লোড হচ্ছে... | Loading...

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

বিএমইটি থেকে পিডিও ট্রেইনিং শেষে ফি পরিশোধ করে আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে করতে হয়। জানুন কিভাবে PDO সার্টিফিকেট ডাউনলোড করবেন।

আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে Ami Probashi অ্যাপে লগইন করুন। এরপর Pre-departure Orientation অপশনে যান। Download Certificate বাটনে ক্লিক করে সার্টিফিকেট ফি 100 টাকা পেমেন্ট করুন। সবশেষে আবার Download Certificate বাটনে ক্লিক করে Ami Probashi Certiciate ডাউনলোড করতে পারবেন।

আপনার সুবিধার্থে Ami Probashi Certificate Download করার বিস্তারিত প্রক্রিয়াটি নিচে ছবিসহ দেখানো হলো। আপনি যদি এখনো আমি প্রবাসী রেজিস্ট্রেশন করে না থাকেন, Ami Probashi Registration করে নিন।

আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড Ami Probashi Certificate Download

মোবাইলে আমি প্রবাসী PDO Certificate Download করার জন্য নিচের দেখানো ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

আমি প্রবাসী এপে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন;

Pre-Departure Orientation অপশনে যান;

Download Certificate বাটনে ক্লিক করুন এবং পেমেন্ট অপশন বাছাই করুন;

মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক থেকে ১০০ টাকা পেমেন্ট করুন;

এবার, Download Certifciate বাটনে আবার ক্লিক করলে সার্টিফিকেট ডাউনলোড হবে। আপনি চাইলে এখন amiprobashi.com ওয়েবসাইট থেকেও Certificate ডাউনলোড করতে পারবেন।

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

amiprobashi.com ওয়েবসাইট থেকে সার্টিফিকেট ডাউনলোড

আমি প্রবাসী ওয়েবসাইট থেকে আমি প্রবাসী পিডিও সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে অ্যাপ থেকে সার্টিফিকেটের ফি পরিশোধ করতে হবে। তারপর নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

ভিজিট করুন amiprobashi.com;

Menu থেকে পিডিও > সার্টিফিকেট ডাউনলোড ক্লিক করুন;

Passport Number দিন;

Captcha পূরণ করে Search করুন;

Certificate এর PDF ফাইল ডাউনলোড করুন।

PDO Certificate Download আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড

Ami Probashi এনরোলমেন্ট কার্ড ডাউনলোড

Pre-departure Orientation সেশন বুক করার পরে আপনি একটি এনরোলমেন্ট কার্ড পাবেন। ট্রেনিং ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার জন্য কার্ডটি প্রয়োজন হবে। অনলাইন থেকেও পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে এনরোলমেন্ট কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয় পত্র এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং নিয়ে আপডেট পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন – eservicesbd.com এবং আমাদের ফেসবুক পেইজ ফলো করুন- Eservicesbd।

আমি প্রবাসী ট্রেনিং সার্টিফিকেট ডাউনলোড

আমি প্রবাসী ট্রেনিং সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার জন্য Ami Probashi অ্যাপে লগইন করুন অথবা ভিজিট করুন amiprobashi.com। এরপর মেন্যুতে Training Certificate অপশন থেকে Housekeeping Certificate Download ক্লিক করে ট্রেনিং সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন।

ABC License Certificate কি? কিভাবে কোথায় এবিসি লাইসেন্স পাবেন?

ABC License Certificate

What is ABC License? ক, খ, গ লাইসেন্স কি?

মূলকথা হচ্ছে ABC লাইসেন্স এর কোন পূর্ণ রুপ নেই, এটি দ্বারা একটি শ্রেণীকে বোঝানো হয়েছে।  যেমন- A লাইসেন্স এর জন্য আপনার সাব স্টেশন সম্পর্কে ভালো জানা থাকতে হবে, B লাইসেন্স এর জন্য মোটর সম্পর্কে ভালো জানা থাকতে হবে এবং C লাইসেন্স এর জন্য আপনার ওয়ার্কিং সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

সুতরাং ABC দ্বারা লাইসেন্স ক্যাটাগরিকে বুঝানো হয়ে থাকে। আপনি চাইলে আলাদা আলাদা আবেদন করতে পারেন আবার এক সাথেও Apply করতে পারেন।

ABC License হচ্ছে মূলত Electrical Supervisor License এক কথায় এটি একটি সরকারি লাইসেন্স। একজন Diploma কিংবা B.Sc Engineer চাইলেই এই License  এর মালিক হতে পারে।

What is License Category? লাইসেন্স ক্যাটাগরি কি?

আগেই বলা হয়েছে ABC দ্বারা লাইসেন্স ক্যাটাগরিকে বোঝানো হয়ে থাকে। যেমন-

A= High Range ( 440 Voltage থেকে ওপরে যে কোন High Voltage এর কাজ)

B= Medium Range (220 to 440 Voltage এর কাজ)

C= Low Range (Up to 220 Voltage)


আপনি চাইলে আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে কিংবা সকল ক্যাটাগরিতে এক সাথে আবেদন করতে পারেন।

ABC লাইসেন্স করবেন কিভাবে?

বছরে সাধারণত ৪ বার সারকুলা হয়ে থাকে। এই সময়ে আপনাকে আবেদন করতে হবে। এরপর নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষার রেজাল্ট অনলাইনে পেয়ে যাবেন।

আবেদন করার ক্ষেত্রে মনে রাখুন, সি ক্যাটাগরিতে হচ্ছে বেসিক ইলেকট্রিক কাজ। যেমন- হাউজ ওয়ারিং। বি ক্যাটাগরিতে আছে বেসিক ইনেট্রিক সহ ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোলের কাজ। যেমন- মটর এবং এ ক্যাটাগরিতে আছে B ও C ক্যাটাগরির কাজসহ ওভারহেড লাইনের কাজ।

এক একটি লাইসেন্স এর অধীনে চাইলে আপনি যে কোন একটি কিংবা একসাথে সবগুলো ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন। তবে C বাদ দিয়ে B কিংবা B বাদ দিয়ে A নেওয়া সম্ভব নয়।

https://e-service.ocei.gov.bd/

এবিসি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য কি যোগ্যতা প্রয়োজন?

একজন ডিপ্লোমা কিংবা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার শর্ত সাপেক্ষে এই লাইসেন্স পেতে পারেন। বৈদ্যুতিক সুপারভাইজার সার্টিফিকেট পরীক্ষার আবেদনের যোগ্যতা নিম্নরুপঃ

ABC License কি? কিভাবে কোথায় এবিসি লাইসেন্স পাবেন?

One leaf return form pdf ১ পৃষ্ঠার রিটার্ন ফরম পূরণ নমুনা দেখুন

আজ আমরা উদাহরণের সাহায্যে ১ পৃষ্ঠার রিটার্ণ ফরম দাখিল করা শিখবো এবং এটি কাদের জন্য প্রযোজ্য সেটিও জানবো। জনাব ফজলুর রহমানের আয়কর হিসেব করে তার রিটার্ন ফরমটি পূরণ করেছি। তার স্ত্রী সেলিনা রহমান গৃহিনী। আমরা ফজলুর রহমানের রিটার্নে দেখেছিলাম তিনি স্ত্রীকে ৩,০০,০০০/- টাকা সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের জন্য গিফ্ট করেছেন । সেলিনা রহমানের মোট পাঁচ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে, এর মধ্যে দুই লক্ষ টাকা পূর্বে কেনা ছিলো ও গত করবর্ষে স্বামীর নিকট থেকে তিন লক্ষ টাকা গিফ্ট হিসেবে নিয়ে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেছেন।

সেলিনা রহমান সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের জন্য টিন নিয়েছেন এজন্য তাকে রিটার্ন জমা দিতে হবে। তার কোনো করযোগ্য আয় না থাকায় অথবা ৪ লক্ষ টাকার নিচের যাদের আয় ও মোট সম্পদের পরিমান ৪০ লক্ষ এর অনেক কম হওয়ায় তিনি ১ পৃষ্ঠার রিটার্ন ফরম জমা দিতে পারবেন।

এক পৃষ্ঠার রিটার্ন ফরমটি নিচের নমুনা অনুসরণ করে পুরণ করে । সঞ্চয়পত্রের রিটার্ণ ফরম কখন জমা দিতে হয়?

সাথে যা যা গেথে দিবেন-

  • (১) টিআইএন সনদ
  • (২) জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি
  • (৩) ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • (৪) সঞ্চয়পত্রের প্রত্যয়ন পত্র প্রভৃতিসহ জমা দিলেই হবে।

১ পাতার আয়কর রিটার্ন ফরম pdf । আয়কর রিটার্ন ফরম ২০২২-২০২৩ pdf । জিরো রিটার্ন ফরম

One leaf return form pdf ১ পৃষ্ঠার রিটার্ন ফরম পূরণ নমুনা দেখুন

One leaf return form pdf । ১ পৃষ্ঠার রিটার্ন ফরম সংগ্রহ করুন: ডাউনলোড

এক পাতার রিটার্ন ফরম কখন পূরণ করতে হয়?
৩০ নভেম্বরের মধ্যে এই এক পৃষ্ঠার ফরম পূরণ করে বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দিলেই চলবে। খুব বেশি তথ্যও দিতে হবে না। এক পৃষ্ঠার ফরমে করদাতার ছবি, নাম, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), কর অঞ্চল ও সার্কেল, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিতে হবে। এ ছাড়া করযোগ্য আয়ের পরিমাণ ও করের পরিমাণ লিখতে হবে। ৪০ লক্ষ টাকার নিচের সম্পদধারী এক পৃষ্ঠার রিটার্ণ ফরম জমা দিতে পারবে।
এক পাতার রিটার্ন ফরম কখন পূরণ করতে হয়? ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এই এক পৃষ্ঠার ফরম পূরণ করে বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দিলেই চলবে। খুব বেশি তথ্যও দিতে হবে না। এক পৃষ্ঠার ফরমে করদাতার ছবি, নাম, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), কর অঞ্চল ও সার্কেল, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিতে হবে। এ ছাড়া করযোগ্য আয়ের পরিমাণ ও করের পরিমাণ লিখতে হবে। ৪০ লক্ষ টাকার নিচের সম্পদধারী এক পৃষ্ঠার রিটার্ণ ফরম জমা দিতে পারবে।

ডিজিটাল-কমার্স বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ডিবিআইডি কি? Digital Business Identification Number - DBID

বর্তমান সময়ে ই-কমার্স জনপ্রিয়তার সাথে সাথে কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ উঠেছে। এমনও হয়েছে যে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছে। তাই বাংলাদেশে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। আর এর নাম দেওয়া হয়েছে “ডিজিটাল-কমার্স বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ডিবিআইডি” আজকের ইনফোটিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

ডিজিটাল কমার্স বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন কি?

যারা ডিজিটাল প্লাটফরমে মাধ্যমে ব্যবসা করবেন তাদের ব্যবসার বৈধতার জন্য সরকারের কাছ থেকে একটি ব্যবসার পরিচিতি নাম্বার নিতে হবে। এটাকেই ডিজিটাল-কমার্স বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন বা ডিবিআইডি বলা হচ্ছে।

শুধুমাত্র ফেসবুকের মাধ্যমেও ব্যবসা পরিচালনা করলেও এই ডিবিআইডি প্রয়োজন হবে। এটা ডিজিটাল ব্যবসা করার জন্য এখন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ডিজিটাল ব্যবসার জন্য নিবন্ধন করবেন কিভাবে?

অনলাইনের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তাকে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। অনলাইনে নিবন্ধনের লিংক পাওয়া যাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েব পেইজে বা যৌথ –মূলধণ কোম্পানী বা ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর বা আরজেএসসির ওয়েবসাইট কিংবা মাইগভ ডট বিডিতে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন করার জন্য সরাসরি এই https://dbid.gov.bd/ লিংকে প্রবেশ করতে পারেন।

Digital Business Identification Number - DBID

নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • ছবি (বাধ্যতামূলক)
  • স্বাক্ষর
  • আবেদনকারীর জতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি (বাধ্যতামূলক)
  • পরিচালকগণের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি (বাধ্যতামূলক)
  • প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের জাতীয় পরিচয়পত্রে সত্যায়িত কপি (বধ্যতামূলক)
  • এছাড়া আরো কিছু কাগজপত্র লাগতে পারে যেগুলো বাধ্যতামূলক নয় কিন্তু দিতে পারলে নিবন্ধনকারীর জন্য অনেক ভালো। যেমন-
  • টিন সার্টিফিকেট, ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, ভাড়া অফিসের ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র ইত্যাদি।

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভার কপি - NID Server Copy Bangladesh

এনআইডি কার্ডের যারা সার্ভার কপি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তাদেরকে বলব যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে সেখান থেকে সাধারণ জনগণের জন্য যে ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে প্রবেশ করার সুযোগ রয়েছে। সেখানে প্রবেশ করে আপনারা এনআইডি কার্ডের নাম্বার দিয়ে অথবা ভোটার স্লিপ এর নাম্বার দিয়ে এন আইডির সার্ভার কপি ডাউনলোড করতে সক্ষম হবেন।

তাই আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের উদ্দেশ্যে আমাদের ওয়েবসাইটে এনআইডি সার্ভার কপি ডাউনলোড কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে ধারণা প্রদান করব। যদি এনআইডি কার্ডের সার্ভার কপি প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটের দেখানো পন্থা অনুসরণ করবেন এবং সঠিক ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে সঠিক ধাপ সম্পন্ন করে এটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

NID কার্ড সার্ভার কপি ডাউনলোড করার উপায়

জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে অনলাইন থেকে সার্ভার কপি বের করার জন্য প্রথমে ভিজিট করুন prottoyon.gov.bd এবং এখান থেকে আপনার যাবতীয় ইনফরমেশন দিয়ে অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আরো বিস্তারিত বোঝার জন্য নিচের পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করুন।

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh
NID Server Copy Bangladesh
NID Server Copy Bangladesh
NID Server Copy Bangladesh
NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

NID Server Copy Bangladesh

জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) যে কাজে লাগে

১) নাগরিক অধিকার ও সুবিধা সমূহ

২) জাতীয় পরিচয়

৩) ড্রাইভিং লাইসেন্স

৪) মটর যান রেজিস্ট্রেশন

৫) পাসপোর্ট

৬) জমি ক্রয় ও বিক্রয়

৭) ব্যাংক হিসাব খুলতে

৮) ব্যাংক ঋণ নিতে

৯) টিন নাম্বার

১০) মোবাইল সিম পেতে

১১) সরকারি অনুদান ও ভাতা পেতে

১২) চাকরির আবেদন করতে



আরো নানা ধরনের কাজে লাগে এই জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) আর এই জাতীয় পরিচয় পত্র মত জাতীয় পরিচয় পত্রের সার্ভার কপি বিভিন্ন কাজে লাগে বিশেষ কোনো চাকরি জন্য বা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে এই সার্ভার কপি সব ধরনের কাজ এ লাগে পারবেন। কিন্তু এই সার্ভার কপি নিতে লাগে ২১.৬৩ টাকা । আগে ২১.৬৩ টাকা বিকাশ, নগদ দিয়ে পে করতে হয় তার পর সার্ভার কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। আছকে আমি দেখাবো কি ভাবে একদম ফ্রি তে এই সার্ভার কপি ডাউনলোড করবেন বা পাবেন।

ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ mutation land gov bd

mutation land gov bd

ঘরে বসে ভূমি সেবা পেতে ভূমি মন্ত্রণালয় প্রবর্তন করেছে অনলাইন ভূমি সেবা। ফলে নাগরিকরা ঘরে বসে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা যেমন- অনলাইনে জমির খতিয়ান দেখা বা উঠানো, অনলাইনে জমির খাজনা পরিশোধ, ঘরে বসে অনলাইনে ভূমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি, অনলাইনে ভূমি তথ্য সেবা ইত্যাদি। আজকের ইনফোতে ই নামজারি (Mutation): অনলাইনে জমি খারিজ https://mutation.land.gov.bd/ এই সাইট সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

আরো দেখুনঃ অনলাইনে ভূমি কর প্রদান

ই নামজারির ওয়েবসাইট

অনলাইনে জমি খারিজ করার ওয়েবসাইট হচ্ছে - https://mutation.land.gov.bd/ এই সাইট ভিজিট করে জমি খারিজ করার জন্য আবেদন করুন।

যারা জমি ক্রয় করেছেন কিন্তু নামজারি করেন নাই তারা এখন অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদন করতে পারেন। ঘরে বসে নামজরির জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র অনলাইনে জমা প্রদান পূর্বক আবেদন করতে পারেন খুব সহজেই।

আপনার নামজারির আবেদনটি সফলভাবে সাবমিট হলে ঘরে বসে অনলাইনে জামি খারিজ মামলার শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। 

ই নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। আপনার ছবি 

২। আপনার স্বাক্ষর

৩। জমি ক্রয় করার দলিল

৪। সর্বশেষ খতিয়ান (ক্রয়কৃত জমির খতিয়ান)

৫। ওয়ারিশ সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৬। এন আইডি ইত্যাদি।

উপরোক্ত নথিপত্র অনলাইনে আবেদন করার আগেই স্ক্যান করে নিতে হবে। স্ক্যান ফাইল অবশ্যই JPG, PNG অথবা PDF ফরমেটে হতে হবে।

অনলাইনে ই নামজারির আবেদন প্রক্রিয়া mutation.land.gov.bd

প্রথমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের https://mutation.land.gov.bd/ ভিজি্ট করুন
ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ mutation land gov bd

এর পর নামজারি আবেদন - এ ক্লিক করুন
ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ mutation land gov bd
এখানে আপনি ক্লিক করলে একটি ফরম আসবে, ফরমটির ৪টি ধাপ আছে সকল ধাপ সঠিকভাবে ফিলাপ করতে হবে।
নামজারি আবেদন
জমির মালিকানা সূত্র *
ক্রয়
ওয়ারিশ
হেবা
ডিক্রি
নিলাম
বন্দোবস্ত
অধিগ্রহণ
অন্যান্য
ক্রেতা/বাদী/গ্রহীতার তথ্য *
ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির জন্য আবেদন প্রাতিষ্ঠানিক মালিকানাধীন জমির জন্য আবেদন ৩
মৌজা নির্বাচন করুন
আবেদন সংক্রান্ত ঘোষণা
৪.১ সর্বশেষ রেকর্ড অথবা নামজারি হতে জমির মালিকানার ধারাবাহিকতা আছে কিনা ?
৪.২ আবেদনকারীর দলিলমূলে মালিকানা দাবী ও হিস্যা সঠিক আছে কি না ?
৪.৩ আবেদিত জমি দখলে আছে কি না ?
৪.৪ আংশিক খাস/ আংশিক অর্পিত/ আংশিক অধিগ্রহণকৃত আছে কি না?
৪.৫ আবেদিত জমিতে কোন দেওয়ানী মামলা আছে কি না ?
৪.৬ জমিতে সরকারি স্বার্থ আছে কি না ?
৪.৭ সর্বশেষ অর্থ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা আছে কি না?
৪.৮ আবেদনে তফসিলভুক্ত জমির সর্বশেষ জরিপের তথ্য
৪.৯ আবেদনে বর্ণিত তফসিল 
৪.১০ গ্রহীতাদের এই মৌজায় বর্তমানে কোনো খতিয়ান আছে কিনা ?
ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ mutation land gov bd
পরবর্তি ধাপে ক্লিক করলে ভেরিফিকেশনের আপনার মোবাইলে ওটিপি যাবে, আপনি ওটিপি দিয়ে পরবর্তী ধাপ অনুরসণ করতে হবে।

জমি খারিজ করার জন্য অনলাইন আবেদন করার নিয়ম

যেহেতু ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন করতে হবে তাই কম্পিউটার/ল্যাপটপ কিংবা অন্য যে কোন স্মার্ট ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ থাকা লাগবে।

প্রথমে যে কোন একটি ইন্টানেট ব্রাউজার (ক্রম, মজিলা) ওপেন করুন। এরপর এড্রেসবারে টাইপ করুন https://mutation.land.gov.bd/ নিচের মত পেজ ওপেন হবে।

ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ

অনলাইনে আবেদন করুন ট্যাবে নিচের দিকে লাল মার্ক করা বাটনটি ক্লিক করুন। আপনাকে নামজারি জন্য আবেদন করার ফরমে নিয়ে যাওয়া হবে।

নিচের মত আবেদন ফরম ওপেন হবে। লাল মার্ক করার ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ

আবেদন ফরম পূরণ করার ক্ষেত্রে জরুরী বিষয়

জমি খারিজ বা অনলাইনে নামজারির আবেদন করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় আপনার জনা জরুরী। যেমন আপনি যদি কারো প্রতিনিধি হিসাবে আবেদন করেন তাহলে আবেদন কারীর তথ্য ঘরের নিচে একটি ঘর রয়েছে।

আবেদনকারী নিজে না হয়ে প্রতিনিধি হলে এখানে ক্লিক করুন ঘরে টিক মার্ক দিন। আপনার আবেদনটি জরুরী হয়ে থাকলে জরুরী কিন? টিক মার্ক দিন।

নথিপত্র আপলোড করার ক্ষেত্রে, এক এক করে আপলোড করতে হবে। নথিটি আপলোড হলে এটি কি ধরণের নথি (দলিল/খতিয়ান/ নাগরিক সনদ) ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করে দিতে হবে।

সবকিছু হয়ে গেলে নিচের “দাখিল” বাটনটি ক্লিক করুন। তাহলে আপনার আবেনদটি সাবমিট হবে। আবেদনটি সাবমিট হলে আপনি একটি আইডি নাম্বার পাবেন। এই আইডি নাম্বার দিয়ে আবেদনের অবস্থা জানতে পারবেন।

নামজারি আবেদনের অবস্থা জানার নিয়ম

আপনার আবেদন কি অবস্থায় রয়েছে বা কতদূর অগ্রগতি তা অনলাইনে জানতে পারবেন। আবেদনটি বাতিল হয়ে গেলেও কি কি কারণে বাতিল করা হয়েছে তা আপনাকে জানানো হবে। বর্তমানে আপনার নামজারি আবেদনটি কি অবস্থায় আছে তা জানার জন্য ই নামজারি ওয়েবসাইটের হোম পেজে যান।

নিচের মত ফরমটি পূরন করে নিচে খুজুন বাটনটি ক্লিক করুন।

ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ

আপনার বিভাগ, আবেদন আইডি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নাম্বার এবং নিচের ঘরে পাশের শর্তমত যোগফল বা বিয়োগফল লিখুন। এখন সার্চ করলে আপনার আবেদনটির সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।

FAQ’S

নামজারি সেবা প্রাপ্তি সময় কত?

সাধারণ ক্ষেত্রে ২৮ কার্য দিবস ।

প্রবাসীদের জন্য ( মহানগর এলাকায়) ১২ কার্য দিবস ।

প্রবাসীদের জন্য ( অন্যান্য এলাকায়) ০৯ কার্য দিবস ।

সনদ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণের জন্য ১০ কার্য দিবস ।

গুরুত্বপূর্ণ/রপ্তানীমুখী/বৈদেশিক বিনিয়োগপুষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ০৭ কার্য দিবস ।

নামজারি প্রয়োজনীয় ফি কত?

আবেদনে কোর্ট ফী ২০ টাকা ,নোটিশ জারি ফী ৫০ টাকা , খতিয়ান ফি ১০০ টাকা ,রেকর্ড সংশোধন ফি ১০০০/-টাকা, সর্বমোট নামজারী করতে ১১৭০ টাকা প্রয়োজন হয়।

Mutation Gov bd fee Online

অনলাইন ই-নামজারির ফি প্রদান করা। বাংলাদেশ সরকারে ই-নামজারি ফি অনলাইনে প্রদান করতে পারবেন।

ই নামজারি-অনলাইনে জমি খারিজ mutation land gov bd

নামজারি বাতিলের জন্য করণীয় কি?

নামজারী বাতিল করতে উক্ত নামজারী আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সঠিক কারণ বর্ণনাক্রমে উপজেলা ভূমি অফিসে মিস কেস দায়ের করতে হবে। যদি ৩০ দিন অতিবাহিত হয়ে যায় তাহলে বিলম্বের উপুযুক্ত কারণ দেখিয়ে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত আইনের ১৫০ ধারা মতে আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে।

Education Board Certificate Correction Online

Education Board Certificate Correction Online

SSC, HSC Certificate Information Change or Correction Process in Bangladesh: The Secondary School Certificate( SSC) and Advanced Secondary School Certificate( HSC) are one of the most important education documents and instruments for any Bangladeshi pupil. But what if there are miscalculations in the final instrument? There’s nothing to worry about as scholars or their guardians can fluently correct the information. how to change or correct information in SSC and/ or HSC instruments.

How To Correction Certificate Online

There are many of you who have a mistake in the certificate in the name of your parents and a mistake in the certificate in your own name. Because of this, you get into a lot of trouble in different places. So you need to revise this educational certificate. How To Correction Certificate Online 2023 Is very simple.

  • First, you go to Education Board Correction Website, for Example- Dhaka Educational Board’s official website (dhakaeducationboard.gov.bd/)
  • Then you click online application.
  • you click the application.
  • Then you give your correct information.

All Education Board Certificate Correction Link

Dhaka Board - https://efile.dhakaeducationboard.gov.bd/
Sylhet Board - https://application.sylhetboard.gov.bd/
Comilla Board - https://nameage.comillaboard.gov.bd/
Chittagong Board - https://name.bise-ctg.gov.bd/
Rajshahi Board - https://rajshahiboard.gov.bd/
Barisal Board - https://www.barisalboard.gov.bd/
Jessor Board - https://app.jessoreboard.gov.bd/
Mymensigh Board - https://www.mymensingheducationboard.gov.bd/

Correction Certificate Online Document

  1. Notary/Affidavit
  2. Newspaper Affidavir
  3. Student NID/Birth Certificate
  4. Father's/Mother's NID
  5. Councilor/Chairman Certificate etc.

সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে 

অনলাইনে সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য কিছু ডকুমেন্টস লাগে। এছাড়া আবেদনের পর নিজস্ব বোর্ড থেকে যাচাই করনের জন্য সকল ডকুমেন্টস নিয়ে যেতে হয়। যেমন-
  • শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদ (জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলে তার কপি);
  • পিতা মাতার নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র;
  • এফিডেভিট/ নোটারি পাবলিক/ হলফনামা;
  • পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের কপি। (সার্টিফিকেট সংশোধনের তথ্য উল্লেখ থাকতে হবে;
  • প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট;
  • বোর্ড পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড/ প্রবেশপত্র/ট্রান্সক্রিপ্ট এর মুলকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  • আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
  • অনলাইনে আবেদন করে থাকলে আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি;
  • অনলাইনে বা অফলাইনে নির্ধারিত ফি পরিশোধের স্লিপ।

নোটারি পাবলিক

নাম বা জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে। প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ না হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে। এতে খরচ হবে ৫০০ টাকা (কম-বেশি লাগতে পারে)।

পত্রিকায় বিজ্ঞাপন

হলফনামা সম্পাদনের পর একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেট নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম, রোল নম্বর, বোর্ডের নাম এবং জন্মতারিখ উল্লেখ করে যা সংশোধন করতে চান (প্রার্থীর নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম বা জন্মতারিখ) তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে। এজন্য আপনার খরচ হবে ৩০০ টাকা (কম-বেশি লাগতে পারে)।
এই ২টি কাজ সম্পাদন করার পর আপনি যেই স্কুল বা কলেজে লেখাপড়া করেছেন সেটির সাহায্য লাগবে। (অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে এর কোনো বিকল্প নেই)
এবার আপনি উপরে উল্লেখিত ২টি কাগজ ও আপনার বাবা-মায়ের নাম সংশোধন হলে তাদের সার্টিফিকেট বা ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ আপনার নিজের হলে জন্ম সনদ নিয়ে সরাসরি আপনার প্রতিষ্ঠানে চলে যান। এই কাজটি আপনি বাসায় বসে করতে পারবেন না, কারণ এটি কলেজের EIIN ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে করা হয়। এর একটিই সুবিধা আপনাকে শিক্ষা বোর্ডে যেতে হচ্ছে না, নিজের স্কুল থেকেই কাজ হয়ে যাবে।

অনলাইন সার্টিফিকেট সংশোধন ফরম পূরণ করার নিয়ম 

অনলাইনে সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম বিভিন্ন বোর্ডে ভিন্ন ভিন্ন। বিশেষ করে ঢাকাতে পরীক্ষার থেকে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হয়। তবে অন্যান্য বিভাগে অনলাইনে নিজে নিজেই প্রাথমিক আবেদন করা যায়।

সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে?

সার্টিফিকেট সংশোধন করতে সংশোধন ফি, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, নোটারি পাবলিক ও সার্টিফিকেট কপি উত্তোলন ফি সহ ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা লাগে।
সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়মে সংশোধন ফি শিক্ষা বোর্ড ভেদে ভিন্ন। প্রতিটি শিক্ষা বোর্ড তাদের নিজস্ব নীতিমালায় ফি নির্ধারণ করে।
উদাহরণস্বরূপ: ঢাকা বোর্ডের সংশোধন সার্টিফিকেট সংশোধন ফি ৫৫৮ টাকা। JSC ও SSC সার্টিফিকেটের বয়স সংশোধন করতে
সংশোধন ফি, ৫৫৮× ২= ১১১৬ টাকা;
সংশোধিত কপি উত্তোলন ফি, ৫৫৮× ২= ১১১৬ টাকা;
নোটারি পাবলিক বাবদ= ৫০০-১,০০০ টাকা;
পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বাবদ= ৫০০-১,০০০ টাকা;
এবং যাতায়াত খরচ।
সর্বমোট ৪,০০০-৫,০০০ টাকা খরচ হবে।

Board Certificate Correction Online FAQ’s

সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে?
অনলাইনে আবেদন করে ফি পরিশোধ করার পর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৩ মাস বা এর বেশি সময় লাগতে পারে।
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে?
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে সংশোধন ফি, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, নোটারি পাবলিক ও সার্টিফিকেট কপি উত্তোলন ফি সহ ৪০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা লাগে।
একজন শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট কতবার সংশোধন করা যায়?
একজন শিক্ষার্থী ১ বার সার্টিফিকেট সংশোধন করতে পারবে। তাই সার্টিফিকেট সংশোধনের আবেদন করার সময় একবারেই সকল সার্টিফিকেটের তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে হবে।
সার্টিফিকেট সংশোধনের ফি জমা দেওয়ার নিয়ম কি?
সার্টিফিকেট সংশোধনের আবেদন করার পর একটি সোনালী স্লিপ দেওয়া হয়। সেই পেমেন্ট স্লিপের নির্দেশনা অনুযায়ী বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে বা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন।
সার্টিফিকেটে নাম পরিবর্তন করতে কি কি লাগে?
সার্টিফিকেটে নাম পরিবর্তনের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, হলফনামা, জন্ম নিবন্ধন লাগে।

ট্রেড লাইসেন্স নতুন বা নবায়ন আবেদন ও ফি প্রদান Trade Licence Online Applicaiton

Trade Licence Online Applicaiton

ট্রেড লাইসেন্স এর সূচনা: বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্স এর সূচনা ঘটে ২০০৯ সালে সিটি কর্পোরেশন [কর] বিধি, ২০০৯ এর মাধ্যমে । এই লাইসেন্স ব্যবসা উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। সিটি কর্পোরেশন বা সিটি পরিষদ এই লাইসেন্সটির প্রক্রিয়া পরিচালনা করে ।

লাইসেন্স এর ব্যবহার

শুধুমাত্র ব্যবসার ক্ষেত্রে এই লাইসেন্স ব্যবহার করবেন। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, লাইসেন্সধারী ব্যক্তির নামে এই লাইসেন্স অফিস কর্তৃক প্রদান করা হয় এবং এটা কোনোভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এই ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায় না। ছোট বড় সকল ব্যবসার জন্য এই লাইসেন্স একটি আইনি সত্তা হিসাবে কাজ করে।

ট্রেড লাইসেন্স কি?

ব্যবসার আইনগত দলিল হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স অর্থাৎ ব্যবসার জন্য রাষ্টীয় অনুমোতি পত্র হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স। আপনি ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াও ব্যবসার করতে পারবেন। তবে এটি আইনগতভাবে বৈধ নয় এবং ব্যবসার জন্য আপনি কোন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। সামাজিকভাবে ব্যবসার জন্য সকল সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে। আর এটি হচ্ছে আপনার ব্যবসার সতন্ত্র সত্তা। ফলে ব্যবসার নামে ব্যাংক হিসাব ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।

ই-ট্রেড লাইসেন্স কি?

ই-ট্রেড লাইসেন্স হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স করার অনলাইন অ্যাপ। ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসার জন্য যে ট্রেড লাইসেন্স করা হয় তাকে ই-ট্রেড লাইসেন্স বলে।

ই ট্রেড লাইসেন্স এর বড় সুবিধা হচ্ছে, কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই নিজে নিজেই অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যায়। অফিসে না গিয়ে নবায়নও করে নেওয়া যায় সহজেই।

কিভাবে ই-ট্রেড লাইসেন্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করবেন এবং ট্রেড লাইসেন্স হাতে পাবেন তা জানার আগে ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

লাইসেন্স নবায়ন করার নিয়ম ও নবায়ন ফি

যে অফিস থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হবে সেই অফিসেই নবায়ন করতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স আঞ্চলিক কর (সিটি কর্পোরেশন, সিটি পরিষদ কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ) অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদান কিংবা পরিচালনা করে থাকেন।

ট্রেড লাইসেন্সে এর জন্য নির্ধারিত ফি লাইসেন্স ফরমে উল্লেখিত যে কোনো ব্যাংক শাখা কিংবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।

ট্রেড লাইসেন্স এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে

১। ভাড়ার চুক্তিপত্র

২। হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের কপি

৩। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি

শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে

উপরোক্ত সবগুলি ডকুমেন্ট এবং এর সাথে নিচের নথিপত্র লাগবে-

১। পরিবেশ সংক্রান্ত অনাপত্তি পত্র

২। প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র

৩। অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র

৪। ডি.সি.সি. র নিয়ম মানার অঙ্গতীকারপত্র অর্থাৎ এর নিয়মাবলি মেনে চলা হবে এমতে ১৫০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারপত্র দাখিল করতে হবে

৫। ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি

ক্লিনিক অথবা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে

উপরোক্ত সবগুলি ডকুমেন্ট এবং এর সাথে নিচের নথিপত্র লাগবে-

১। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন লাগবে

লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে

১। মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল

২। সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন

ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেল লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে

১। ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি লাগবে

রিক্রটিং এজেন্সি লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে

১। মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স

অস্ত্র ও গোলাবারুদের ক্ষেত্রে

১। অস্ত্রের লাইসেন্স

ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে 

১। ড্রাগ লাইসেন্সের কপি

ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে

১। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পত্র জমা দিতে হবে

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার নিয়ম

১। পুরাতন ট্রেড লাইসেন্সটি অর্থাৎ যেটার মেয়াদ শেষ সেটি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করিবেন।

২। দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর বিষয়ক কর্মকর্তা নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করবেন।

৩। লাইসেন্স নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্স ফির সমপরিমাণ ফি দিতে হবে। এই ফি লাইসেন্স ইস্যু করার মতোই লাইসেন্স ফরমে উল্লিখিত ব্যাংকে কিংবা অনলাইনে প্রদান করবেন।

ই-ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করবেন? অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স ভিজিট করুন – www.etradelicense.gov.bd

ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে ইতিপূর্বে আমরা একটি ইনফো শেয়ার করেছি। তবে সেখানে অনলাইনে কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স (ই-ট্রেড লাইসেন্স) পাওয়ার যায় সেই বিষয়ে কোন তথ্য শেয়ার করা হয়নি। অর্থাৎ ইনফোটি শেয়ার করার সময় ই ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি আপডেট হয় নি।আজকের ইনফোতে ই-ট্রেড (www.etradelicense.gov.bd) ওয়েব সার্ভার থেকে কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করবেন এবং ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য শেয়ার করা হলো।

অনলাইনে ই-ট্রেড লাইসেন্স করবেন কিভাবে?

অনলাইনে মত্র ৫ মিনিটে পাবেন ট্রেড লাইসেন্স সার্টিফিকেট ”ই-ট্রেড লাইসেন্স”। প্রথমে যে কোন ব্রাউজার ওপেন করে প্রবেশ করুন - www.etradelicense.gov.bd । ই ট্রেড লাইসেন্স ওয়েব সার্ভারের হোম পেজ আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে। নিচের দিকে “নতুন নিবন্ধনের জন্য ক্লিক করুন” বাটনে প্রেস করুন।
আবেদন করার অনলিইন ফরম প্রদর্শিত হলে সেখানে প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য দিয়ে সাবমিট করুন। আপনার আবেদন অনুমোদন হলে এখান থেকে ”ই-ট্রেড লাইসেন্স” ডাউনলোড করতে পারবেন এবং এটি আপনার ব্যবসার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

ই ট্রেড লাইসেন্স এর সুবিধা

এর প্রথম সুবিধা হচ্ছে কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে বসে অনলাইনে নিতে পারবেন। এছাড়াও যে সুবিধাগুলো আপনার কাছে মনে হতে পারে তা নিজে নিজেই চিন্তা করে দেখুন।
** অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
** অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন।
** ট্রেড লাইসেন্স হারিয়ে গেলেও যে কোন সময় ই ট্রেড লাইসেন্স ওয়েব সার্ভারে আপনার একাউন্ট থেকে ই ট্রেড লাইসেন্স ডাউনলোড/ প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।
** অনলাইনে রিনিউ বা রিইস্যু করে নেওয়া যাবে ই-ট্রেড লাইসেন্স।
** আপনি অনলাইনে একটি একাউন্ট থেকে একাধিক (আপনার যত রকম ব্যবসা রয়েছে সকল ব্যবসার জন্য একটি করে ই ট্রেড লাইসেন্স) করতে পারবেন।
** ই-ট্রেড লাইসেন্সটি সঠিক না ভূয়া তা অনলাইনে যাচাই করা যাবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া ২০২৩ Driving License Application Process

Driving License Application Process

ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ। 

অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।

মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া 

গ্রাহককে প্রথমে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd)-এর মধ্যমে আবেদন করতে হবে। অনলাইন সিস্টেম থেকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু হবে এবং গ্রাহক সাথে সাথেই সিস্টেম থেকেই তার শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। এরপর ২/৩ মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট-এ অংশ গ্রহণ করতে হবে। এসময় প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় প্রমাণক, তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স (মূল কপি) ও লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কলম সাথে আনতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স লার্ণার অনলাইন আবেদন

প্রথমে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এর সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি) তে প্রবেশ করতে হবে।
ওয়েব সাইট লিংকঃ https://bsp.brta.gov.bd/
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া ২০২৩ Driving License Application Process
এখানে যদি আপনি নিবন্ধন না করে থাকেন তাহলে নিবন্ধন করতে হবে। আর যদি আগে থেকে নিবন্ধন করা থাকে তাহলে লগিন করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া ২০২৩ Driving License Application Process
নিবন্ধন করার জন্য আপনাকে নিবন্ধনে ক্লিক করতে হবে তারপর আপনি উপরোক্ত পেইজে চলে যাবেন। এখানে আপনার জন্ম তারিখ এনআইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার প্রবেশ করে নিবন্ধনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি যাবে যেটি প্রবেশ করালে আপনাকে আপনি পাসওয়ার্ড সেট করার জন্য বলবে। পাসওয়ার্ড সেট করা হয়ে গেলে আপনার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে।
এর পর আপনি লগিনে যাবেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া ২০২৩ Driving License Application Process
এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার ও যে পাসওয়ার্ডটি দিয়েছেন সেটি প্রবেশ করে লগিন ক্লিক করলে সার্ভিস পোর্টালের ড্যাশবোর্ডে চলে যাবেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া ২০২৩ Driving License Application Process

লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন অনলাইনে আবেদন। b

২।  আবেদনকারীর ছবি [ছবির সাইজ সর্বোচ্চ ১৫০ কেবি (৩০০ x ৩০০ পিক্সেল)]

৩।  রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের ফর্মের জন্য  এখানে ক্লিক করুন ]

৪।  জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)

৫।  ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি), [ আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে ]

৬।  বিদ্যমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি [ ড্রাইভিং লাইসেন্সের নবায়ন/শ্রেণী পরিবর্তন/শ্রেণী সংযোজন/ লাইসেন্সের ধরণ পরিবর্তণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ] (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)

৭।  অনলাইনে আবেদন দাখিলের সময় ভুয়া তথ্য প্রদান করা হলে তার লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৮। নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি-৭৪৮/-টাকা অনলাইনে পরিশোধ।

লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় একটি নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফী প্রদান করে স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য সংশিস্নষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণপূর্বক স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়।

স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।

২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।

৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর সত্যায়িত ফটোকপি।

৪। নির্ধারিত ফী (পেশাদার- ২৪২৭/-টাকা ও অপেশাদার-  ৪১৫২/-টাকা) বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।

৫। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন।

৬। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

E-paper and Smart Driving License BD

QR code সম্বলিত ই-পেপার ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি।
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD
E-paper and Smart Driving License BD

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকৃতিঃ

(১) পেশাদার হালকা (মোটরযানের ওজন ২৫০০কেজি-এর নিচে) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে, (২) পেশাদার মধ্যম (মোটরযানের ওজন ২৫০০ থেকে ৬৫০০ কেজি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ০৩ বছর হতে হবে।

(৩) পেশাদার ভারী (মোটরযানের ওজন ৬৫০০ কেজির বেশী) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পেশাদার মধ্যম ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ০৩ বছর হতে হবে।

[বি:দ্র: পেশাদার ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য প্রার্থীকে প্রথমে হালাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হবে এর ন্যূনতম তিন বছর পর তিনি পেশাদার মিডিয়াম ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং মিডিয়ম ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কমপক্ষে ০৩ (তিন) বছর পর ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। ]

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া

(ক) অপেশাদারঃ

গ্রাহককে প্রথমে নির্ধারিত ফি ( মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ২৪২৭/- টাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিন পরে প্রতি বছর ২৩০/- টাকা জরিমানাসহ) জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ও সংযুক্ত কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেলে একইদিনে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ করা হয়। স্মার্ট কার্ড wপ্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।

(খ) পেশাদারঃ

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদেরকে পুনরায় একটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষায় উত্ত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্ধারিত ফি ( মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ১৫৬৫/- টাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিন পরে প্রতি বছর ২৩০/- টাকা জরিমানাসহ ) জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণের জন্য গ্রাহককে নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে উপস্থিত হতে হয়। স্মার্ট কার্ড wপ্রন্টিং-এর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন;

২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য);

৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড -এর সত্যায়িত ফটোকপি;

৪। নির্ধারিত ফি জমাদানের রশিদের বিআরটিএ কপি;

৫। সদ্য তোলা ০২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি;

ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।

২। জিডি কপি ও ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স।

৩। নির্ধারিত ফী (হাই সিকিউরিউটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ৮৭৫/-টাকা) বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।

৪। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি কত টাকা? নবায়ন ফি কি একই

বছরের শুরুতেই বাংলাদেশ সরকার সকল প্রকার যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ফি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি পুনঃনির্ধারণ করে দিয়েছে। BRTA কর্তৃক ইতোমধ্যে পুনঃনির্ধারিত নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ যানবাহনের ক্যাটাগরের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রকমের ড্রাইভিং লাইসেন্স বিআরটিএ কর্তৃক দেয়া হয়ে থাকে। সকল প্রকার ড্রাইভিং লাইসেন্স কে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হচ্ছে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং আরেকটা হচ্ছে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স।

পেশাদার কিংবা অপেশাদার দুই রকমের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি বর্ধিত হয়েছে। বর্তমানে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আপনাকে ৪১৫২ টাকা এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২৪২৭  ফ্রি প্রদান করতে হবে। অনেকেই নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছেন। তাই আজকের এই পোস্টে আমি আপনাদের সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স এর নতুন ফি কত এ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানানোর চেষ্টা করব।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া ২০২৩ Driving License Application Process

Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম

pdf pension scheme অর্থ বিভাগের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার জন্য অভিন্ন সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ

সর্বজনীন পেনশন স্কিম - www.upension.gov.bd

https://www.upension.gov.bd/Public এই ওয়েবসাইট ভিজিট করে সার্বজনীন পেনশন স্কিলে লগিন রেজিস্ট্রেশন সহ সকল কাজ করতে পারবেন।
Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম

প্যাকেজ ও স্ক্রিমসমূহ Pension Scheme

নিম্নে প্যাকেজের তালিকা
Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম

পেনশনার আবেদন ফরম Pension Application Form

এখানে পেনশনের আবেদন ফরম দেওয়া হল
Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম

Pension Scheme BD Online Application

নিম্নে অনলাইন আবেদনের প্রসেস দেওয়া হল
Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম
Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম
Pension Scheme Bangladesh সর্বজনীন পেনশন স্কিম

Pension Scheme উল্লেখযোগ্য বৈশিস্ট্য

জাতীয় পরিচয়পত্রকে ভিত্তি ধরিয়া ১৮ (আঠারো) বৎসর তদূর্ধ্ব বয়স হইতে ৫০ (পঞ্চাশ) বৎসর বয়সি সকল বাংলাদেশি নাগরিক সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রণ করিতে পারিবে;
তবে শর্ত থাকে যে, বিশেষ বিবেচনায় ৫০ (পঞ্চাশ) বৎসর উর্ধ্ব বয়সের নাগরিকগণও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন এবং সেইক্ষেত্রে স্কিমে অংশগ্রহণের তারিখ হইতে নিরবচ্ছিন্ন ১০ (দশ) বৎসর চাঁদা প্রদান শেষে তিনি যে বয়সে উপনীত হইবেন সেই বয়স হইতে আজীবন পেনশন প্রাপ্ত হইবেন;
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীগণ এ কর্মসূচিতে অন্তর্ভূক্ত হইতে পারিবেন;
প্রত্যেক চাঁদাদাতার জন্য একটি পৃথক ও স্বতন্ত্র পেনশন হিসাব থাকিবে;
পেনশনে থাকাকালীন ৭৫ (পচাঁত্তর) বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে মৃত্যুবরণ করিলে পেনশনারের নমিনি অবশিষ্ট সময়কালের (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ (পঁচাত্তর) বৎসর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন প্রাপ্ত হইবেন;
চাঁদাদাতা কমপক্ষে ১০ (দশ) বৎসর চাঁদা প্রদান করিবার পূর্বে মৃত্যুবরণ করিলে জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ তাহার নমিনিকে ফেরত দেওয়া হইবে; এবং
পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসাবে গণ্য করিয়া কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হইবে এবং মাসিক পেনশন বাবদ প্রাপ্ত অর্থ আয়কর মুক্ত থাকিবে।

Pension Scheme BD FAQ

প্রশ্ন: সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীগণ সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ নিতে পারবেন কিনা?
উত্তর: সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির পূর্বে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীগণ সরকারি পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।