিসহ দেখানো হলো। আপনি যদি এখনো আমি প্রবাসী রেজিস্ট্রেশন করে না থাকেন, Ami Probashi Registration করে নিন।

আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড Ami Probashi Certificate Download

মোবাইলে আমি প্রবাসী PDO Certificate Download করার জন্য নিচের দেখানো ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

আমি প্রবাসী এপে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন;

Pre-Departure Orientation অপশনে যান;

Download Certificate বাটনে ক্লিক করুন এবং পেমেন্ট অপশন বাছাই করুন;

মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক থেকে ১০০ টাকা পেমেন্ট করুন;

এবার, Download Certifciate বাটনে আবার ক্লিক করলে সার্টিফিকেট ডাউনলোড হবে। আপনি চাইলে এখন amiprobashi.com ওয়েবসাইট থেকেও Certificate ডাউনলোড করতে পারবেন।

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

amiprobashi.com ওয়েবসাইট থেকে সার্টিফিকেট ডাউনলোড

আমি প্রবাসী ওয়েবসাইট থেকে আমি প্রবাসী পিডিও সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে অ্যাপ থেকে সার্টিফিকেটের ফি পরিশোধ করতে হবে। তারপর নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

ভিজিট করুন amiprobashi.com;

Menu থেকে পিডিও > সার্টিফিকেট ডাউনলোড ক্লিক করুন;

Passport Number দিন;

Captcha পূরণ করে Search করুন;

Certificate এর PDF ফাইল ডাউনলোড করুন।

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

Ami Probashi এনরোলমেন্ট কার্ড ডাউনলোড

Pre-departure Orientation সেশন বুক করার পরে আপনি একটি এনরোলমেন্ট কার্ড পাবেন। ট্রেনিং ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার জন্য কার্ডটি প্রয়োজন হবে। অনলাইন থেকেও পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে এনরোলমেন্ট কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয় পত্র এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং নিয়ে আপডেট পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন – eservicesbd.com এবং আমাদের ফেসবুক পেইজ ফলো করুন- Eservicesbd।

আমি প্রবাসী ট্রেনিং সার্টিফিকেট ডাউনলোড

আমি প্রবাসী ট্রেনিং সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার জন্য Ami Probashi অ্যাপে লগইন করুন অথবা ভিজিট করুন amiprobashi.com। এরপর মেন্যুতে Training Certificate অপশন থেকে Housekeeping Certificate Download ক্লিক করে ট্রেনিং সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন।

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার আবেদন পদ্ধতি New NID Application in Bangladesh

New NID Application in Bangladesh

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম কি? নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য কি কি উপায়ে আবেদন করা যায় এবং নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দিতে হয় সে বিষয়ে অনেকের সুস্পষ্ট ধারণা নেই। তাই নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার ক্ষেত্রে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ে থাকেন। বর্তমান সময়ে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করা বা নতুন ভোটার হওয়া খুবই সহজ। আপনারা চাইলে খুব সহজে অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার আবেদন করে খুব দ্রুতই ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। নতুন ভোটারের জন্য আবেদন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবো এই পোষ্টের মাধ্যমে। 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার আবেদন দুই ভাবে করা যায়।

প্রথমত, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন ফরম ২ সংগ্রহ করে তা পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে পিন করে অফিসে জমা দিলে নতুন ভোটার হওয়া যায়। তবে তার জন্য আগে অফিসে যেতে হবে ফরম সংগ্রহ করতে হবে তারপর ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে তারপর কাগজপত্র সমেত আবার অফিসে জমা দিয়ে আসতে হবে। 

মনে রাখবেন নতুন ভোটার আবেদন ফরম অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা যায় না। নতুন ভোটার আবেদন ফরম এর উপর একটি করে ইউনিক নম্বর থাকে বিধায় অনলাইন থেকে ডাউনলোড করলে তা ডুপ্লিকেট হয়ে যায়। ফলে পরবর্তীতে নানা ধরণের বিপদে পড়তে হয়। সুতরাং অফিসে আবেদন করে ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইন থেকে নতুন ভোটার আবেদন ফরম ডাউনলোড কখনোই করবেন না

দ্বিতীয়ত, অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করা যায়। ঘরে বসে নিজেই নিজের আবেদন অনলাইনে দাখিল করে কাগজপত্র সমেত অফিসে জমা দিলে অফিসে বার বার যাওয়া-আসার সময় ও কষ্ট উভয়ই লাঘব হয়। অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম খুবই সহজ। তাই অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন কিভাবে দাখিল করতে হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করবো। 

অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন:-

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ভিজিট করতে হবে services.nidw.gov.bd। এই ঠিকানায় ভিজিট করলে নিচের ছবির মত একটি ওয়েব সাইট আসবে। 


নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করতে হবে। পেজটি লোড হয়ে নিচের ছবির মত একটি ফরম আসবে। 


এই ফরমে প্রথমে আবেদনকারীর নাম ইংরেজিতে লিখতে হবে। তারপর আবেদনকারীর জন্ম তারিখ লিখতে হবে। তারপরের ঘরে ক্যাপচা লিখতে হবে। ক্যাপচাটি যেমন দেখা যাবে হুবহু তাইল লিখতে হবে, ভুল হলে হবে না। তারপর বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পেজটি লোড হয়ে নিচের ছবির মত একটি পেজ আসবে। 


এই পেজে আবেদনকারীর সঠিক মোবাইল নম্বর লিখতে হবে এবং বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে মোবাইলে ৬ সংখ্যার একটি কোড আসবে।


মোবাইলে প্রাপ্ত ৬ সখ্যার যাচইকরণ কোটটি লিখে বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পেজটি লোড হয়ে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড সেট করার অপশনে নিয়ে যাবে। যেমনটি নিচের ছবিতে দেখতে পারছেন। 


এখনে একটি ইউজার নেম দিতে হবে। যদি না দিতে চান ক্ষতি নেই তবে দেয়া ভালো। তারপরের ঘরে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে এবং তারপরে ঘরে পুনরায় একই পাসওয়র্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ডটি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে পরবর্তীতে একাউন্টে লগইন করতে হলে এই পাসওয়ার্ডটি প্রয়োজন হবে। তারপর বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই একাউন্ট তৈরী হয়ে  যাবে এবং নিচের ছবির মত প্রোফাইটি দেখা যাবে। 


নতুন ভোটার আবেদন করার জন্য এখান থেকে প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করলে ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য এবং ঠিকানা এই তিন প্রকার তথ্য প্রদান করার জন্য বলা হবে। ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য ও ঠিকানা আপডেট করার জন্য এডিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। 


এডিট বাটনে ক্লিক করলে অনেক বড় একটি ফরম ওপেন হবে। তারমধ্যে উপরের ছবিতে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি দেখতে পারছেন। অনুরুপভাবে আপনাকেও এই ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর ইংরেজি নাম, জন্ম তারিখ ও জাতীয়তা সিলেক্ট করাই থাকবে। শুধু বাংলা নাম লিঙ্গ, রক্তের গ্রুপ, জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্মস্থান সিলেক্ট করবেন। 


একই ফরমের ব্যক্তিগত তথ্যের নিচে পিতা, মাতা ও বড় ভাইয়ের তথ্য সিলেক্ট করতে হবে। পিতা যদি মৃত হন তাহলে মৃত টিক চিহ্ন দিতে হবে এবং মৃত্যুর সাল লিখে দিতে হবে। তারপর পিতার নাম বাংলায় ও ইংরেজি লিখতে হবে। পিতার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নম্বর একটি লিখলেই হয়। 

অনুরুপভাবে মাতার তথ্যাদির ক্ষেত্রেও মৃত হলে টিক চিহ্ন দেবেন এবং মৃত্যু সাল লিখে দেবেন অথবা মৃত না হলে টিক চিহ্ন দেয়া লাগবে না। তারপর মাতার বাংলা নাম, ইংরেজি নাম এবং এনআইডি নম্বর অথবা ভোটার নম্বর লিখে দেবেন।

বড় ভাই/বোনের তথ্যের স্থানে আবেদনকারীর বড় ভাই অথবা বোনের নাম ও এনআইডি নম্বর লিখে দেবেন। যদি আবেদনকারীর বড় ভাই/বোন না থাকে তাহলে লেখার দরকার নেই। 


ব্যক্তিগত তথ্যাদি ফরমের নিচের দিকে আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রীর তথ্য দিতে হবে। আবেদনকারী যদি বিবাহিত হন তাহলে বৈবাহিক অবস্থা বিবাহিত সিলেক্ট করতে হবে এবং স্বামী/স্ত্রীর নাম, এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। আবেদনকারীর যদি একাধিক স্বামী/স্ত্রী থাকে তাহলে পর্যায়ক্রমে সকলের নাম ও এনআইডি নম্বর উল্লেখ করতে হবে। যদি আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রী মৃত হয় তাহলে মৃত্যুর সাল উল্লেখ করতে হবে। 

ব্যক্তিগত তথ্যাদি পূরণ করা হয়ে গেলে অন্যান্য তথ্য পূরণ করতে হবে।


অন্যান্য তথ্যের মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, অসমর্থতা, সনাক্তকরণ চিহ্ন, টিন নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, ধর্ম টেলিফোন নম্বর ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হয়। আবেদনকারী তার তথ্য অনুযায়ী ফরমটি পূরণ করবেন। তবে যদি কোন অসমর্থতা আবেদনকারীর না থাকে, তাহলে এই ফিল্ড পূরণ করা যাবে না। ভুল করেও যদি কোন অসমর্থতা উল্লেখ হয়ে যায় তাহলে পরবর্তীতে ভোগান্তির শেষ থাকবে না। 

অন্যান্য তথ্য পূরণ করা হয়ে গেলে ঠিকানা পূরণ করতে হবে।  


প্রথমে অবস্থানরত দেশের নাম সিলেক্ট করতে হবে। তারপর বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা সিলেক্ট করে দিতে হবে। আবেদনকারীর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যদি আলাদা হয় সেক্ষেত্রে আলাদা সিলেক্ট করতে হবে। তারপর ভোটার এরিয়া সিলেক্ট করতে হবে। ভোটার এরিয়া হচ্ছে যে এলাকা/গ্রাম/মহল্লার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে ইচ্ছু সেই এলাকার নাম সিলেক্ট করতে হবে। ভুল হলে ভুল তালিকায় নাম চলে যাবে। 

ঠিকানার ফিল্ড পূরণ করা হয়ে গেলে উপরে ডান পাশে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করতে হবে। 

 

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর কাগজপত্র আপলোড করার অপশন আসবে। কিন্ত এখানে কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই বলছে। তার মানে এই নয় যে, নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে কাগজপত্র লাগবে না। অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে তবে আবেদন অফিসে জমা দেয়ার সময়। এখান থেকে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করতে হবে। 


নিশ্চিত করুন অপশনে আসার পর সাবমিট করতে হবে। সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে পেজটি লোড হয়ে প্রোফাইল অপশনে নিয়ে যাবে এবং ডাউনলোড বাটন দেখা যাবে। ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে ২ নং ভোটার নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড হবে। ফরমটি প্রিন্ট করে নিতে হবে। ফরম প্রিন্ট করার পর কিছু জরুরী কাজ আছে যা অবশ্যই করতে হবে। 


কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়া ভোটার আইডি কার্ড এর জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই ফরমের অপর পাতায় আবেদনকারীর স্বাক্ষর/টিপসহি দিতে হবে। ৩৪ ও ৩৫ নং ক্রমিকে চেনা জানা বা প্রতিবেশি একজন ভোটারের এনআই্ডি নম্বর ও তার স্বাক্ষর নিতে হবে (বাধ্যতামূলক)। 

৪০, ৪১ ও ৪২ নং ক্রমিকে এলাকার জনপ্রতিনিধী যেমন, চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র অথবা ওয়ার্ড মেম্বর/ওয়ার্ড কাউন্সিলর/মহিলা মেম্বর ইত্যাদি এদের যেকোন একজন এর নাম, এনআইডি নম্বর এবং স্বাক্ষর নিতে হবে এবং অব্যশ্যই তাদের স্বাক্ষরের নিচে সীল ব্যবহার করতে হবে (বাধ্যতামূলক)। 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ

অনেকেরই প্রশ্ন যে, নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে? একজন নতুন ব্যক্তির নতুন ভোটার হতে হলে বেশ কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয়। নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমে ভোটারে যে সকল তথ্য লেখা হয় সেই তথ্যের স্বপক্ষে কাগজপত্র জমা দিতে হয়। নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে সে বিষয়ে নিম্নে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হলো।

❖❖ জন্ম নিবন্ধন সনদ: আবেদনকারীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (বাধ্যতামূলক)।

❖❖ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান সনদ। প্রয়োজনে এসএসসি সনদের সাথে সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদটি জমা দিতে পারেন। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জমা দেয়ার প্রয়োজন নেই।

 ❖❖ পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি: আবেদনকারীর পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। যদি পিতা-মাতা বেচে না থাকে তাহলে তাদের মৃত্যু সনদ জমা দিতে হবে।

❖❖ বৈবাহিক সনদ ও NID কার্ডের কপি: আবেদনকারী বিবাহিত হলে আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের কপি এবং কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

❖❖ রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট: আবেদনকারীর রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট আবেদনের সাথে জমা দিতে হয়।। এটি বাধ্যতামূলক না তবে জমা দিতে পারলে ভালো।

❖❖ প্রতয়নপত্র: চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/ওয়ার্ড মেম্বর/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র।

❖❖ নাগারিক সনদ: আবেদনকারীর নাগরিকত্বের সনদ (বাধ্যতামূলক)।

❖❖ ইউটিলিটি বিলের কপি: বিদ্যুৎ বিল/পানি বিল/গ্যাস বিলের কপি (বাধ্যতামূলক)। বাড়ীর যেকোন একজন সদস্যের নামে হলেই হবে।

❖❖ ট্যাক্স রশিদ: চৌকিদারী ট্যাক্স রশিদ/পৌর করের রশিদ/বাড়ী ভাড়ার রশিদ (বাধ্যতামূলক)। বাড়ীর যেকোন একজন সদস্যের নামে হলেই হবে।

❖❖ অঙ্গীকারনামা: পূর্বে ভোটার হইনি মর্মে অঙ্গীকারনামা। যাদের বয়স অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক।

❖❖ পাসপোর্ট: আবেদনকারী যদি পাসপোর্টধারী বা প্রবাসী হয়ে থাকেন তাহলে পাসপোর্টের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। (যদি থাকে)।

❖❖ ড্রাইভিং লাইসন্স: আবেদনকারীর যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকে তাহলে তার একটি কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। (যদি থাকে)। 

নতুন ভোটার হতে যা যা লাগবে সেগুলো উল্লেখ করা হলো। উল্লেখিত কাগজপত্রের মধ্যে যে কাগজগুলো আপনার আছে সেগুলো  নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম ২ এর সাথে পিন-আপ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী কাগজপত্র দাখিল করা যেতে পারে। আশা করি নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ বোঝাতে পেরেছি।

অফিস থেকে ছবি, স্বাক্ষর, হাতের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করে নেয়ার পর আপনাকে নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম ২ এর নিচের অংশ কেটে দেবে। আপনি নতুন ভোটার নিবন্ধন স্লিপটি নিয়ে বাড়িতে চলে আসবেন এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার মোবাইল নম্বর এসএমএস এর মাধ্যমে ১০ সংখ্যার স্মার্ট এনআইডি নম্বর পাঠানো হবে। এনআইডি নম্বর হাতে পাওয়ার পর অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা যাবে। ভোটার আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করার পর প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।  

Teacher Joining Letter Format, Joining Letter Doc

Teacher Joining Letter Format, Joining Letter Doc

চাকরিতে যোগদান পত্রের নমুনা ও নিয়ম

Job Joining Letter Format (English & Bengali)

চাকরিতে যোগদান পত্রের নমুনা বা চাকরিতে যোগদান পত্র লেখার নিয়ম (Job Joining Letter Format) সম্পর্কে আজকে আমরা বিস্তারিত জানবো। আমাদের চাকুরী ক্ষেত্রে অনেক পারপাসে যোগদান পত্র (Joining Letter) লিখতে হয়। যেমন- স্কুলে যোগদান পত্র, শিক্ষক পদে যোগদান, সরকারি বা বেসরকারি কোম্পানিতে জয়েনিং লেটার ইত্যাদি।

English Format

Date: [Current Date]

To,
The Head Master / Authority Name
[School/Institution Name]
Thana: [...........] , District: [...........]

Sub: Joining Letter.

Dear Sir,
In response to your appointment letter, Ref. No. [Appointment Letter No.] Dated [Letter Date], I am joining under your kind disposal as an "[Post Name]" conforming the rules and regulations of the Institution.

Therefore, I hope that you would kindly accept my joining letter as prayed for and thus provide me an opportunity to prove my potentiality.

Yours faithfully,
(Signature)
Name: [....................]
Post Name: [Your Designation]

চাকরিতে যোগদান পত্র লেখার নিয়ম

আজকে এই পোষ্টের মাধ্যমে যোগদান পত্রের নমুনা বা ফরমেট দেওয়া হলো। এগুলো দেখে আপনারা বুঝতে পারবেন কিভাবে একটি প্রফেশনাল জয়েনিং লেটার লিখতে হয়। যোগদানপত্রটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) এ লিখে তারপর প্রিন্ট করা সবচেয়ে ভালো।

বাংলা ফরম্যাট

তারিখঃ [আজকের তারিখ]

বরাবর,
[প্রধানের পদবী ও নাম]
[প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা]

বিষয়ঃ নিয়োগ প্রাপ্ত কাজে যোগদানপত্র।

জনাব,
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, আপনাদের নিয়োগ পত্র নং: "[নম্বর]" তারিখঃ "[তারিখ]" ইং মোতাবেক আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী অদ্য "[যোগদানের তারিখ]" (পূর্বাহ্নে) আপনাদের প্রতিষ্ঠানে আমার নিয়োগকৃত কাজে যোগদান করিলাম।

অনুগ্রহ পূর্বক আমার কাজে যোগদানপত্র খানা গ্রহণ করিবার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হইল।

আপনার বিশ্বস্ত,
(স্বাক্ষর)
নামঃ [আপনার নাম]
পদের নামঃ [পদবী]

জরুরী কিছু টিপসঃ

  • যোগদান পত্রে অবশ্যই নিয়োগপত্রের রেফারেন্স নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করবেন।
  • সাধারণত সকালের শিফটে যোগ দিলে "পূর্বাহ্নে" শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
  • যোগদান পত্রের অন্তত দুই কপি ফটোকপি করে রাখবেন (এক কপি নিজের জন্য)।
আশা করি এই পোস্টটি আপনার চাকরিতে যোগদানের প্রক্রিয়াকে সহজ করবে। ধন্যবাদ।

অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই- ই-পর্চা eporcha gov bd

eporcha gov bd

সহজেই ভূমি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছাতে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় ই-পর্চা (www.eporcha.gov.bd) ওয়েবসাইট উদ্ভধন করেছে। এই ওয়েবপোর্টাল ব্যবহার করে ভূমি সংক্রান্ত সেবা গ্রহন করা যাবে। কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট সংযোগে ভূমিসেবা গ্রহণ করতে কোন প্রকার দালাল কিংবা মধ্যস্ততা প্রয়োজন নেই। সিএস, এস এ, আরএস সহ যে কোন খতিয়ান দেখা কিংবা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করা যাবে এই ওয়েবসাইটে। বিনামূল্যে যে কোন খতিয়ানে অনলাইন কপি তাতক্ষণিকভাবে নিতে পারবেন এখান থেকে।

যদি কোন খতিয়ান যাচাই করার প্রয়োজন হয়, তাহলে কোন প্রকার টাকা খরচ ছাড়াই খুব সহজেই যাচাই করে নিতে পারেন। খতিয়ান নং বা দাগ নং বা জমির মালিকের নাম বা মালিকের পিতার নাম দিয়ে সার্চ করে যে কোন খতিয়ান (আরএস, এস এ, সিএস) দেখা যাবে।

সাম্প্রতিকালে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় ই-পর্চা (www.eporcha.gov.bd) ওয়েবসাইট উদ্ভধন করেছে। এই ওয়েবপোর্টাল ব্যবহার করে ভূমি সংক্রান্ত সেবা গ্রহন করা যাবে। কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট সংযোগে ভূমিসেবা গ্রহণ করতে কোন প্রকার দালাল কিংবা মধ্যস্ততা প্রয়োজন নেই। সিএস, এস এ, আরএস সহ যে কোন খতিয়ান দেখা কিংবা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করা যাবে এই ওয়েবসাইটে। অল্পকিছু টাকার বিনিময়ে যে কোন খতিয়ানে অনলাইন কপি তাতক্ষণিকভাবে নিতে পারবেন এখান থেকে।

অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই

সাধারণত যারা জমি ক্রয় করবেন তারা এখন খুব সহজেই ক্রয়কৃত জমির খতিয়ান অনলাইনে যাচাই করে নিতে পারেন। এজন্য মোবাইল কিংবা পিসিতে যে কোন ব্রাউজার ওপেন করে টাইপ করুন www.eporcha.gov.bd । ই পর্চা সাইট ওপেন হলে নেভিগেশন মেনু থেকে নাগরিক কর্ণার বাটন ক্লিক করুন। নিচের মত একটি ফরম আসবে।

eporcha gov bd

অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই- ই-পর্চা www.eporcha.gov.bd

এখানে বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের টাইপ (সি এস, এস এ, আর এস ইত্যাদি), উপজেলা, মৌজা সিলেক্ট করুন। খতিয়ান নং ঘরে খতিয়ান নাম্বার এবং ক্যাপচা কোড লিখুন ঘরে পাশের ক্যাপচা নাম্বার লিখে অনুসন্ধান করুন বাটনটি ক্লিক করুন। আপনার দেওয়া তথ্য সঠিক থাকলে নিচে জমির মালিকের নাম দেখাবে। আবেদন বাটন ক্লিক করে খতিয়ানের অনলাইন কপি কিংবা সাটিংফাইড কপি নিতে পারবেন।

অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই- ই-পর্চা www.eporcha.gov.bd

এখানে বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের টাইপ (সি এস, এস এ, আর এস ইত্যাদি), উপজেলা, মৌজা সিলেক্ট করুন। 

খতিয়ানের অনলাইন কপি দিয়ে আপনি জমির মালিকানা যাচাইসহ ব্যবহারিক কাজ সেরে নিতে পারেন।

ই-পর্চা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজেই জমির মালিকানা বের করতে পারেন।

খতিয়ান বা পর্চা কত প্রকার?

আমাদের দেশে সাধারণত চার ধরনের খতিয়ান রয়েছে। আপনার জানার সুবিধার্থে আমরা এখানে উল্লেখ করে দিচ্ছি।  যারা ভূমি বিষয়ে অভিজ্ঞ তারা অবশ্যই এটি সম্পর্কে অবগত।

  • সিএস খতিয়ান। (Cadastral Survey)
  • এসএ খতিয়ান । (State Acquisition Survey)
  • আরএস খতিয়ান। (Revisional Survey)
  • বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ। (City Survey)
সি এস খতিয়ান / C. S.
1940 সালে, ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ জরিপ করে যে C. S ব্যবহারের সাহায্যে খাতা তৈরি করা হয় তাকে খতিয়ান হিসাবে উল্লেখ করা হয়। আমাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, এটিকে এক নম্বর লেজার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

এস. একটি খাতা / S. A ledger
পাকিস্তান দৈর্ঘ্যের জন্য, একটি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950-এর আমাদের অধ্যায়ের ষোল থেকে 31 তম অধ্যায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, 1958-60-এর মধ্যে প্রস্তুতকৃত খাতাকে বলা হয় এস। এটি (রাজ্য অধিগ্রহণ) খতিয়ান হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

আর এস খতিয়ান / R. S. Khatian
আগাম প্রস্তুত করা খাতার ভিতরের ত্রুটিগুলি সঠিক করার জন্য একটি নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে খাতাটি প্রস্তুতে পরিবর্তিত হয়েছে। এস (রিভিশনাল সার্ভে) খতিয়ান নামে পরিচিত।

B. S. খতিয়ান/ মহানগর জরিপ / B. S. Khatian / town Survey
1998-99 থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অব্যাহত জরিপ খ. এস বলে খতিয়ান বা মহানগর জরিপ। এই খাতা প্রস্তুত থাকার কাজ ঘটছে অবশেষ। 

খতিয়ানের অনলাইন কপি কিভাবে নিতে হয়

খতিয়ানের অনলাইন কপি দিয়ে আপনি জমির মালিকানা যাচাইসহ ব্যবহারিক কাজ সেরে নিতে পারেন। তবে আইন-আদালত করতে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপির প্রয়োজন। খতিয়ানে অনলাই কিংবা সার্টিফাইড কপি নিতে এখন আর আপনাকে জেলা রেকর্ড রুমে ধর্না দিতে হবে না। কোন প্রকার দালালের চক্র পড়ে হয়রানি কিংবা আর্থিক ক্ষতি হওয়ার ভয় এখন আর নেই। আপনার হাতের স্মার্টফোন দিয়েই এখন জমির খতিয়ান নিতে পারবেন কারো সাহায্য ছাড়াই। উপরের নিয়মের মতই ভিজিট করুন eporcha.gov.bd । 

খতিয়ান অনুসন্ধান eporcha gov bd khatian

  • প্রথমে ভিজিট করুন https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel
  • বিভাগ নির্বাচনঃ এখানে বিভাগ নির্বাচন করতে হবে।
  • জেলা নির্বাচনঃ এখানে আপনার জেলা নির্বাচন করুন।
  • খাতিয়ান টাইপ নির্বাচনঃ কোন ধরনের খতিয়ান বের করতে চান তা এখান থেকে নির্বাচন করুন।
  • উপজেলা নির্বাচন করুনঃ কোন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।
  • মৌজা নির্বাচন করুনঃ আপনার মৌজার নাম দিন এখানে।
  • খতিয়ান নংঃ আপনি যে জমির খতিয়ানটি বের করতে তার নম্বরটি এখানে দিন।
  • দাগ নাম্বারঃ যদি দাগ জানা থাকে এখানে দিন।
  • মালিকানা নামঃ জমির মালিকের নাম জানা থাকলে এখানে দিন।
  • পিতা/স্বামীর নামঃ পিতা/স্বামীর নাম জানা থাকলে তা এখানে নির্বাচন করুন।
  • ক্যাপচা কোড লিখুনঃ এখানে উল্লিখিত ক্যাপসা কোডটি হুবহু ফাঁকা জায়গাতে টাইপ করুন।
  • সর্বশেষে, উপরে প্রদানকৃত সকল তথ্য সঠিক থাকলে, অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করুন।

ই খতিয়ান যাচাই ও খতিয়ান অনুসন্ধান

eporcha gov bd

  • প্রথমে ভিজিট করুন https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel 
  • বিভাগ নির্বাচনঃ আপনার নিজস্ব বিভাগ এখানে নির্বাচন করতে হবে।
  • জেলা নির্বাচনঃ আপনি কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।
  • খাতিয়ান টাইপ নির্বাচনঃ আপনি মুলত কোন ধরনের খতিয়ান বের করতে চান তা নির্বাচন করুন।
  • উপজেলা নির্বাচন করুনঃ আপনি কোন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।
  • মৌজা নির্বাচন করুনঃ আপনার মৌজার নাম কি তা নির্বাচন করুন।
  • খতিয়ান নংঃ আপনি যে জমির খতিয়ামটি বের করতে তা এখানে সিলেক্ট করুন।
  • দাগ নাম্বারঃ যদি আপনার জমির দাগ নাম্বারটি থেকে থাকে তাহলে এখানে সিলেক্ট করুন।
  • মালিকানা নামঃ মালিকানা নাম যদি থাকে তাহলে এখানে মেনশন করুন
  • পিতা/স্বামীর নামঃ পিতা/স্বামীর থাকলে তা এখানে নির্বাচন করুন।
  • ক্যাপচা কোড লিখুনঃ এখানে উল্লিখিত ক্যাপসা কোডটির অনুরুপ ফাঁকা জায়গাতে টাইপ করুন।
  • সর্বশেষে, উপরোক্ত তথ্য গুলো দিয়ে পুরোন করা হলে অনুসন্ধান অপশনে ক্লিক করুন।

জমির মালিকানা বের করার উপায়

ই-পর্চা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজেই জমির মালিকানা বের করতে পারেন। এখানে রয়েছে জমির মালিকের নাম কিংবা মালিকের পিতার নাম কিংবা খতিয়ান নাম্বার কিংবা জমির দাগ নাম্বার দিয়ে সার্চ করার সুবিধা। মালিকের নাম কিংবা মালিকের পিতার নাম ‍দিয়ে সার্চ দিলে ঐ মালিকের কতগুলো খতিয়ান রয়েছে তার সবগুলো নিচে দেখাবে। আর খতিয়ান বা দাগ নাম্বার দিয়ে সার্চ দিলে শুধুমাত্র ঐ দাগের খতিয়ানটি দেখা যাবে।

বিনামূল্যে জমির খতিয়ান (ই-পর্চা) ডাউনলোড - eporcha gov bd

ই-পর্চা জমির খতিয়ান ডাউনলোড করতে  www.eporcha.gov.bd এই ওয়েবসাইটে। উপরোক্ত দেখানো নিয়ম অনুযায়ী সকল কাজ সম্পন্ন করলে আপনি আপনার ড্যাশবোর্ডে ই-পর্চা পেয়ে যাবেন। এর জন্য কষ্ট করে আপনাকে অফিসে যেতে হবে না। আপনি ঘরে বসে eporcha gov bd ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে এটি পেতে পারেন।

ভূমি সেবার হটলাইন নাম্বার

ভূমি সংক্রান্ত অনেক বিষয় আপনার জানার প্রয়োজন হতে পারে। গ্রামের দেওয়ানী কিংবা মাতবরের কাছ থেকে সঠিক তথ্য নাও পেতে পারেন। তাই আমাদের পরামর্শ হচ্ছে যে কোন বিষয় বা জমি সংক্রান্ত যে কোন সমস্যার জন্য কল করুন ভূমি সেবা হট লাইনে। ভূমি সেবার হট লাইন নাম্বার হচ্ছে - 16122

e porcha bd

www eporcha.gov.bd 2023 ই পর্চা জমির খতিয়ান, পর্চা ডাউনলোড, আবেদন, eporcha gov bd | RS khatian ভূমি সেবা, খতিয়ান, মৌজা ম্যাপ 2023

eporcha gov bd এটি ই পর্চা সংক্রান্ত একটি সরকারি ওয়েব পোর্টাল। এই ওয়েবসাইট ভিজিটের মাধ্যমে আপনি অতি সহজে জমির মালিকানাসহ খতিয়ান ও দাগ সম্পর্কিত বিষয় জানতে পারবেন। আপনি www eporcha gov bd ওয়েবসাইট বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে ভিজিট করতে পারবেন। কোন সমস্যা ছাড়া www eporcha gov bd ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং জমি সংক্রান্ত বিষয় এখন ঘরে বসেই জেনে নিন।

জমির মালিক বের করবো কি ভাবে ?

জমির মালিক জানতে হলে বা জমির মালিক বের করতে হলে ই-পর্চা ওয়েব সাইটে বা খতিয়ান অনুসন্ধান সার্চ করে আপনি খুব সহজেই জমির মালিক বের করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয় আপনার জানা থাকতে হবে। যেমন খতিয়ান অনুসন্ধানে গিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় উপজেলা জেলা এবং মৌজার নাম লিখতে হবে। তার পরে রেকর্ডিও মালিকের সঠিক নাম অথবা রেকডিও মালিকের পিতার সঠিক নাম, এগুলো দিয়ে সার্চ করলে আপনি ঐ নামে কতো গুলো খতিয়ান আছে পেয়ে যাবেন। আবার জমির দাগ অথবা খতিয়ান লিখে সার্চ করে শুধুমাত্র ঐ খতিয়ান বা দাগের মালিকের নাম দেখাবে।

এখন ঘরে বসেই আপনি জমির পর্চার সার্টিফাইড কপি বা জমির যে কোনো সার্টিফাইড কপি পেয়ে যান।

এখন ঘরে বসেই আপনি জমির পর্চার সার্টিফাইড কপি বা জমির যে কোনো সার্টিফাইড কপি পেতে পারেন। আপনি আপনার কাজের চাপে কিংবা অফিসের কাজের চাপে  ‍ভূমি সেবার জন্য ভূমি অফিসে যে পারছেন না। কোনো অসুবিধা নেই খতিয়ান অনুসন্ধানে ই-পর্চা ওয়েব সাইটে গিয়ে আবেদন করে আপনি ঘরে বসেই আপনার সার্টিফাইড কপি পেতে পারেন। আপনি শুধু ডাক যোগে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি পেতে চান লিখে আবেদন করুন। জরুরী বিত্তিতে পেতে আবেদনের সময় জরুরী অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে দিন।

ePorcha সংক্রান্ত FAQ’S

জমির পর্চা কি?

সরকার নির্ধারিত জমিজমার যাবতীয় বিবরণসহ সরকারি দলিল বা কাগজকে খতিয়ান বলে। আর এ খতিয়ানে বিদ্যমান রয়েছে মৌজার দাগ মোতাবেক জমির মালিকের নাম, পিতার নাম, মালিকানা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য, ঠিকানা, জমির বিষদ বিবরণ এবং সীমানা ইত্যাদির হিসাব। উল্লেখিত খতিয়ানের যাবতীয় তথ্যাদি সংবলিত কাগজটিকেই পর্চা বলা হয়।

জমির ই-পর্চা (eporcha) কিভাবে দেখা যায়?

ভিজিট করুন https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel তারপর ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করে সাবমিট করার মাধ্যমে e porcha দেখা যাবে।

আপনি পরবর্তীতে এ লেখাটি গুগলে খুঁজে পেতে চাইলে সার্চ বারে লিখুন- e porcha, e porcha gov bd, e porcha bd, e porcha land gov bd, eporcha, eporcha gov bd অথবা বাংলায় লিখুন ই পর্চা।

ভূমি সংক্রান্ত আরোঃ ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ mutation land gov bd